নন্দিপাড়ায় ব্যবসায়ীকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার, পরিকল্পিত হত্যাচেষ্টা বলছে পরিবার

AI-classifiedconfidence 74%

Why this classification

This incident was classified as mob justice / lynchings in Dhaka. Parties reported: Local Mob, Rival Business Faction. Reported casualties: 0 killed and 1 injured. Reported by 1 source.

Reported by:Prothom AloJugantorSamakalCorroborated · 3 sources
26/07/26•Nandipara, Khilgaon

Killed

0

Injured

1

Summary

ঢাকার খিলগাঁওয়ের নন্দিপাড়ায় খোরশেদ আলম সোহেল নামের এক ইট-বালু ব্যবসায়ীকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করেছে পুলিশ। স্থানীয়দের দাবি তিনি অস্ত্রসহ গণপিটুনির শিকার হয়েছেন, তবে পরিবারের অভিযোগ এটি ব্যবসায়িক বিরোধের জেরে পরিকল্পিত হামলা।

AI analysis

Category

Mob Justice / Lynchings

Confidence

74% · severity 5

Parties involved

Local MobRival Business Faction

Tags

LynchingVigilante JusticeGang War

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 26/07/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (3 sources)

Source 1: Samakal · 06/03/26open original ↗

খিলগাঁওয়ে জুয়েলার্সের দেয়াল ভেঙে ২২০ ভরি স্বর্ণ, রুপার গহনা চুরি

খিলগাঁওয়ে জুয়েলার্সের দেয়াল ভেঙে ২২০ ভরি স্বর্ণ, রুপার গহনা চুরি ছবি: সংগৃহীত সমকাল প্রতিবেদক প্রকাশ: ০৬ মার্চ ২০২৬ | ০০:৫০ রাজধানীর খিলগাঁওয়ের গোড়ান এলাকায় আশেকে রাসুল জুয়েলার্স থেকে বুধবার রাতে ২২০ ভরি স্বর্ণ ও রুপার গহনা চুরি হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে বিষয়টি জানতে পারেন মালিক। তিনি জানান, স্বর্ণ ও রুপা ছাড়াও দোকান থেকে নগদ এক লাখ ৪০ হাজার টাকা নিয়ে গেছে চোরেরা। খিলগাঁও থানার ওসি শফিকুল ইসলাম সমকালকে বলেন, গোড়ান টেম্পো স্ট্যান্ড এলাকার ওই জুয়েলার্সের মালিক আমিরুল ইসলাম মনা। বুধবার রাত ১১টার দিকে তিনি দোকান বন্ধ করে বাসায় চলে যান। বৃহস্পতিবার সকালে তাঁর পাশের দোকানের মালিক এসে দুই দোকানেরই শাটার ভাঙা দেখতে পান। তিনি নিজের দোকানে ঢুকে দেখেন, ভেতরে তছনছ করা এবং পাশের দেয়াল ভাঙা। দেয়ালের ওপাশেই জুয়েলার্স। জুয়েলার্স মালিক মনা পরে পুলিশকে জানান, তাঁর দোকান থেকে ৭০ ভরি স্বর্ণ, ১৫০ ভরি রুপা ও নগদ প্রায় দেড় লাখ টাকা চুরি হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহ করেছে। ওসি বলেন, একটি বাড়ির নিচতলায় পাশাপাশি জুয়েলার্স ও হোমিওপ্যাথিক ওষুধের দোকান। দেখে মনে হয়েছে, পরিকল্পিতভাবে আগে ওষুধের দোকানে ঢোকে চোর চক্র। পরে দুই দোকানের মাঝে থাকা দেয়াল ভেঙে স্বর্ণের দোকানে যায় তারা। চুরির সময় ওই ভবনে কোনো নিরাপত্তাকর্মী ছিলেন না। জুয়েলার্স মালিকের দাবি, চুরির সময় সিসিটিভি ফুটেজ রেকর্ড রাখার ডিভাইসটিও নিয়ে গেছে চোরেরা। তবে আশপাশের সিসি ক্যামেরা থেকে ফুটেজ সংগ্রহ করে জড়িতদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় একটি মামলার প্রক্রিয়া চলছে। জুয়েলার্স মালিক আমিরুল ইসলাম বলেন, ‘পাশের হোমিও ফার্মেসির মালিকের কাছ থেকে খবর পেয়ে এসে দেখি আমার সব শেষ। দোকানের ডিসপ্লে ও লকার ভেঙে স্বর্ণ ও রুপার গহনা, টাকা সব নিয়ে গেছে। আমি নিঃস্ব হয়ে গেলাম।’ চুরির ঘটনায় আশপাশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। ওই এলাকার ব্যবসায়ী আব্দুল হান্নান সাংবাদিকদের বলেন, ‘শাটার ভেঙে, দেওয়াল ভেঙে চুরি-ডাকাতি হলে আমরা ব্যবসায়ীরা কোথায় যাব?’ এর আগে ৫ জানুয়ারি ভোরে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের চন্দ্রিমা বাজার এলাকায় নিউ রানা জুয়েলার্সের শাটার ও কলাপসিবল গেট ভেঙে দুর্ধর্ষ চুরি হয়।

Source 2: Jugantor · 10/06/26open original ↗

আসামি ধরতে গিয়ে গণপিটুনি খেয়ে দুই এসআই হাসপাতালে

প্রিন্ট: ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:১৯ এএম Advertisement Advertisement যুগান্তর প্রতিবেদন, ঢাকা উত্তর প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ আরও পড়ুন Advertisement সাদা পোশাকে আসামি ধরতে গিয়ে গণপিটুনির শিকার হয়েছেন সাভার মডেল থানার এসআই শামিম হোসেন ও মশিউর রহমান। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় পৌর এলাকায় মাদকস্পট খ্যাত বেদেপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের উদ্ধার করে প্রথমে সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাদেরকে সাভার এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশ জানায়, আসামি রফিকুল ইসলামকে গ্রেফতার করার পর তার অনুসারীরা তাকে ছিনিয়ে নেয় ও পুলিশের দুই সদস্যকে গণধোলাই দিয়ে গুরুতর আহত করে। সাভারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর আলম যুগান্তরকে বলেন, এসব আসামি পোশাক পরা অবস্থায় ধরা যায় না। তবে থানা পুলিশের একটা ব্যাক-আপ তাদের সঙ্গে ছিল। তাই বড় ধরনের বিপদ থেকে রক্ষা পাওয়া গেছে। তবে ওই আসামিকে গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে। Advertisement সম্পর্কিত খবর Advertisement Advertisement Advertisement Advertisement Advertisement Advertisement

Source 3: Prothom Alo · 26/07/26open original ↗

নন্দিপাড়ায় ব্যবসায়ীকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার, পরিকল্পিত হত্যাচেষ্টা বলছে পরিবার

গুরুতর আহত অবস্থায় খোরশেদ আলম সোহেলকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনা হয়। ২৬ জুলাই ২০২৬ছবি: প্রথম আলো রাজধানীর খিলগাঁওয়ের নন্দিপাড়ায় রক্তাক্ত অবস্থায় এক ব্যবসায়ীকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। খোরশেদ আলম সোহেল (৪৫) নামের ওই ব্যবসায়ী পশ্চিম নন্দিপাড়ার বাসিন্দা। তিনি ইট–বালু সরবরাহের কাজ করেন। স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ বলছে, খোরশেদ আলমের কাছ থেকে গুলিভর্তি একটি দেশীয় পিস্তল ও একটি ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে। তবে খোরশেদের পরিবারের অভিযোগ, ডেকে নিয়ে পরিকল্পিতভাবে তাঁকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুরে আহত অবস্থায় খোরশেদকে প্রথমে মুগদা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি পুলিশি পাহারায় চিকিৎসাধীন। খিলগাঁও থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. ইমরান শেখ বলেন, থানায় খবর আসে, নন্দিপাড়ায় আগ্নেয়াস্ত্রসহ এক ব্যক্তিকে স্থানীয় লোকজন আটক করে পিটুনি দিচ্ছেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখে, ৪০ থেকে ৫০ জন লোক তাঁকে ঘিরে রেখেছেন। তিনি রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে ছিলেন। এএসআই ইমরান শেখ বলেন, স্থানীয় লোকজনের দাবি, আহত ব্যক্তির কাছ থেকে গুলিভর্তি একটি দেশীয় পিস্তল ও একটি ছুরি পাওয়া গেছে। পরে পুলিশের অন্য কর্মকর্তারা সেগুলো জব্দ করেন। আহত খোরশেদের স্ত্রী তারিন আক্তারের দাবি, তাঁর স্বামীকে পরিকল্পিতভাবে ডেকে নিয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। তিনি বলেন, তাঁর স্বামী ইট-বালু সরবরাহের ব্যবসা করেন। এ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে এক পক্ষের সঙ্গে বিরোধ চলছিল। এর আগে প্রতিপক্ষ তাঁদের হুমকিও দিয়েছিল বলে অভিযোগ করেন খোরশেদের স্ত্রী। তিনি বলেন, এলাকার একটি পরিবারের সদস্যরা পরিকল্পিতভাবে খোরশেদকে সেখানে ডেকে নিয়ে মারধর করেন। পরে তাঁর কাছে অস্ত্র দিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয় বলেও দাবি করেন তিনি। এ বিষয়ে এএসআই ইমরান শেখ বলেন, পুরো বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তদন্ত করে দেখছেন। তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে। তিনি আরও জানান, আহত খোরশেদের নামে খিলগাঁও থানায় কয়েকটি মামলা রয়েছে। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন অপরাধ থেকে আরও পড়ুন পুলিশঅস্ত্রহত্যাচেষ্টাউদ্ধারমারধরখিলগাঁওঅপরাধগণপিটুনি