নারায়ণগঞ্জ বার ভবনে আইনজীবীদের দুপক্ষের হট্টগোল-ধাক্কাধাক্কি
Why this classification
The article reports a current physical confrontation in which two groups of lawyers pushed and shoved each other inside the Narayanganj District Bar Association building. No date is given, so the report is treated as recent, and the event took place in Bangladesh. The violence is minor, consisting of pushing and shouting, with no injuries or weapons reported.
Killed
0
Injured
0
Summary
নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির বার ভবনে আইনজীবীদের দুই পক্ষের মধ্যে চরম উত্তেজনা, হট্টগোল ও ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটেছে। প্রতিবেদনে কোনো হতাহতের উল্লেখ নেই।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
65% · severity 2
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 06/10/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
হাজিরা দিতে আসা যুবককে ঘিরে মব, আইনজীবীদের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি
হাজিরা দিতে আসা যুবককে ঘিরে মব, আইনজীবীদের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি নারায়ণগঞ্জ আদালতপাড়ায় এক যুবককে ঘিরে মব সৃষ্টির চেষ্টাকালে বাধা দিলে গতকাল বুধবার আইনজীবীদের সঙ্গে তর্কে জড়ান মহানগর ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান ফারহান (শাল পরিহিত) সমকাল নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ | ০৮:২৪ | আপডেট: ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ | ০৯:৩৬ | প্রিন্ট সংস্করণ নারায়ণগঞ্জ আদালতে হাজিরা দিতে আসা এক যুবককে মব সৃষ্টি করে হামলার চেষ্টা চালিয়েছেন এক ছাত্রদল নেতা। এতে বাধা দিলে ওই নেতা ও তাঁর অনুসারীদের সঙ্গে আইনজীবীদের ধাক্কাধাক্কি হয়। গতকাল বুধবার বিকেলের এ ঘটনায় আদালত পাড়ায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশ বলছে, ঘটনা শুনে গিয়ে তারা সেখানে কাউকে পাননি। কেউ থানায় অভিযোগও করেননি। এদিকে বিচারপ্রার্থীকে রক্ষা করে প্রশংসিত হয়েছেন আইনজীবীরা। এক মাস আগে গত ১৪ ডিসেম্বর একই আদালত প্রাঙ্গণে মবের কবলে পড়েছিলেন পুলিশের সাবেক এক কর্মকর্তা। তখনও কয়েকজন আইনজীবী তাঁকে রক্ষা করেছিলেন। প্রত্যক্ষদর্শী একাধিক আইনজীবী ও সংবাদকর্মী জানান, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের একটি মামলায় গতকাল আদালতে হাজিরা দিতে আসেন সজীব মিয়া নামের এক যুবক। মামলাটি করেন তাঁর সাবেক স্ত্রী সানু আক্তার শান্তা। তখন মহানগর ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান ফারহান ও তাঁর কয়েকজন অনুসারী আদালত প্রাঙ্গণে সজীব মিয়াকে ঘিরে ধরেন। তাঁকে ছাত্রলীগ নেতা উল্লেখ করে তাঁর শার্টের কলার চেপে হামলার চেষ্টা করেন তারা। পরে আইনজীবীরা তাদের বাধা দিলে তাদের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি হয়। এ সময় সেখানে উপস্থিত হন জেলা আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত কৌঁসুলি (এপিপি) রাজীব মণ্ডল। তিনি ওই মামলার বিবাদী সজীব মিয়ার আইনজীবী। এ সময় তিনিসহ আইনজীবীদের সঙ্গে ওই ছাত্রদল নেতা ও তাঁর অনুসারীরা তর্কে জড়ান। এক পর্যায়ে ওই নেতাকে আদালত প্রাঙ্গণ থেকে বের করে দেওয়া হয়। এ সময় তাঁর সহযোগীরাও সটকে পড়েন। জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সদস্য অ্যাডভোকেট রাজীব মণ্ডল জেলা আইনজীবী সমিতির সমাজসেবা সম্পাদক। ঘটনার বিষয়ে তিনি বলেন, সজীব মিয়ার বাড়ি ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা উপজেলায়। সাবেক স্ত্রী সানু আক্তার শান্তা তাঁর বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা করেছেন। ওই মামলায় জামিনে থাকা সজীব মিয়া আজ (গতকাল) আদালতে হাজিরা দিতে এসেছিলেন। তাঁকে রক্ষার বিষয়ে রাজীব মণ্ডল বলেন, বিষয়টি তো ছাত্রলীগ ইস্যু নয়। তাঁর বিরুদ্ধে ওই সংক্রান্ত কোনো মামলাও এখানে চলমান নেই; ছাত্রলীগের কাউকে তো আর আমি ছাড়াতে যাব না। তিনি (সজীব) একজন বিচারপ্রার্থী, তাঁকে কোর্ট প্রাঙ্গণ থেকে তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছিল। বিষয়টি আইনসংগত নয়; তাই আমরা বাধা দিয়েছি। পরে ওই ছাত্রদল নেতা তাঁর ভুল বুঝতে পেরে দুঃখ প্রকাশ করেছেন। এই আইনজীবী আরও বলেন, সজীব মিয়ার সাবেক স্ত্রী এই ছাত্রদল নেতাকে দিয়ে এ ঘটনা ঘটিয়েছে বলে জানতে পেরেছি। তিনি আরও বলেন, কোনো মব সৃষ্টির মাধ্যমে পরিস্থিতি যাতে খারাপ দিকে না যায়, সে জন্য আমরা আইনজীবীরা বিষয়টি সমাধান করতে উভয় পক্ষকে বার ভবনে নিয়ে যাই। সেখানে বিষয়টি মীমাংসা হয়। এসব বিষয়ে জানতে সজীব মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। যদিও সজীব মিয়ার সাবেক স্ত্রী শান্তা ও ছাত্রদল নেতা ফারহানের দাবি, সজীব মুক্তাগাছা উপজেলার কুমারগাঁথা ইউনিয়নের ছাত্রলীগ কর্মী। সজীব মিয়া হেনস্তার শিকার হয়েছেন তা জানতেন না দাবি করে তাঁর সাবেক স্ত্রী শান্তা বলেন, দুপুর ১টার দিকে যখন আমরা আদালতে উঠি তখন আসামি পক্ষের আইনজীবী বিষয়টি আদালতকে বলেন। তখন আমরা জানতে পারি। ছাত্রদল নেতা মেহেদী হাসান ফারহান বলেন, সজীব ছাত্রলীগে সক্রিয়। এখনও তাঁর সংগঠনের মিছিলে সক্রিয়তা আছে। তাঁর ফেসবুক ঘেঁটে আমরা এগুলো পেয়েছি।তাঁর বিরুদ্ধে ছাত্রলীগ-সংক্রান্ত কোনো মামলা আছে কিনা জানতে চাইলে মেহেদী হাসান ফারহান বলেন, তাঁকে ধরে পুলিশে দিতে চেয়েছিলাম, কিন্তু আইনজীবীরা আমাদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করেছেন। এ প্রসঙ্গে নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোটের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট জিয়াউল ইসলাম কাজল বলেন, কেউ ছাত্রলীগ করলেই তাঁর ওপরে হামলা করতে হবে? এটা তো কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তাঁর বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ থাকলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে। বরং যারা আদালত প্রাঙ্গণে এরকম ঘটনার চেষ্টা করেছে, তাদের ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। অ্যাডভোকেট রাজীব মণ্ডলসহ যারা এই মব ঠেকিয়ে দিয়েছেন তারা অত্যন্ত প্রশংসার কাজ করেছেন। আদালত পুলিশের পরিদর্শক আব্দুস সামাদ বলেন, আমরা এ রকম একটি ঘটনার কথা পরে শুনেছি। কিন্তু তখন ঘটনাস্থলে গিয়ে দুই পক্ষের কাউকে পাইনি। পরে এ বিষয়ে কেউ অভিযোগও করেননি। ফতুল্ল থানার ওসি আব্দুল মান্নান জনান, এ ব্যাপারে কেউ কোনো অভিযোগ নিয়ে আসেনি। অভিযোগ করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এর আগে গত ১৪ ডিসেম্বর দুপুরে নারায়ণগঞ্জ জেলা আদালত প্রাঙ্গণে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে জামায়াতে ইসলামীর সমর্থক আইনজীবীদের তোপের মুখে পড়েছিলেন পুলিশের সাবেক এক কর্মকর্তা। পরে পরিস্থিতি সামাল দেন বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা। - বিষয় : - নারায়ণগঞ্জ - ছাত্রদল - আইনজীবী - আদালত
নারায়ণগঞ্জ বার ভবনে আইনজীবীদের দুপক্ষের হট্টগোল-ধাক্কাধাক্কি
নারায়ণগঞ্জ বার ভবনে আইনজীবীদের দুপক্ষের হট্টগোল-ধাক্কাধাক্কি. নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির বার ভবনে আইনজীবীদের দুইপক্ষের মধ্যে চরম উত্তেজনা, হট্টগোল ও ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটেছে।
