‘১২ দিন পার হলেও স্বামীর খুনিরা ধরা পড়েনি কেন’
Why this classification
The article reports a specific murder linked to theft, with no involvement of political parties or election issues, therefore it is classified as criminal violence rather than political violence.
Killed
1
Injured
0
Summary
শেরপুরে অটোরিকশা চালক কাজল মিয়ার হত্যার পর তার সহকর্মীরা রঘুনাথ বাজার থানা মোড়ে প্রতিবাদ ও মানববন্ধন করেন। কাজলকে শাপমারি এলাকায় চোরাচালান করে হত্যা করে ধানক্ষেতের কাদায় পুঁতে রাখা হয়।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
94% · severity 8
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 03/07/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
‘১২ দিন পার হলেও স্বামীর খুনিরা ধরা পড়েনি কেন’
‘১২ দিন পার হলেও স্বামীর খুনিরা ধরা পড়েনি কেন’ হত্যার বিচার চেয়ে শেরপুর শহরের রঘুনাথ বাজার থানা মোড়ে বুধবার বিক্ষোভ সমাবেশ সমকাল শেরপুর প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৬ জুলাই ২০২৬ | ০৮:২৮ | আপডেট: ১৬ জুলাই ২০২৬ | ০৮:৩৩ | প্রিন্ট সংস্করণ শেরপুরে অটোরিকশাচালক কাজল হত্যায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবি জানিয়েছেন অটোরিকশাচালকরা। গতকাল বুধবার দুপুরে সহকর্মীর নৃশংস হত্যার বিচার চেয়ে শহরের রঘুনাথ বাজার থানা মোড়ে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধন করেন তারা। এ সময় বক্তব্য দিতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন কাজলের স্ত্রী খৈমালা। তিনি বলেন, ‘আমার স্বামীরে যারা মারছে, কোনো শত্রুও এইভাবে কাউরে মারে না। গলায় গামছা পেঁচায়া মাইরা, ধানক্ষেতে পুঁইতা রাখছে। একজন সহজ-সরল মানুষরে এইভাবে মাইরা ফেলাবো কুনদিন কল্পনাও করি নাই।’ তিনি জানান, যারা তাঁর স্বামীকে হত্যা করে অটোরিকশা ছিনতাই করেছে তারা পরিচিত ব্যক্তি। বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় কাজল তাঁকে বলেছিলেন, ‘আমি সবাইরে চিনি, তুমি চিনবা না। একটু দূরে যামু। তিন হাজার টাকা ভাড়া দিব।’ পুলিশ প্রশাসনের কাছে খৈমালার প্রশ্ন, ১২ দিন পার হলেও তাঁর স্বামীর খুনিরা ধরা পড়েনি কেন? অটোরিকশার কোনো খোঁজ নেই। তিন সন্তান নিয়ে না খেয়ে আছেন। কেউ কোনো খোঁজ রাখে না। গত ৩ জুলাই দুপুরে শেরপুর সদর উপজেলার ভাতশালা ইউনিয়নের শাপমারি জোড়াপাম্প এলাকার ধানক্ষেতে পুঁতে রাখা অবস্থায় অটোরিকশাচালক কাজল মিয়ার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। তিনি চরশেরপুর ইউনিয়নের রামকৃষ্ণপুর উত্তরপাড়ার মৃত কফিল উদ্দিনের ছেলে। পরিবারের সদস্যরা জানান, ছিনতাইকারী চক্রের সদস্যরা তিন হাজার টাকা ভাড়ায় গত ২ জুলাই রাতে তাঁকে শাপমারি এলাকায় নিয়ে যায়। পরে শ্বাসরোধে হত্যা করে লাশ ধানক্ষেতের কাদায় পুঁতে রেখে অটোরিকশা নিয়ে চলে যায়। সদর থানার ওসি সোহেল রানার ভাষ্য, হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের ধরতে আন্তরিকভাবে চেষ্টা করছে পুলিশ। কাজলের পরিবারের সদস্যদের প্রতি সহানুভূতি ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ‘একটু অপেক্ষা করেন, দ্রুতই খুনিরা ধরা পড়বে।’
