তিতাসে দুই লাখ টাকায় মুক্ত যুবলীগ নেতা
Why this classification
A Jubo League leader in Daudkandi was seized by 8-10 unidentified men on 2 June 2026, beaten, robbed of about 11,500 taka, and held for a 10 lakh taka ransom until his wife paid 2 lakh taka. This is a concrete, recent physical attack and kidnapping, so it qualifies as violence.
Killed
0
Injured
0
Summary
২ জুন ২০২৬ দাউদকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে থেকে মজিদপুর ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি রুহুল আমিনকে ৮-১০ জন অজ্ঞাত ব্যক্তি মারধর করে অপহরণ করে এবং তার নগদ ও বিকাশের টাকা নিয়ে যায়। পরে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হলে তার স্ত্রী দুই লাখ টাকা দিয়ে তাকে ছাড়িয়ে আনেন।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
85% · severity 6
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Awami League
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 02/06/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
তিতাসে দুই লাখ টাকায় মুক্ত যুবলীগ নেতা
অপহরণের ভিডিও ভাইরাল তিতাসে দুই লাখ টাকায় মুক্ত যুবলীগ নেতা Advertisement কুমিল্লা উত্তর প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ তিতাসের মজিদপুর ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি মো. রহুল আমিনকে দিনদুপুরে অপহরণের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। ১১ সেকেন্ডের ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, যুবলীগ নেতা রুহুল আমিনকে ৪-৫ যুবক টি-শার্টের কলার এবং প্যান্ট ধরে টানাহেঁচড়া করে নিয়ে যাচ্ছে। এ সময় একজনকে বলতে শোনা যায়, ‘আপনি আমার সঙ্গে আইয়েন কেউ মারতো না।’ রুহুল আমিন বলেন, ‘২ জুন বেলা ১টার দিকে আমি দাউদকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স গৌরীপুরে যাই। কাজ শেষ করে ঘণ্টাখানেক পর বের হয়ে হাসপাতালের গেটে সরকার ফার্মেসির সামনে পৌঁছলে দাউদকান্দি উত্তর ইউনিয়নের ভাজরা গ্রামের বন্দর আলীর ছেলে কালু মিয়াসহ অজ্ঞাত ৮-১০ জন আমাকে আটকে কেউ টি-শার্টের কলার ধরে, কেউ প্যান্ট ধরে টানাহেঁচড়া করে মারতে মারতে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। সেখানে নিয়ে আমার সঙ্গে থাকা নগদ আট হাজার ৫০০ টাকা এবং বিকাশে থাকা তিন হাজার টাকাসহ মোট ১১ হাজার ৫০০ টাকা নিয়ে যায়। পরে আমার ব্যবহৃত ফোন দিয়ে স্ত্রী হাসি আক্তারকে কল করে বলে, ১০ লাখ টাকা দিলে আমাকে ছেড়ে দেবে। পরে স্ত্রী দুই লাখ টাকা জোগাড় করে দক্ষিণ পেন্নাই মোল্লা বাড়ি সংলগ্ন খামার জঙ্গল বাড়িতে গিয়ে তাদের দিয়ে আমাকে ছাড়িয়ে আনেন।’
