কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় শিশুকে হত্যা করে লিমন
Why this classification
This is a single, concrete incident in which a nine-year-old... (see note)
Killed
1
Injured
0
Summary
গাইবান্ধা সদর উপজেলার বল্লমঝাড় এলাকায় কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ৪র্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী শিশু কুলসুমকে শ্বাসরোধে হত্যা করে ওড়না দিয়ে ঝুলিয়ে রাখার অভিযোগ উঠেছে। ১৩ মে সন্ধ্যায় র্যাব-১৩ ও সিপিসি-৩ এর একটি দল প্রধান আসামি ইব্রাহিম হাসান লিমন শেখকে গ্রেফতার করেছে।
AI analysis
Category
Gender-Based Violence
Confidence
95% · severity 9
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 13/05/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
সাংবাদিকের ওপর হামলা, প্রধান অভিযুক্ত গ্রেপ্তার
সাংবাদিকের ওপর হামলা, প্রধান অভিযুক্ত গ্রেপ্তার গাইবান্ধা প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৩ অক্টোবর ২০২৬ | ২০:০৪ গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলায় বিদ্যুৎ-সংক্রান্ত সংবাদ সংগ্রহ শেষে ফেরার পথে সাংবাদিক মাসুম লুমেনের ওপর অতর্কিতে হামলার অভিযোগ উঠেছে। গত সোমবার গভীর রাতের এ ঘটনার পর ভোরেই অভিযান চালিয়ে মূল অভিযুক্ত অলিভকে গ্রেপ্তার করেছে সদর থানা পুলিশ। জানা যায়, সোমবার রাত ১০টার পর বিদ্যুৎ-সংক্রান্ত সংবাদের তথ্য ও বক্তব্য সংগ্রহের জন্য বাণিজ্য মেলায় যান সাংবাদিক মাসুম লুমেন ও তাজরুল ইসলাম। পেশাগত কাজ শেষে মেলার প্রধান ফটক দিয়ে বের হওয়ার সময় তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। ভুক্তভোগী সাংবাদিক মাসুম লুমেন অভিযোগ করে বলেন, ‘মেলা কর্তৃপক্ষের নির্দেশে অলিভ ও তাঁর সঙ্গীরা আমার ওপর অতর্কিতে হামলা চালায়। স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশ বাধাগ্রস্ত করতে এ হামলা চালানো হয়েছে। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।’ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে গাইবান্ধা প্রেস ক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাভেদ হোসেন, সাংবাদিক শাহাবুদ্দিন তোতা ও বিপ্লব ইসলাম বলেন, পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিকদের ওপর হামলা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। সংক্ষুব্ধ হওয়ার আইনি পথ থাকলেও হামলা চালিয়ে কণ্ঠরোধের চেষ্টা মেনে নেওয়া যায় না। তারা অবিলম্বে জড়িতদের কঠোর বিচার ও সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান। গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হুদা জানান, সংবাদ পাওয়ার পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে গাইবান্ধা শহরের বিহারিপট্টি এলাকার নিজ বাসা থেকে অভিযুক্ত অলিভকে গ্রেপ্তার করেছে। এ ঘটনায় মামলা ও পরবর্তী আইনি কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।
কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় শিশুকে হত্যা করে লিমন
কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় শিশুকে হত্যা করে লিমন Advertisement গাইবান্ধা প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৪ মে ২০২৬, ০৬:৪৭ পিএম গাইবান্ধা সদর থানা গাইবান্ধা সদর উপজেলার বল্লমঝাড় এলাকায় শিশু কুলসুম হত্যা মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১৩। কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় শিশুকে হত্যা করে লাশ ঝুলিয়ে রাখে বলে জানিয়েছেন মামলার প্রধান আসামি মো. ইব্রাহিম হাসান লিমন শেখ। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) র্যাব-১৩ এর পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, নিহত কুলসুম গাইবান্ধা সদর উপজেলার বল্লমঝাড় এলাকার সর্দারপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। তার মা মোছা. রেজিনা বেগম অন্যের বাড়িতে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। অভিযোগ রয়েছে, গ্রেফতার হওয়া আসামি মো. ইব্রাহিম হাসান লিমন শেখ দীর্ঘদিন থেকেই শিশু কুলসুমকে বিভিন্নভাবে উত্ত্যক্ত ও কুপ্রস্তাব দিতেন। এ নিয়ে ঘটনার কয়েক দিন আগে তাদের মধ্যে বাগবিতণ্ডাও হয়েছিল। সুযোগ বুঝে বখাটে লিমন শিশু কুলসুমকে ডেকে তার ঘরে নিয়ে যায়। তারপর ধর্ষণচেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। তারপর তার গলায় ওড়না প্যাঁচিয়ে লাশ ঝুলিয়ে রাখে ঘরের ধরনার সঙ্গে। স্থানীয় এক প্রতিবেশী কুলসুমকে ডাকতে গিয়ে ঘরের ভেতরে বাঁশের ধরনার সঙ্গে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় ঝুলে থাকতে দেখেন। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে নামিয়ে থানায় খবর দেওয়া হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়। প্রথমে এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হলেও ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে কুলসুমকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। একই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডকে আত্মহত্যা হিসেবে দেখাতে লাশ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিল বলেও তদন্তে উঠে আসে। এরপর নিহতের মা রেজিনা বেগম বাদী হয়ে চলতি বছরের ১৩ মে রাতে গাইবান্ধা সদর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার পরপরই র্যাব-১৩ এর সদস্যরা হত্যাকারীকে গ্রেফতারে অভিযান চালায়। র্যাব-১৩ জানায়, মামলার গুরুত্ব বিবেচনায় গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়। সুনির্দিষ্ট তথ্য ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১৩, সিপিসি-৩, গাইবান্ধার একটি আভিযানিক দল ১৩ মে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে গাইবান্ধা সদর উপজেলার খামার গ্রামের বাড়ি থেকে মামলার প্রধান আসামি মো. ইব্রাহিম হাসান লিমন শেখকে (২১) গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের পর বখাটে লিমন জানান, কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে এ পথ বেছে নেন তিনি।
