টিকটক ভিডিও বানাতে বিদ্যালয়ে ভাঙচুর
Why this classification
Several students deliberately damaged classroom furniture and a ceiling fan at a school on Thursday 16 April 2026, and the damage was recorded on video. Vandalism is a destructive act that falls within the tracker's scope, and the incident is recent and took place in Bangladesh.
Killed
0
Injured
0
Summary
বরিশালের আগৈলঝাড়ার বাগধা (দাসপাড়া) মডেল উচ্চবিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠানের পর কয়েকজন শিক্ষার্থী তৃতীয় তলার একটি শ্রেণিকক্ষে ভাঙচুর চালায়, যেখানে ফ্যানের পাখা বাঁকানো ও বেঞ্চ ভাঙা হয়। টিকটক ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ পাঁচজন শিক্ষার্থীকে শনাক্ত করে এবং ক্ষতিপূরণ ও মুচলেকা নেওয়া হয়।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
90% · severity 3
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 16/04/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
টিকটক ভিডিও বানাতে বিদ্যালয়ে ভাঙচুর
টিকটক ভিডিও বানাতে বিদ্যালয়ে ভাঙচুর আগৈলঝাড়ায় এসএসসির বিদায়ী শিক্ষার্থীদের কাণ্ড Advertisement আগৈলঝাড়া (বরিশাল) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২০ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার বাগধা (দাসপাড়া) মডেল উচ্চবিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠানের পর টিকটক ভিডিও করতে গিয়ে শ্রেণিকক্ষে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দার সৃষ্টি হয়। জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকালে বিদ্যালয়ের ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠান শেষে কয়েকজন বিদায়ী শিক্ষার্থী চুপিসারে বিদ্যালয়ের তৃতীয় তলার একটি শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করে আসবাবপত্রে ভাঙচুর চালায়। এ সময় তারা বৈদ্যুতিক ফ্যানের পাখা ধরে ঝুলে তা বাঁকা করে, বেঞ্চ ফেলে দেয় এবং ফ্লাইং কিক দিয়ে আসবাবপত্র ক্ষতিগ্রস্ত করে। অন্য সহপাঠীরা এসব দৃশ্য মোবাইলে ধারণ করে টিকটক ভিডিও তৈরি করে অনলাইনে আপলোড করে। অল্প সময়ের মধ্যেই ভিডিওটি ভাইরাল হয়ে পড়ে এবং বিষয়টি এলাকাবাসীর নজরে আসে। পরে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ভিডিও দেখে পাঁচজন শিক্ষার্থীকে শনাক্ত করে। তারা হলো-নুর মোহাম্মদ, আসিফ বক্তিয়ার, সিয়াম সরদার, আকাশ মিয়া ও সহিবুল হক সম্রাট। তাদের বিরুদ্ধে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। একজন অভিযুক্ত শিক্ষার্থী সহিবুল হক সম্রাট বলেন, ‘টিকটকের জন্য ভিডিও করেছিলাম। তখন বুঝতে পারিনি কাজটি ভুল হয়েছে, এখন বুঝতে পারছি।’ স্থানীয় বাসিন্দা ও সাবেক শিক্ষার্থী রাব্বি হাওলাদার বলেন, বিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়েছে, দায়ীদের বিচার হওয়া উচিত। একইভাবে শিক্ষক ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরাও ঘটনাটিকে দুঃখজনক ও নিন্দনীয় বলে মন্তব্য করেছেন। শিক্ষক মো. কাওসার মেহেদী ও দিপংকর হাওলাদার বলেন, আমাদের শিক্ষক জীবনে এ রকম ঘটনা কখনও ঘটেনি। আমরা মর্মাহত ও ব্যথিত। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিয়াজ মোশেদ বলেন, বিদায় অনুষ্ঠানে আমি উপজেলা সদরে ছিলাম। পরে বিষয়টি জানতে পেরেছি। ভিডিও দেখে পাঁচজন শিক্ষার্থীকে শনাক্ত করা হয়েছে। অভিভাবকদের ডেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ বিষয়ে এডহক কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লিখন বনিক জানান, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ডেকে বিষয়টি সমাধান করা হয়েছে। বিদ্যালয়ের ক্ষতিগ্রস্ত আসবাবপত্রের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার পাশাপাশি ভবিষ্যতে এমন ঘটনা না ঘটানোর মুচলেকা নেওয়া হয়েছে।
