চাঁদা না পেয়ে মুক্তিযোদ্ধার বসতঘর ভাঙচুর-লুটপাটের অভিযোগ যুবদল নেতার বিরুদ্ধে

AI-classifiedconfidence 85%

Why this classification

A group led by a Jubo Dal organisational secretary demolished a war-wounded freedom fighter's house and looted its furniture on 15 March 2026 after the family refused to pay Tk 5 lakh in extortion. The accused denies being at the scene, and police say no written complaint has been filed yet, but the report describes a concrete destructive attack with a video of the demolition.

Reported by:JugantorSingle source
15/03/26•ইসলামপুর গ্রাম, রানীগঞ্জ ইউনিয়ন, জগন্নাথপুর

Killed

0

Injured

0

Summary

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে ১৫ মার্চ ২০২৬ (রোববার) দুপুরে রানীগঞ্জ ইউনিয়নের ইসলামপুর গ্রামে ৫ লাখ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক নিজাম উদ্দিনের নেতৃত্বে যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধার বসতঘর ভেঙে আসবাবপত্র লুট করা হয়। অভিযুক্ত নিজাম উদ্দিন ঘটনাস্থলে থাকার কথা অস্বীকার করেছেন এবং পরিবার থানায় লিখিত অভিযোগ না দেওয়ায় পুলিশ এখনো আইনি ব্যবস্থা নেয়নি।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

85% · severity 4

Perpetrator side

BNP

Victim side

Locals

Other actors

নিজাম উদ্দিন (রানীগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক)সিহাব মিয়ার লোকজনমজনু মিয়ার লোকজনআব্দুল গফফার (যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধার বড় ছেলে, ভুক্তভোগী)মৃত আব্দুল্লাহ খান (যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা)এসআই হাদী আব্দুল্লাহ (জগন্নাথপুর থানা)ওসি মো. শফিকুল ইসলাম (জগন্নাথপুর থানা)সার্কেল এসপি মো. রফিকুল ইসলাম

Affected infrastructure

বসতঘরআসবাবপত্র

Tags

Land DisputeExtortion

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: BNP

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 15/03/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Jugantor · 16/03/26open original ↗

চাঁদা না পেয়ে মুক্তিযোদ্ধার বসতঘর ভাঙচুর-লুটপাটের অভিযোগ যুবদল নেতার বিরুদ্ধে

চাঁদা না পেয়ে মুক্তিযোদ্ধার বসতঘর ভাঙচুর-লুটপাটের অভিযোগ যুবদল নেতার বিরুদ্ধে Advertisement সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৬ মার্চ ২০২৬, ০৮:৩৯ পিএম মুক্তিযোদ্ধার বসতঘর ভাঙচুর-লুটপাটের অভিযোগ জগন্নাথপুরে চাঁদা না পেয়ে যুবদল নেতার নেতৃত্বে যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধার বসতঘর ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে ঘরের আসবাবপত্র লুটপাট করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ভাঙচুরের সময় ধারণকৃত ভিডিওতে অভিযুক্ত ওই যুবদল নেতাকে দেখা গেলেও তিনি ঘটনাস্থলে ছিলেন না বলে দাবি করছেন। রোববার দুপুরে উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়নের ইসলামপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকে ভুক্তভোগী পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে বলে দাবি করেছে। অভিযুক্তরা হলেন- রানীগঞ্জ ইউনিয়নের যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক নিজাম উদ্দিন, সিহাব মিয়া ও মজনু মিয়ার লোকজন। ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা মৃত আব্দুল্লাহ খান দেশ স্বাধীনের পর থেকে ইসলামপুর গ্রামের সরকারি জায়গায় পরিবার পরিজন নিয়ে বসবাস শুরু করেন। পরবর্তীতে সরকারের পক্ষ থেকে ওই জায়গায় যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা মৃত আব্দুল্লাহ খানের নামে ৯৯ বছরের জন্য বন্দোবস্ত দেওয়া হয়। এদিকে গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে রানীগঞ্জ ইউনিয়নের যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক নিজাম উদ্দিন ওই জায়গা জোরপূর্বক দখলের পাঁয়তারা শুরু করেন। একপর্যায়ে যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা মৃত আব্দুল্লাহ খানের বড় ছেলে আব্দুল গফফারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। সেই সময় পরিবারটি চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে অভিযুক্তরা প্রাণনাশের হুমকি দেয়। সেই সূত্র ধরে রোববার দুপুরে রানীগঞ্জ ইউনিয়নের যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক নিজাম উদ্দিনের নেতৃত্বে যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধার বসতঘরে হামলা চালিয়ে ঘরটি ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় এবং আসবাবপত্র লুট করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ভুক্তভোগী যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধার বড় ছেলে আব্দুল গফফার বলেন, দীর্ঘদিন ধরে নিজাম উদ্দিন ও সিহাব মিয়া আমার পিতার এ জায়গা দখলের পাঁয়তারা করে আসছে। এ নিয়ে থানায় আমি তাদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগও করি। এতে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা না দেওয়ায় ঘরটি ভেঙে গুঁড়িয়ে দিয়েছে ও আসবাবপত্র সব লুট করে নিয়ে গেছে। এতে আমাদের প্রায় ২০ লাখ টাকা ক্ষয় ক্ষতি হয়েছে। ভাঙচুরের ভিডিও রয়েছে। তবে বিষয়টি অস্বীকার করে অভিযুক্ত রানীগঞ্জ ইউনিয়নের যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক নিজাম উদ্দিন মোবাইল ফোনে বলেন, এ বিষয়ে আমি কিছু জানি না। আমি ঘটনাস্থলে যাইনি। ঘটনাস্থল পরিদর্শনকারী জগন্নাথপুর থানার এসআই হাদী আব্দুল্লাহ বলেন, ভাঙচুরের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যাই। গিয়ে দেখি মুক্তিযোদ্ধার ছেলের সরকারি জায়গায় লিজকৃত ঘরটি ভেঙে দেওয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে জগন্নাথপুর থানার ওসি মো. শফিকুল ইসলাম সোমবার যুগান্তরকে বলেন, সার্কেল এসপি মো. রফিকুল ইসলাম সোমবার দুপুরে তাকে নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তিনি বলেন, আমরা ভিকটিম পরিবার থেকে লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে এ ব্যাপারে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।