বৃষ্টির সুযোগে দিনে-দুপুরে ডাকাতি, ২০ ভরি স্বর্ণালংকার লুট
Why this classification
This incident is a robbery and theft with no evidence of political motivation or party involvement.
Killed
0
Injured
1
Summary
যশোরের কেশবপুরের অফিসপাড়া এলাকায় সোমবার দুপুরে এক বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। ডাকাতরা ২০ ভরি স্বর্ণ ও নগদ টাকা লুট করার পাশাপাশি এক নারীকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
95% · severity 4
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 13/07/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
বৃষ্টির সুযোগে দিনে-দুপুরে ডাকাতি, ২০ ভরি স্বর্ণালংকার লুট
যশোরের কেশবপুরে এক বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ডাকাতদল ওই বাড়ির আবুল কালামের ছেলে ঠিকাদার মোখলেছুর রহমান মুকুলের ঘর থেকে ২০ ভরি স্বর্ণ ও নগদ লক্ষাধিক টাকাসহ মূল্যবান মালামাল এবং কাগজপত্র লুট করে নিয়ে যায়। সোমবার (১৩ জুলাই) দুপুরে শহরের অফিসপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ক্ষতিগ্রস্ত আবুল কালাম বলেন, উপজেলা অফিসপাড়া এলাকায় ৪ তলা ভবনের তৃতীয় তলায় আমি স্ত্রী নিয়ে বসবাস করি। আমার বড় ছেলে মোখলেছুর রহমান মুকুল চতুর্থ তলায় থাকে। বৃহস্পতিবার আমার বড় ছেলে পরিবার নিয়ে বিদেশে ঘুরতে গিয়েছে। সোমবার দুপুরে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছিল। বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে কয়েকজন ডাকাত দল সরাসরি চতুর্থ তলার ঘরের তালা ও আলমারি ভেঙে সকল জিনিসপত্র ও স্বর্ণ টাকাসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে চলে যায়। যাওয়ার সময় আমার স্ত্রীকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়। বর্তমানে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। স্থানীয়রা শঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, এভাবে কোনো বাড়িতে দিনে-দুপুরে চুরি বা ডাকাতি হওয়ার বিষয়টি উদ্বেগজনক। আইন-শৃঙ্খলার এমন অবনতি ঘটলে মানুষ কীভাবে নিরাপদে থাকবে? এ ঘটনা যারা ঘটিয়েছে- তাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি তাদের। কেশবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রোকসানা খাতুন বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। ওই এলাকার সকল সিসি টিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেয়েছি। আশা করছি, ঘটনার সাথে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় নিয়ে আসতে পারব। রেজওয়ান বাপ্পী/এসএইচএ
