বিয়ের আসরেই স্বামীকে তালাক দিয়ে প্রেমিককে বিয়ে করলেন তরুণী
Why this classification
This is a real, recent physical attack: after a groom's family and guests confronted the bride's former lover at her wedding, the bride's family beat him until he lost consciousness and he had to be taken to a health complex. No deaths were reported, and the event happened on 17 April 2026, within the 14-day window.
Killed
0
Injured
1
Summary
কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (শুক্রবার) রাতে বিয়ের আসরে কলেজছাত্রী বন্যা আক্তার প্রেমিক মাসুদের আগমনের পর প্রবাসী বর হৃদয়কে তালাক দিয়ে মাসুদকে বিয়ে করেন। এ সময় কনের বাড়ির লোকজন মাসুদকে ধরে মারধর করলে তিনি জ্ঞান হারান এবং পরে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
85% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 17/04/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
বিয়ের আসরেই স্বামীকে তালাক দিয়ে প্রেমিককে বিয়ে করলেন তরুণী
বিয়ের আসরেই স্বামীকে তালাক দিয়ে প্রেমিককে বিয়ে করলেন তরুণী Advertisement কটিয়াদী (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:১৭ পিএম প্রতীকী ছবি পারিবারিক আয়োজনে প্রবাস থেকে আসা যুবককে বিয়ে করেন কলেজছাত্রী। সেই বিয়ের আসরেই বরকে তালাক দিয়ে প্রেমিককে বিয়ে করেন তরুণী। কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীর ঘটনা এটি। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) রাতে উপজেলার আচমিতা ইউনিয়নের গনেরগাঁও গ্রামে এই বিয়ের আয়োজন হয়। কলেজছাত্রীর নাম বন্যা। প্রবাস ফেরত যুবক হৃদয়। আর বন্যার প্রেমিকের নাম মাসুদ। আচমিতা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. আব্দুল হান্নান জানান, শুক্রবার রাতে গনেরগাঁও গ্রামের চুনতিপাড়া মহল্লার মো. মেনু মিয়ার মেয়ে বন্যা আক্তারের সঙ্গে পার্শ্ববর্তী পাকুন্দিয়া উপজেলার পাটুয়াভাঙ্গা ইউনিয়নের কলাদিয়া গ্রামের মো. আব্দুর রশিদের ছেলে সৌদি আরব থেকে ছুটিতে আসা মো. হৃদয় মিয়ার আনুষ্ঠানিক বিয়ের রাত ধার্য করা ছিল। সেই মোতাবেক রাত ১১টার দিকে শতাধিক মেহমান নিয়ে বর কনের বাড়িতে আসেন। ৬ লাখ টাকা দেনমোহরে লিখিত কাবিননামা করে বিয়ের কাজ শেষ হয়। তিনি বলেন, বরযাত্রীদের খাওয়ানোর সময় মাসুদ নামে এক যুবক মোটরসাইকেলে এসে জানান বন্যার সঙ্গে তার দীর্ঘ দুই বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক। এ সময় তার মোবাইলে থাকা তাদের বিভিন্ন ছবি প্রদর্শন করেন। এ সময় কনের বাড়ির লোকজন মাসুদকে চলে যেতে বললে তাতে রাজি না হওয়ায় তাকে ধরে মারধর করা হয়। মো. আব্দুল হান্নান আরও বলেন, সংবাদ পেয়ে আমি বিয়েবাড়ি থেকে ছেলেটিকে আচমিতা বাজার বিএনপি অফিসে নিয়ে আসি। বাজারে আসার পর মাসুদ জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। ছেলেটি জ্ঞান হারিয়ে ফেলার বিষয়টি কনের বাবা মেনু মিয়াকে জানালে তারা এসে অসুস্থ মাসুদকে কটিয়াদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। প্রাথমিক চিকিৎসার পর সুস্থ হলে পুনরায় আচমিতা বাজারে নিয়ে আসেন। এ সময় নববিবাহিতা কনে বন্যা আক্তার প্রেমিক মাসুদের সঙ্গেই ঘর-সংসার করতে চায়। এমতাবস্থায় বিয়ে করা প্রবাসী বর হৃদয় ও তার পরিবারের লোকজনের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে বন্যা আক্তারকে তাৎক্ষণিক ডিভোর্স দিয়ে স্বর্ণালংকার ও বিয়ের জন্য আনা যাবতীয় জিনিসপত্র নিয়ে চলে যান। এ ঘটনার পর রাত সাড়ে ৩টায় হোসেনপুর উপজেলার পানান গ্রামের মো. আব্দুর রেজ্জাকের ছেলে মাসুদ মিয়ার (২৪) সঙ্গে বন্যার ৪ লাখ টাকা দেনমোহরে পুনরায় বিয়ে পড়ানো হয়। বিয়ের পর শনিবার সকালে মাসুদ মিয়া তার প্রেমিকা স্ত্রীকে নিয়ে খুশি মনে তার বাড়ি হোসেনপুর চলে যান। প্রথম বিয়ের পর স্বামীকে ডিভোর্স দিয়ে প্রেমিককে বিয়ে করা বন্যা আক্তার জানান, মাসুদের সঙ্গে আমার দীর্ঘ দিন ধরে সম্পর্ক চলে আসছিল। পরিবারের লোকজনের চাপে পড়ে আমি প্রবাসী হৃদয়কে বিয়ে করতে সম্মতি দিয়েছিলাম। সত্যিকারের ভালোবাসা কোনো দিন ব্যর্থ হয় না। আমার বিয়ে হয়ে যাওয়ার সংবাদ পেয়ে মাসুদ পাগলের মতো হয়ে আমাদের বাড়িতে বিয়ের আসরে এসে হাজির হয়। হৃদয় আমাকে ডিভোর্স দিলে পরক্ষণেই আমি মাসুদকে বিয়ে করেছি। মাসুদকে নিয়ে আমি সারাজীবন সুখে থাকতে চাই। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
