নাতির দায়ের কোপে দাদি নিহত, দাদা আশঙ্কাজনক
Why this classification
এটি একটি সাম্প্রতিক পারিবারিক বিরোধের ঘটনা, যেখানে অভিযুক্ত নাতি ধারালো দা দিয়ে দাদিকে হত্যা ও দাদাকে আহত করেছে; তাই সহিংস ঘটনা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
Killed
1
Injured
1
Summary
গাইবান্ধার সাঘাটায় পারিবারিক বিরোধের জেরে নাতি শাকিল ধারালো পাট কাটার দা দিয়ে দাদি ফেরোজা বেগমকে কুপিয়ে হত্যা করে এবং দাদা আব্দুল করিমকে আহত করে। ঘটনাটি ২০২৬-০৭-০১ তারিখে ঘটে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
95% · severity 8
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 01/07/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
নাতির দায়ের কোপে দাদি নিহত, দাদা আশঙ্কাজনক
নাতির দায়ের কোপে দাদি নিহত, দাদা আশঙ্কাজনক অভিযুক্ত শাকিল আহম্মেদ (২৩) গাইবান্ধা প্রতিনিধি প্রকাশ: ০১ জুলাই ২০২৬ | ১৮:২৯ গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার ঘুড়িদহ ইউনিয়নে পারিবারিক বিরোধের জেরে নাতির ধারালো পাট কাটার দায়ের কোপে দাদি ফেরোজা বেগম (৫৫) নিহত হয়েছেন। এ সময় স্ত্রীকে রক্ষা করতে গিয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন তার স্বামী আব্দুল করিম ভেটু (৭০)। বুধবার দুপুরে উপজেলার খামার পবনতাইড় গ্রামে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত ফেরোজা বেগম আব্দুল করিমের দ্বিতীয় স্ত্রী। এ ঘটনায় আব্দুল করিমকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় শজিমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত নাতি শাকিল আহম্মেদকে (২৩) আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে গ্রামবাসী। গ্রেপ্তার শাকিল আহম্মেদ একই গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে এবং আব্দুল করিমের নাতি। স্থানীয়রা জানায়, আজ দুপুরে বাড়ির পাশের একটি জমিতে পাট কাটার সময় পারিবারিক বিরোধের জেরে শাকিল আহম্মেদের সঙ্গে দাদি ফেরোজা বেগমের কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে শাকিল তার হাতে থাকা ধারালো পাট কাটার দা দিয়ে ফেরোজা বেগমকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেন। স্ত্রীকে রক্ষা করতে গেলে আব্দুল করিমকেও কুপিয়ে জখম করা হয়। স্থানীয়রা দুজনকে উদ্ধার করে প্রথমে সাঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। হাসপাতালে নেওয়ার পথেই ফেরোজা বেগমের মৃত্যু হয়। আহত আব্দুল করিম বর্তমানে সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে। ঘটনার পরপরই স্থানীয়রা অভিযুক্ত শাকিল আহম্মেদকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন। পরে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যায়। সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহাবুব আলম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে। নিহতের মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হবে। এ ঘটনায় এখনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পাওয়া মাত্রই প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। - বিষয় : - গাইবান্ধা - সাঘাটা - কুপিয়ে হত্যা
নাতির ছুরিকাঘাতে দাদি নিহত, দাদা আহত
নাতির ছুরিকাঘাতে দাদি নিহত, দাদা আহত Advertisement সাঘাটা ও গাইবান্ধা প্রতিনিধি প্রকাশ: ০১ জুলাই ২০২৬, ০৮:৫৬ পিএম ফাইল ছবি গাইবান্ধার সাঘাটায় শাকিল (১৯) নামে এক মাদকাসক্ত যুবকের ছুরিকাঘাতে দাদি ফেরেজা বেগম (৬৫) নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন দাদা করিম মিয়া (৭০)। বুধবার (১ জুলাই) দুপুরে উপজেলার ঘুড়িদহ ইউনিয়নের খামারপবন তাইড় গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত শাকিলকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। জানা গেছে, সাঘাটা উপজেলার পবনতাইড় গ্রামের মাদকাসক্ত শাকিল মিয়া বেশ কিছু দিন আগে বিয়ে করে সংসার শুরু করে। বিয়ের কিছুদিন পর তার স্ত্রী বুঝতে পারে যে তার স্বামী একজন মাদকাসক্ত। অনেক চেষ্টা করেও স্ত্রী রত্না বেগম স্বামীকে এই মাদক থেকে ফেরাতে পারেনি। সেই কারণে আজ সকালে স্ত্রীর রত্না বেগম তার বাবার বাড়িতে চলে যায়। পরে স্ত্রীকে শ্বশুরবাড়ি থেকে ফিরিয়ে আনার জন্য শাকিল তার দাদা-দাদিকে চাপ দেয়। তার কথায় রাজি না হলে কথা কাটাকাটির এক পযার্য়ে শাকিল ধারালো অস্ত্র দিয়ে দাদা ও দাদিকে আঘাত করে। এতে ঘটনাস্থলেই দুজন গুরুত্বর আহত হন। পরে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে গুরুতর আহত দাদি ফেরেজা বেগম ও দাদা করিম মিয়াকে উদ্ধার করে প্রথমে সাঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। পরে অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদেরকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। পথিমধ্যে জুমারবাড়ী ইউনিয়নের কায়দার গেট নামক স্থানে দাদি ফেরেজা বেগম মারা যান। এ ব্যাপারে সাঘাটা থানার ওসি মাহবুব আলম জানান, গ্রেফতার শাকিল মিয়া দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন। এ কারণে তার স্ত্রী বাপের বাড়িতে চলে গেলে তিনি ক্ষুদ্ধ হয়ে তার দাদা ও দাদির সঙ্গে ঝগড়া শুরু করেন। এক পর্যায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে শাকিল মিয়া বেপরোয়া কুপিয়ে দুজনকে হত্যার চেষ্টা করে। পরে আহতদের চিৎকারে লোকজন এগিয়ে এসে তাকে ধরে ফেলে। হাসপাতালে নেওয়ার পথে দাদির মৃত্যু হয় বলে আমরা খবর পেয়েছি। লোকজন তাকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে।
