লামায় সমকালের লোহাগাড়া প্রতিনিধির বাড়িতে ডাকাতি
Why this classification
প্রতিবেদনে ৮-১০ জনের সশস্ত্র ডাকাত দল সাংবাদিকের বাড়িতে হানা দিয়ে পরিবারকে জিম্মি করে অর্থ ও স্বর্ণালংকার লুট করার নির্দিষ্ট ঘটনা বর্ণনা করা হয়েছে, যা সাম্প্রতিক এবং বাংলাদেশে সংঘটিত। তাই এটি সহিংস ঘটনা হিসেবে গণ্য হয়েছে।
Killed
0
Injured
0
Summary
বান্দরবানের লামা উপজেলার আজিজনগর ইউনিয়নে ৮-১০ জনের ডাকাত দল সাংবাদিক কাইছার হামিদের বাড়িতে অস্ত্রের মুখে পরিবারকে জিম্মি করে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার ও মোবাইল ফোন লুটে নেয়। শনিবার ভোর ৪টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
95% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 06/06/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
লামায় সমকালের লোহাগাড়া প্রতিনিধির বাড়িতে ডাকাতি
লামায় সমকালের লোহাগাড়া প্রতিনিধির বাড়িতে ডাকাতি ডাকাতির পর সাংবাদিক কাইছার হামিদের বাড়ির একটি কক্ষের চিত্র। ছবি: সমকাল লামা (বান্দরবান) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬ | ১৯:৩০ | আপডেট: ০৬ জুন ২০২৬ | ১৯:৩০ বান্দরবানের লামা উপজেলার আজিজনগর ইউনিয়নে সাংবাদিক কাইছার হামিদের বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। শনিবার ভোর ৪টার দিকে ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের রোডপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ডাকাতেরা অস্ত্রের মুখে পরিবারের সদস্যদের জিম্মি করে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার ও মোবাইল ফোন লুট করে নিয়ে যায়। সাংবাদিক কাইছার হামিদ দৈনিক সমকালের লোহাগাড়া প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভোররাতে ৮ থেকে ১০ জনের একটি ডাকাত দল বাড়িতে হানা দেয়। তাদের মধ্যে তিনজন ছাদ বেয়ে ঘরে প্রবেশ করে। পরে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে আলমারি ভেঙে নগদ ১ লাখ ৪৫ হাজার টাকা, দেড় লক্ষাধিক টাকার স্বর্ণালংকার এবং একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন লুট করে নিয়ে যায়। সাংবাদিক কাইছার হামিদ জানান, পেশাগত কারণে তিনি স্ত্রীসহ লোহাগাড়ায় অবস্থান করছিলেন। বাড়িতে তাঁর বৃদ্ধ বাবা-মা ছিলেন। সম্প্রতি গরু বিক্রির টাকা এবং কিছু স্বর্ণালংকার বাসায় রাখা ছিল। তিনি অভিযোগ করেন, ‘ডাকাতির সময় আজিজনগর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আমিনুর রহিমকে ১০ থেকে ১৫ বার ফোন করা হলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। পরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করার প্রায় ১৫ থেকে ২০ মিনিট পর তিনি কলব্যাক করেন। তখনও তাঁকে ঘটনাস্থলে দ্রুত ফোর্স পাঠানোর অনুরোধ করা হয়। তবে পুলিশ সকাল ৭টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।’ স্থানীয়দের দাবি, লামা উপজেলার আজিজনগর ইউনিয়নের রোডপাড়া এলাকা এবং পার্শ্ববর্তী চকরিয়া উপজেলার হারবাং ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী প্রায় এক কিলোমিটার এলাকায় গত ১০ দিনে অন্তত পাঁচটি ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এ বিষয়ে লামা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ শাহজাহান কামাল বলেন, ‘ঘটনার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। ফাঁড়ির ইনচার্জের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগের বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে। এ নিয়ে তাঁকে ইতোমধ্যে সতর্ক করা হয়েছে।’ চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনির হোসেন বলেন, ‘উত্তর হারবাং এলাকায় কয়েক দিন আগে ডাকাতির একটি ঘটনার মামলা নেওয়া হয়েছে। সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে এবং জড়িতদের শনাক্তে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’
