কেআইবি চত্বরে জুনিয়র কর্মকর্তার ঘুষিতে রক্তাক্ত সিনিয়র কর্মকর্তা
Why this classification
প্রবন্ধে কেআইবি চত্বরে দুই সরকারি কর্মকর্তা একে অপরকে ঘুষি মারার ঘটনা বর্ণিত হয়েছে, যা শারীরিক আক্রমণ এবং আহত হয়েছে; তাই এটি হিংসাত্মক ঘটনা এবং ১৪ দিনের মধ্যে ঘটেছে, ফলে এটি বৈধ হিংসা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
Killed
0
Injured
1
Summary
ফার্মগেটের কেআইবি চত্বরে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক ও ২৯তম বিসিএস কৃষি ক্যাডারের কর্মকর্তা বনি আমিন খানের মধ্যে ঘুষি মারার ঘটনা ঘটেছে। বনি আমিন খানের মুখে আঘাত ও রক্তপাত হয়েছে, তিনি প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
94% · severity 4
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 08/06/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
কেআইবি চত্বরে জুনিয়র কর্মকর্তার ঘুষিতে রক্তাক্ত সিনিয়র কর্মকর্তা
কেআইবি চত্বরে জুনিয়র কর্মকর্তার ঘুষিতে রক্তাক্ত সিনিয়র কর্মকর্তা আহত বনি আমিন খান সমকাল প্রতিবেদক প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬ | ১৪:৩৮ রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) চত্বরে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) এক সিনিয়র কর্মকর্তাকে ঘুষি মারার ঘটনায় কৃষি প্রশাসনে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। সোমবার রাতে সংঘটিত এ ঘটনায় আহত হয়েছেন ডিএইয়ের অতিরিক্ত উপপরিচালক (উদ্ভিদ সংগনিরোধ উইং) ও ২৯তম বিসিএস কৃষি ক্যাডারের কর্মকর্তা বনি আমিন খান। সংশ্লিষ্ট সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, সোমবার রাত পৌনে ৮টার দিকে কেআইবি চত্বরে বনি আমিন খানের সঙ্গে ডিএইয়ের অতিরিক্ত উপপরিচালক (প্রশাসন-২) এবং ৩১তম বিসিএস কৃষি ক্যাডারের কর্মকর্তা এ এম মাসুম বিল্লাহর বাগ্বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে মাসুম বিল্লাহ বনি আমিন খানের মুখে একাধিক ঘুষি মারেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান। এ ঘটনায় বনি আমিন খানের মুখমণ্ডল ফুলে যায় এবং বাম চোখের নিচে আঘাত লেগে রক্তপাত হয়। পরে উপস্থিত কর্মকর্তা ও কেআইবির সদস্যরা এগিয়ে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। বনি আমিন খান বলেন, ‘কেআইবি চত্বরে হামলার শিকার হয়েছি। প্রাথমিক চিকিৎসা নেওয়ার পর বাসায় যায়। বিষয়টি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে অবহিত করেছি এবং ঘটনার বিচার চেয়ে লিখিত আবেদন করবো।’ অন্যদিকে এ এম মাসুম বিল্লাহ ঘটনার কথা স্বীকার করে বলেন, ‘এটি একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। ঘটনার পরপরই সেখানে উপস্থিত এ্যাব নেতাদের সামনে আমি স্যারের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছি। আমি তার কাছে ক্ষমা চেয়েছি।’ খামারবাড়ি কেন্দ্রিক কৃষি প্রশাসনের একাধিক সূত্র বলছে, দুই কর্মকর্তার মধ্যে দীর্ঘদিনের মতবিরোধ কেন্দ্র চলছিল। এর জেরেই এ ঘটনা ঘটেছে বলে। এ বিষয়ে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আব্দুর রহিম বলেন, ‘ঘটনাটি জেনেছি। কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শারীরিক হামলার ঘটনা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ এদিকে ঘটনার পর ডিএইয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ও কর্মপরিবেশ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। একই সঙ্গে এ এম মাসুম বিল্লাহর বিরুদ্ধে পূর্বে উত্থাপিত বদলি বাণিজ্য, প্রশাসনিক ক্ষমতার অপব্যবহার এবং বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগও নতুন করে আলোচনায় এসেছে।
