কালিহাতীতে ঘর ও টিনের বেড়া ভেঙে লাশ দাফন
Why this classification
প্রবন্ধে প্রতিবেশীর বিরোধে রাস্তা বন্ধ করা এবং ঘর‑বেড়া ধ্বংসের ঘটনা বর্ণিত হয়েছে, যা ভাঙচুরের মাধ্যমে সম্পত্তি ক্ষতি ঘটায় এবং ১৪ দিনের মধ্যে ঘটেছে, তাই এটি হিংসাত্মক (বিনাশমূলক) ঘটনা হিসেবে গণ্য হয়।
Killed
0
Injured
0
Summary
কালীহাতীর বিলপালিমা গ্রামে প্রতিবেশীর বিরোধে রাস্তা বন্ধ করে ঘর ও টিনের বেড়া বসানো হয়; প্রতিবেশী ও গ্রামবাসীরা তা ভাঙে এবং আব্দুস সালাম (৬০) এর দাফন সম্পন্ন করে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
94% · severity 2
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 11/10/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
প্রতিবেশীর সঙ্গে বিরোধে কবরস্থানে যাওয়ার রাস্তা বন্ধ, ঘর ভেঙে মরদেহ দাফন
টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে প্রতিবেশীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে কবরস্থানে যাওয়ার রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ অবস্থায় রাস্তার মাঝে থাকা ঘর ও টিনের বেড়া ভেঙে চলাচলের পথ তৈরি করে আব্দুল সালাম (৬০) নামে এক ব্যক্তির মরদেহ দাফন করেছেন স্বজন ও এলাকাবাসী। সোমবার (১২ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে কালিহাতী উপজেলার বাংড়া ইউনিয়নের বিলপালিমা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আব্দুল সালাম কালিহাতী উপজেলার বিলপালিমা গ্রামের একাব্বর আলীর ছেলে। শনিবার রাতে ঘাটাইল উপজেলায় অসুস্থ অবস্থায় তিনি মারা যান। রাতে কোনোভাবে স্বজনরা তার মরদেহ বাড়িতে নিয়ে যান। রাতে দাফনের প্রস্তুতি নেওয়া হলেও কবরস্থানে যাওয়ার রাস্তা না থাকায় তা সম্ভব হয়নি। পরে সকালে মরদেহ দাফনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিলপালিমা গ্রামের মাতবর মোজাফফর হোসেন বলেন, কবরস্থানে মরদেহ দাফন করতে যাওয়ার রাস্তা না থাকায় প্রতিবেশীদের রাস্তা বের করে দিতে বলা হয়েছিল। কিন্তু তারা তাতে সাড়া দেননি। মৃত সালামের ভাই পুলিশ সদস্য আবু সাঈদ বলেন, এলাকাবাসীর শরণাপন্ন হলে সোমবার সকাল ১০টার দিকে বাড়ি থেকে কবরস্থানে মরদেহ নেওয়ার সময় চলাচলের রাস্তা না থাকায় স্থানীয় বাসিন্দারা ঐক্যবদ্ধ হন। পরে রাস্তার মাঝখানে থাকা ঘর ও টিনের বেড়া ভেঙে চলাচলের পথ তৈরি করে দেন তারা। তিনি আরও বলেন, এলাকাবাসীর সহায়তায় পরে কবরস্থানে মরদেহ দাফন করা সম্ভব হয়েছে। তার ভাইয়ের জানাজা শনিবার রাতে হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু মরদেহ নেওয়ার রাস্তা না থাকায় রোববার সকাল ১১টায় দাফন করতে হয়েছে। এলাকাবাসী জানান, প্রায় ১০০ বছরের পুরোনো বিলপালিমা বর্তা বিলের চলাচলের রাস্তা নিয়ে প্রতিবেশী একাব্বর আলীর সঙ্গে বিরোধের জেরে প্রায় দুই বছর ধরে বিলপালিমা গ্রামের মোতাহের মাস্টার, কবির, মজিদ ও কাশেমের লোকজন চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে রেখেছেন। বাংড়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য শাহজালাল বলেন, প্রতিপক্ষ রাস্তার মাঝখানে ঘর তুলেছিল। ঘর থাকায় মরদেহ নেওয়া সম্ভব হয়নি। পরে স্থানীয় লোকজন ক্ষুব্ধ হয়ে ঘর ভেঙে রাস্তা তৈরি করেন। এরপর মরদেহ কবরস্থানে নিয়ে দাফন করা হয়। কালিহাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাইয়ুম খান সিদ্দিকী বলেন, শুনেছি দীর্ঘ দিন ধরে রাস্তা নিয়ে বিরোধ ছিল। বিরোধের জেড়ে ক্ষুব্ধ জনতা ঘর ভেঙে মরদেহ দাফন করেছে। পরে ৯৯৯ কল পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠাই। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। আরিফুল ইসলাম/এএমকে
কালিহাতীতে ঘর ও টিনের বেড়া ভেঙে লাশ দাফন
প্রতিবেশীর দ্বন্দ্বে রাস্তা বন্ধ কালিহাতীতে ঘর ও টিনের বেড়া ভেঙে লাশ দাফন Advertisement কালিহাতী (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ কালিহাতীতে প্রতিবেশীর দ্বন্দ্বে মাঝখানে ঘর তুলে ও টিনের বেড়া দিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয় চলাচলের রাস্তা। আর এ ঘর ও বেড়া ভাঙচুর করে আব্দুস সালাম নামে এক ব্যক্তির লাশ বাড়ি থেকে বের করে দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে। রোববার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার বিলপালিমা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ওই গ্রামের একাব্বর আলীর ছেলে আব্দুল সালাম (৬০) শনিবার রাতে ঘাটাইল উপজেলায় অসুস্থ হয়ে মারা যান। রাতে কোনোভাবে বাড়িতে লাশ নিয়ে আসেন স্বজনরা। পরে রাতেই লাশ দাফনের প্রস্তুতি নেওয়া হয় কিন্তু রাস্তা বন্ধ থাকায় সকালে দফনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। গ্রামের মাতব্বর মোজাফফর বলেন, চলাচলসহ কবরস্থানে লাশ নিয়ে যাওয়ার রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ায় প্রতিবেশীকে রাস্তা বের করে দিতে বলা হয়, কিন্তু তারা তাতে সাড়া দেননি। মৃত সালামের ভাই পুলিশ সদস্য আবু সাঈদ বলেন, এলাকাবাসীর শরণাপন্ন হলে তারা ঐক্যবদ্ধ হয়ে সকাল ১০টার দিকে বাড়ি থেকে কবরস্থানে লাশ দাফন করতে যাওয়ার রাস্তার মাঝখানে নির্মিত ঘর ও টিনের বেড়া ভাঙচুর করে রাস্তা বের করে দেন। পরে এলাকাবাসীর সহায়তায় কবরস্থানে লাশ দাফন করতে সক্ষম হন। তিনি আরও বলেন, ‘আমার ভাইয়ের জানাজা হওয়ার কথা ছিল শনিবার রাতে কিন্তু লাশ নেওয়ার রাস্তা বন্ধ থাকায় রোববার বেলা ১১টায় লাশ দাফন করতে সক্ষম হই। এলাকাবাসী জানান, প্রায় শত বছরের পুরোনো বিলপালিমা বর্তা বিলের চলাচলের রাস্তা গ্রামের একাব্বর আলীর সঙ্গে বিরোধে দুবছর ধরে প্রতিবেশী মোতাহের মাস্টার, কবির, মজিদ ও কাশেমের লোকজন বন্ধ করে দেন।
