ঘরে ঢুকে প্রবাসীর স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা, শিশু পুত্র আহত
Why this classification
This is a recent, specific incident in Bhola district in which unidentified attackers entered a house at night and stabbed to death a woman, Naseema Begum, and seriously wounded her seven-year-old son. Police are treating it as a murder, so it qualifies as violence.
Killed
1
Injured
1
Summary
ভোলা সদর উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নে ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (শুক্রবার) মধ্যরাতে দুর্বৃত্তরা বসতঘরে ঢুকে প্রবাসীর স্ত্রী নাছিমা বেগমকে ধারালো অস্ত্রে কুপিয়ে হত্যা করে এবং তার ৭ বছর বয়সী ছেলে আবিরকে গুরুতর আহত করে। শনিবার সকালে স্থানীয়রা মরদেহ ও আহত শিশুকে উদ্ধার করেন, এবং পুলিশ হত্যাকাণ্ড হিসেবে তদন্ত করছে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
95% · severity 8
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 17/04/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
ঘরে ঢুকে প্রবাসীর স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা, শিশু পুত্র আহত
ভোলার সদর উপজেলায় বসতঘরে ঢুকে নাছিমা বেগম (৩৫) নামে এক প্রবাসীর স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এছাড়া নিহতের ৭ বছর বয়সী শিশু আবিরকেও ছুরিকাঘাত করে গুরুতর আহত করা হয়েছে। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) মধ্যরাতে উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের শরীফ সর্দার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত নাছিমা বেগম ওই বাড়ির বাসিন্দা প্রবাসী আল আমিন। পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, কাজের সুবাদে বেশ কয়েক বছর ধরে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থান করছেন নাছিমা বেগমের স্বামী আল আমিন। স্বামী প্রবাসে থাকায় ছেলে আবিরকে নিয়ে নিজেদের নির্মাণাধীন বসতঘরে বসবাস করে আসছিলেন নাছিমা বেগম। শুক্রবার মধ্যরাতে ঘরে ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় দুর্বৃত্তরা ঘরে ঢুকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে নাছিমা বেগম ও তার ছেলেকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। এ সময় ঘটনাস্থলেই নিহত হন নাছিমা বেগম এবং আহত হয় তার পুত্র আবির। পরে শনিবার সকাল ৭টার দিকে আশপাশের লোকজন তাদের সাড়াশব্দ না পেয়ে তাদের ঘরে ঢুকে দেখে নাছিমা বেগমের মরদেহ পড়ে আছে এবং শিশু আবির আহত অবস্থায় রয়েছে। পরবর্তীতে লোকজন এগিয়ে এসে আহত আবিরকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। ভোলা সদর মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)মুহাম্মদ মনিরুল ইসলাম ঢাকা পোস্টকে বলেন, সকালে খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়েছি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা যাচ্ছে এটি হত্যাকাণ্ড। নিহতের মরদেহের সুরতাহাল রিপোর্ট শেষ মরদেহের ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া শিশুটিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। কে বা কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে তা জানা যায়নি, বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। খাইরুল ইসলাম/আরকে
