মুক্তাগাছায় দুই এলাকাবাসীর মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া, পুলিশসহ আহত ২০

AI-classifiedconfidence 92%

Why this classification

This is a specific, recent incident in Muktagacha, Mymensingh, where residents from two areas clashed on 28 February 2026 with sticks and local weapons, attacked and looted shops, and about 20 people were injured, including 5 police officers. It is a physical clash and destructive act, so it qualifies as violence.

Reported by:JugantorSingle source
28/02/26•Atani Bazar Chhoto Mosjid area, Muktagacha

Killed

0

Injured

20

Summary

ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় যানজটকে কেন্দ্র করে ২৮ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় আটানি বাজার এলাকায় পাড়াটঙ্গি ও তারাটি এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া, দোকানে হামলা, লুটপাট ও সংঘর্ষ হয়। পুলিশের সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপের পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলে প্রায় ২০ জন, যার মধ্যে ৫ জন পুলিশ সদস্য, আহত হন।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

92% · severity 6

Perpetrator side

Locals

Victim side

LocalsLaw Enforcement

Other actors

Auto-rickshaw driverBrick-carrying trolley driverTarati area residentsParatangi area residentsMuktagacha Thana acting officer-in-charge Mohammad Lutfor RahmanMymensingh District Superintendent of Police Md. Mizanur RahmanManikon Union Parishad Chairman Shahidul IslamUpazila Nirbahi Officer Krishna Chandra

Affected infrastructure

shops

Tags

Robbery

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 20

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals, Law Enforcement

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 28/02/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Jugantor · 01/03/26open original ↗

মুক্তাগাছায় দুই এলাকাবাসীর মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া, পুলিশসহ আহত ২০

মুক্তাগাছায় দুই এলাকাবাসীর মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া, পুলিশসহ আহত ২০ Advertisement মুক্তাগাছা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০১ মার্চ ২০২৬, ১২:০২ পিএম মুক্তাগাছায় দুই এলাকাবাসীর মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া। প্রতীকী ছবি ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই এলাকাবাসীর মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার নিয়ন্ত্রণ নিতে পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে দুপক্ষেকে ছত্রভঙ্গ করে। এতে পুলিশের ৫ সদস্যসহ দুপক্ষের প্রায় ২০ জন আহত হয়েছে। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় পর থেকে এলাকাবাসীর মধ্যে এ ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মুক্তাগাছা আটানি বাজার ছোট মসজিদ এলাকায় শহরের পাড়াটঙ্গী এলাকা ও তারাটি ইউনিয়নের বাসিন্দাদের মধ্যে দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া এবং দোকানপাটে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা চলতে থাকে। প্রথমে মুক্তাগাছা থানা পুলিশ ঘটনা নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার চেষ্টা করে ব্যর্থ হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাহিরে চলে যায়। পরবর্তীতে রাত সাড়ে ১০ টার দিকে মুক্তাগাছা থানা ও জেলা পুলিশ, র্যাব-১৪ ও ২ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন ঘটনাস্থলে এসে যৌথ অভিযান পরিচালনা করে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিতে পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করলে উভয় পক্ষ ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। ঘটনাস্থলে বর্তমানে ব্যাপক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন রয়েছে। এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। পুলিশ ও স্থানীয়রা আহতদেরকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ পুলিশ হাসপাতাল ও মুক্তাগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার পৌরসভার আটানি বাজার ছোট মসজিদ এলাকায় শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিকালে পৌরশহরের পাড়াটঙ্গি এলাকার একজন অটোরিকশা চালক ও ইটবহনকারী ট্রলি চালকদের মধ্যে যানজটকে ঘিরে উভয়ের মধ্যে বাকবিতণ্ডার সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে অটোরিকশা চালককে মারধর করেন টলিচালক এবং তারাটি এলাকার একজন বাসিন্দা। পরে অটোরিকশা চালক ঘটনাস্থল ত্যাগ করে বাড়িতে চলে যান। পরবর্তীতে সন্ধ্যার দিকে অটোরিকশা চালক দলবল নিয়ে আটানি বাজার মোড়ে এসে একটি দোকান ভাঙচুর করে। ঘটনাটি দুই এলাকায় লোকজনের মধ্যে জানাজানি হলে দুই এলাকাবাসির মধ্যে ঘটনা ছড়িয়ে পড়ে। এদিকে ঘটনার প্রতিশোধ নিতে উপজেলার তারাটি এলাকার বাসিন্দারা লাঠিসোটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে শনিবার সন্ধ্যায় আটানি বাজার এলাকায় অবস্থা নেয় এবং পাড়াটঙ্গির লোকজনের বেশ কয়েকটি দোকানপাটে হামলা চালায় এবং লুটপাট করে। খবর পেয়ে পাড়াটঙ্গি এলাকার বাসিন্দারাও লাঠিসোটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে এগিয়ে আসলে দুই এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দিলে মুক্তাগাছা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পৌছালে পরিস্থিতি আরও বিপদজনক রূপ ধারণ করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিতে মুক্তাগাছা থানা পুলিশ ময়মনসিংহ জেলা পুলিশের শরনাপন্ন হয়। জেলা পুলিশ, র্যাব ও ডিবি পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে এসে যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করে। একপর্যায়ে দুপক্ষের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ একাধিক সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। এ ঘটনায় পুলিশের ৫ জনসহ দুপক্ষের প্রায় ২০ জন আহত হন। এলাকাবাসী ও পুলিশ আহতদের উদ্ধার করে পুলিশ সদস্যদের জেলা পুলিশ হাসপাতালে এবং বাকীদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। ঘটনাস্থলে ব্যাপক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন রয়েছে এবং এলাকাজুড়ে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ইটবহনকারী টলি ও অটোরিকশা চালকের রাস্তার সাইড দেওয়া ও যানজট সৃষ্টির মত তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুক্রবার বিকাল থেকে শনিবার রাত পর্যন্ত দুই এলাকায় বাসিন্দাদের মধ্যে একাধিকবার দোকানপাটে হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। তারাটি এলাকার লোকজন সবসময়ই উগ্র থাকেন প্রতিবছরই এমন দুই-একটি ঘটনা তারা ঘটিয়ে থাকেন। ঘটনার বিষয়ে মানকোন ইউপি চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, পৌরসভার পাড়াটঙ্গি ও মানকোনের পাশের ইউনিয়ন তারাটির এলাকার লোকজনের মধ্যে তুমুল সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি তুচ্ছ ঘটনার হলেও দুই এলাকার লোকজনের মধ্যে ছড়িয়ে পড়াই ব্যাপক রূপ ধারণ করেছে। এতে উভয়পক্ষের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং অনেকেই আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। পরিস্থিতি বতর্মানে স্বাভাবিক আছে। এ বিষয়ে মুক্তাগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ লুৎফর রহমান জানান, তুচ্ছ ঘটনায় দুই এলাকাবাসীর মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। সংঘর্ষে দুপক্ষের উপস্থিতির তুলনায় পুলিশের সংখ্যা অনেক কম ছিল। ঘটনা নিয়ন্ত্রণে নিতে জেলা পুলিশের সহযোগিতায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা হয়েছে। বেশকিছু দোকানে ভাঙচুর হয়েছে। তবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনই বলা যাচ্ছে না। এ বিষয়ে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কৃষ্ণ চন্দ্র বলেন, দুই এলাকাবাসীর মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনায় জেলা পুলিশ র্যাব ও আর্মড পুলিশের সহযোগিতা নিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হয়। বতর্মান পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং ঘটনাস্থলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন রয়েছে। ঘটনা প্রসঙ্গে জেলা পুলিশ সুপার মো.মিজানুর রহমান জানান, পুলিশ ও র্যাবসহ একাধিক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যৌথ অভিযানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় ঘটনাস্থলে ব্যাপক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। ঘটনার সুষ্ঠুভাবে তদন্ত করে আইনগত ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে।