বিক্রি করতে না পেরে রাস্তায় ফেলে যায় অপহরণকারীরা, ১৮ দিন পর শিশু উদ্ধার
Why this classification
ঘটনাটি একটি শিশুকে অপহরণ ও বিক্রির চেষ্টার সাথে জড়িত, যা একটি গুরুতর অপরাধমূলক কাজ। অপহরণের সময় শারীরিক সহিংসতার উল্লেখ না থাকলেও, শিশুটিকে জোরপূর্বক আটকে রাখা এবং পাচারের চেষ্টা সহিংস অপরাধ হিসেবে বিবেচিত।
Killed
0
Injured
0
Summary
রাজধানীর রূপনগর থেকে ছয় বছরের এক শিশুকে বিক্রির উদ্দেশ্যে অপহরণ করে একটি চক্র। গাজীপুরে বিক্রি করতে ব্যর্থ হয়ে শিশুটিকে রাস্তায় ফেলে পালিয়ে যায়; পরে টহল পুলিশ তাকে উদ্ধার করে পুনর্বাসন কেন্দ্রে পাঠায়। ১৮ দিন পর মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) এসআরবি শিশুটিকে উদ্ধার করে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
90% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Child Trafficking Ring
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 18/09/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (3 sources)
বাড্ডায় ঠিকাদারকে অপহরণ করে চাঁদাবাজি
বাড্ডায় ঠিকাদারকে অপহরণ করে চাঁদাবাজি ফাইল ছবি সমকাল প্রতিবেদক প্রকাশ: ১৬ মে ২০২৬ | ২১:৪৫ রাজধানীর বাড্ডায় নির্মাণাধীন ভবনের গ্রিলের ঠিকাদারকে অপহরণের পর ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম আল আমিন। তাঁর বিরুদ্ধে গত ১৪ মে বাড্ডা থানায় মামলা করেন ঠিকাদার আবু সাঈদ। আল আমিন ওই ভবনের অংশীদার মোস্তাফিজুর রহমানের জামাতা (মেয়ের স্বামী)। এর আগে চাচাশ্বশুর মুশফিকুর রহমানও আল আমিনের বিরুদ্ধে জিডি করেছিলেন। বাড্ডা থানার ওসি কাজী মো. নাসিরুল আমীন সমকালকে বলেন, চাঁদাবাজি ও অপহরণের ঘটনায় মামলা হয়েছে। আসামি আল আমিনকে গ্রেপ্তারের পর আদালতে পাঠানো হয়েছে। তিনি ওই ঠিকাদারের কাছ থেকে চাঁদার কিছু টাকা আদায়ও করেছেন। পুলিশ জানায়, দক্ষিণ বাড্ডার বাসিন্দা মুশফিকুর রহমান ও তাঁর ভাই মোস্তাফিজুর রহমান আবাসন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে মধ্যবাড্ডার ঠ-৫২/১ হোল্ডিংয়ে বাড়ি নির্মাণ করছেন। মামলার এজাহারে বলা হয়, ভবনের নির্মাণকাজ শেষ পর্যায়ে। ইতোমধ্যে চারটি পরিবার সেখানে বসবাস করছে। প্রায় এক বছর ধরে আল আমিন নানাভাবে ঠিকাদার আবু সাঈদকে হয়রানি করে আসছিলেন। গত ১২ মে আল আমিনসহ অজ্ঞাতনামা ৭-৮ জন নির্মাণাধীন ভবনে গিয়ে ঠিকাদারকে ভয়ভীতি দেখান ও হুমকি দেন। তাঁকে মারধরের পর নির্জন স্থানে তুলে নিয়ে ৫০ হাজার চাঁদা দাবি করা হয়। প্রথমে তিন হাজার টাকা আল আমিনকে দেন আবু সাঈদ। পরে আবাসন কোম্পানির প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর আলমগীর হোসেনকে ফোন করে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে আরও পাঁচ হাজার টাকা দেওয়া হয়। এরপর মুক্তি পান তিনি। পরদিন আল আমিন ওই ভবনে গিয়ে আবার টাইলস মিস্ত্রি রুবেলসহ অন্য শ্রমিকদের কাজ বন্ধ করার হুমকি দেন। ঠিকাদার আবু সাঈদ সমকালকে বলেন, ‘আল আমিনের মূল বিরোধ আবাসন কোম্পানি কর্তৃপক্ষ, মুশফিকুর রহমান ও মোস্তাফিজুর রহমানের সঙ্গে। ভবনে কাজ বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিয়ে আসছিলেন তিনি। পরে আমাকে মারধরের পর অপহরণ করে নিয়ে চাঁদা দাবি করে।’
আদাবরে ঢাবি শিক্ষার্থীকে অপহরণ, চক্রের ৯ সদস্য গ্রেপ্তার
রাজধানীর শ্যামলী এলাকায় অপহরণ ও ছিনতাই চক্রের ৯ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পুলিশ বলছে, চক্রটি সাদমান সাকিব নামের একজন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শিক্ষার্থীকে জিম্মি করলে ভুক্তভোগী পুলিশের পেট্রোল টিম দেখে চিৎকার দেয়। এ সময় অপহরণ চক্রের বাকী সদস্যরা পালিয়ে গেলেও চক্রের মূল পরিকল্পনাকারী জাহিদকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আরও ৮ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়। বুধবার (৩ জুন) ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সন্মেলনে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মো. ফজলুল করিম এসব কথা জানান। গ্রেপ্তাররা হলো- জাহিদ হোসেন (২০), হোসাইন আহম্মদ ওরফে সিফাত (২৫), ইয়াছিন ওরফে আজমান (২৭), আরিফুল ইসলাম (২৩), মাহিম চৌধুরী আকাশ (২০), সাকিব (২৪), সোহেল রানা (২৪), মো. নাঈম (২৩), মো. মর্তুজা তামিম (২৬)। মো. ফজলুল করিম বলেন, আদাবর এলাকায় বেশ কিছুদিন যাবৎ আমরা কিছু ঘটনার সংবাদ পাচ্ছি। কাউকে অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়ের ঘটনা। বেশকিছু দিন আগেও আমরা মোহাম্মদপুর থানা কতৃক একটা চক্রকে গ্রেপ্তার করেছি। সাদমান সাকিব রাত ১১টার দিকে শ্যামলী বাসস্টান্ড এলাকায় আসে। আসার পর তিন থেকে চারজন দেশীয় অস্ত্র দেখিয়ে তাকে অপহরণ করেছে। পরে তাকে সরু গলির মধ্যে নিয়ে তার কাছে যা ছিল (মোবাইল, টাকা পয়সা, মানিব্যাগ) সব নিয়েছে। এরপর তার পরিবারের কাছে বিকাশে ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। এই ঘটনার ওই গলির মধ্যেই তারা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছিল। শ্যামলী বাস স্ট্যান্ড এলাকায় আমাদের টহল পুলিশ বেশিরভাগ সময় টহল দিয়ে থাকে। এই টহল পুলিশকে দেখে তারা যে চাকুটা বের করেছিল সেটা লুকিয়ে ফেলে। পাশাপাশি ভুক্তভোগী যিনি ছিলেন তিনি পুলিশের গাড়ি দেখে সাহস পান। সঙ্গে সঙ্গে সে চিৎকার করে। তখন আমাদের টহল পুলিশ যারা ছিল তারা তৎক্ষণাৎ ঘটনাস্থলে যাই। পুলিশদের আসতে দেখে তখন আসামী জাহিদ ছাড়া বাকি সবাই পালিয়ে যায়। সঙ্গে সঙ্গে জাহিদকে আটক করতে সক্ষম হই আমরা। এরপর তাকে থানায় নিয়ে আমরা ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করি এবং তার দেওয়া তথ্য মতে আরও ৬ জনকে গ্রেপ্তার করি। এরপর আরও ২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এই ঘটনায় চক্রের মোট ৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। চক্রটি মোহাম্মদপুর আদাবর এলাকায় বিশেষ করে ভোরের দিকে যখন ব্যবসায়ীরা টাকা পয়সা নিয়ে বিভিন্ন মালামাল আনতে যায় তখন এদেরকে টার্গেট করতো। বিশেষ করে একা যারা থাকতো তাদেরকে টার্গেট করে অপহরণ করতো। এর মধ্যে মূল মাস্টারমাইন্ড জাহিদ। জাহিদসহ আরও দুই আসামির নামে দুইটা করে মামলা রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, এদের বিরুদ্ধে আদাবর থানায় মামলা হয়েছে। এই ৯ জনের বিরুদ্ধে আইনগত প্রক্রিয়া প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আসামিদের রিমান্ডে নিয়ে আসবো এবং এর সঙ্গে আরও কোন চক্র আছে কিনা, তারা আর কোথায় কোথায় এই ঘটনা ঘটিয়েছে, কোনো ভুক্তভোগী আছ কিনা আমরা সেটাও দেখার চেষ্টা করছি। গ্রেপ্তার এই চক্রটি ভুক্তভোগীর মোবাইলের মাধ্যমে তার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে ভুক্তভোগীর বিকাশের মাধ্যমে টাকা এনে সেন্ড মানি বা কোন এজেন্টের কাছ থেকে ক্যাশআউট করে ভুক্তভোগীকে ফেলে দিয়ে চলে যেতো বলেও জানান তিনি। এসএএ/বিআরইউ
বিক্রি করতে না পেরে রাস্তায় ফেলে যায় অপহরণকারীরা, ১৮ দিন পর শিশু উদ্ধার
বিক্রির উদ্দেশ্যে ছয় বছরের শিশুকে অপহরণ করেছিল একটি চক্র। তবে পুলিশ ও এসআরবির তৎপরতার মুখে তাদের সেই পরিকল্পনা ভেস্তে যায়। শিশুটিকে গাজীপুরে নিয়ে গিয়েও বিক্রি করতে না পেরে শেষ পর্যন্ত রাস্তায় ফেলে পালিয়ে যায় অপহরণকারীরা। পরে টহল পুলিশ তাকে উদ্ধার করে একটি শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্রে পাঠায়। অবশেষে নিখোঁজের ১৮ দিন পর মঙ্গলবার সেখান থেকেই শিশুটিকে উদ্ধার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। গত ১৮ সেপ্টেম্বর রাজধানীর রূপনগরের দুয়ারীপাড়ার বাসা থেকে নিখোঁজ হয় শিশুটি। ওই দিন সকালে তার মা গৃহকর্মীর কাজে বাইরে যান। তখন বাসায় রিকশাচালক বাবার সঙ্গে ঘুমিয়ে ছিল শিশুটি। দুপুরে ঘুম ভেঙে বাবা দেখেন, তাঁর ছেলে ঘরে নেই। আশপাশে খোঁজাখুঁজি করে সন্ধান না পেয়ে তিনি রূপনগর থানায় একটি মামলা করেন। মামলার পর শিশুটিকে উদ্ধারে ছায়া তদন্ত শুরু করে এসআরবি-৪। ঘটনাস্থল ও আশপাশের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ করে তদন্তকারীরা দেখতে পান, বাসা থেকে প্রায় দেড় কিলোমিটার দূরে স্কয়ার নার্সিং হোম ক্লিনিক পর্যন্ত শিশুটিকে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে সেখান থেকে নাসরিন ও কুলসুম নামের দুই নারীকে শিশুটির হাত ধরে নিয়ে যেতে দেখা যায়। এরপর আর কোনো সিসিটিভি ফুটেজ পাওয়া যায়নি। তদন্তে এসআরবি জানতে পারে, ওই শিশুর বাসার পাশের বাসার ভাড়াটের মেয়ে নাসরিন একটি শিশু পাচারকারী চক্রের সদস্য। সে অপর নারী কুলসুমের সহযোগিতায় শিশুটিকে বিক্রির উদ্দেশ্যে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় জড়িত অভিযোগে কুলসুমকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এসআরবি জানায়, অপহরণের পর শিশুটিকে গাজীপুরে নেওয়া হয়েছিল। সেখানে তাকে বিক্রির চেষ্টা চালানো হয়। কিন্তু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা টের পেয়ে অপহরণকারীরা তাকে রাস্তায় ফেলে চলে যায়। পরবর্তীকালে স্থানীয় টহল পুলিশ শিশুটিকে উদ্ধার করে। তবে নিজের নাম-ঠিকানা বলতে না পারায় তাকে গাজীপুরের টঙ্গী পূর্ব থানার এরশাদ নগরের দত্তপাড়া এলাকার সম্মিলিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্রের বালক শাখায় রাখা হয়েছিল। মঙ্গলবার ওই পুনর্বাসন কেন্দ্র থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করে এসআরবি। এ ঘটনায় জড়িত চক্রের অন্য সদস্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
