সাভারে জাবি ছাত্রীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার, পুলিশের দাবি হত্যাকাণ্ড
Why this classification
This incident was classified as criminal violence in Dhaka. Reported casualties: 1 killed and 0 injured. Reported by 3 sources.
Killed
1
Injured
0
Summary
২০২৬ সালের ১৫ই মার্চ সাভারের ইসলামনগর এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের ছাত্রী শারমিন জাহানের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে বিষয়টিকে একটি হত্যাকাণ্ড হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
93% · severity 8
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 15/03/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (3 sources)
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী খুন
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) লোকপ্রশাসন বিভাগের এক ছাত্রী খুন হয়েছেন। আজ রোববার বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন ইসলামনগর এলাকার নিজ বাসা থেকে তাঁকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত ওই শিক্ষার্থীর নাম শারমিন জাহান (২৩)। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের ৫১তম আবর্তনের (২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষ) শিক্ষার্থী। তিনি চাঁদপুরের কচুয়া এলাকার বাসিন্দা। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, শারমিন তাঁর স্বামী ফাহিম আল হাসানের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন ইসলামনগর এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন। শারমিনের স্বামীর ভাষ্য, আজ (রোববার) দুপুরে তিনি বাসায় ছিলেন না। বেলা আনুমানিক ২টা থেকে ৩টার মধ্যে বাসায় ফিরে তিনি দেখতে পান বাসার প্রধান দরজা বাইরে থেকে বন্ধ। পরে বাসার ভেতরে প্রবেশ করে তিনি মেঝেতে শারমিনকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। শারমিনের মাথায় গভীর আঘাতের চিহ্ন ছিল এবং তিনি সম্পূর্ণ নিস্তেজ অবস্থায় ছিলেন। পরে বাসার মালিক ও প্রতিবেশীদের সহযোগিতায় শারমিনকে দ্রুত উদ্ধার করে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক। খবর পেয়ে এনাম মেডিকেল কলেজে উপস্থিত হন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক এ কে এম রাশিদুল আলমসহ কয়েকজন শিক্ষার্থী। প্রক্টর এ কে এম রাশিদুল আলম বলেন, ‘আমরা ঘটনা সম্পর্কে অবগত হয়েছি এবং যথাসম্ভব সহযোগিতা করছি। পুলিশ প্রশাসনকে অনুরোধ করেছি এর প্রপার ইনভেস্টিগেশন (যথাযথ তদন্ত) করার।’ আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুবেল হাওলাদার বলেন, ‘এটা একটি মার্ডার কেস (হত্যাকাণ্ড)। ইতিমধ্যে মৃতদেহ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেলে পাঠানো হয়েছে ময়নাতদন্তের জন্য। বাকি তথ্য ময়নাতদন্তের পর জানা যাবে।’
ভাড়া বাসা থেকে জাবি ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার
ক্যাম্পাস ঢাকা ভাড়া বাসা থেকে জাবি ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধারবিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদকজাবি১৫ মার্চ ২০২৬, ২০:০৯অ+অ-শারমিন জাহানসাভারের ইসলামনগর এলাকার ভাড়া বাসা থেকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) লোকপ্রশাসন বিভাগের এক ছাত্রীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার (১৫ মার্চ) বিকেলে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। বিজ্ঞাপন নিহত ওই ছাত্রীর নাম শারমিন জাহান। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের ৫১তম আবর্তনের (২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষ) শিক্ষার্থী ছিলেন। শারমিন তার স্বামী ফাহিম আল হাসানের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন ইসলামনগর এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন। শারমিনের স্বামীর ভাষ্য মতে, দুপুরে তিনি বাসায় ছিলেন না। দুপুর আনুমানিক ২টা থেকে ৩টার মধ্যে বাসায় ফিরে তিনি দেখতে পান যে বাসার প্রধান দরজা বাইরে থেকে বন্ধ। পরে বিকল্প উপায়ে বাসার ভেতরে প্রবেশ করে তিনি মেঝেতে শারমিনকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। শারমিনের মাথায় গভীর আঘাতের চিহ্ন ছিল এবং তিনি সম্পূর্ণ নিস্তেজ অবস্থায় ছিলেন। পরবর্তীতে বাসার মালিক ও প্রতিবেশীদের সহযোগিতায় শারমিনকে দ্রুত উদ্ধার করে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ বিষয়ে এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ডিউটি অফিসার ইউসুফ আলী ঢাকা পোস্টকে বলেন, উনাকে (শারমিন) বিকেল সোয়া ৫টার দিকে হাসপাতালে আনা হয়। তখন তিনি মৃত অবস্থায় ছিলেন। আমরা তাকে ব্রট ডেড (মৃত অবস্থায় আনা) ঘোষণা করি।বিজ্ঞাপন খবর পেয়ে এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে উপস্থিত হন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক এ কে এম রাশিদুল আলমসহ কয়েকজন শিক্ষার্থী। প্রক্টর এ কে এম রাশিদুল আলম বলেন, আমরা ঘটনা সম্পর্কে অবগত হয়েছি এবং যথাসম্ভব সহযোগিতা করেছি। পুলিশ প্রশাসনকে অনুরোধ করেছি এর প্রপার ইনভেস্টিগেশন করার। আশুলিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকতা (ওসি) রুবেল হাওলাদার ঢাকা পোস্টকে বলেন, এটা একটি মার্ডার কেস। ইতিমধ্যে মরদেহ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে ময়নাতদন্তের জন্য। বাকি তথ্য ময়নাতদন্তের পর জানা যাবে। বিজ্ঞাপন আরএআর
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় স্বামী গ্রেপ্তার, শাস্তির দাবি
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নিহত ছাত্রীর স্বামী ফাহিম আল হাসানছবি: সংগৃহীত জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকার ভাড়া বাসা থেকে ছাত্রীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় তাঁর স্বামীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে আজ সোমবার সকালে তাঁকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। শিক্ষার্থী হত্যার ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনসহ বিভিন্ন ছাত্রসংগঠন পৃথকভাবে উদ্বেগ জানিয়ে দায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে। নিহত শারমীন জাহান (খাদিজা) চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার তেতৈয় গ্রামের শাহজাহান মোল্লার মেয়ে। তাঁর স্বামী ফাহিম আল হাসান কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার খুইরুল গ্রামের মো. হানিফ সরকারের ছেলে। আরও পড়ুন সাভারে ভাড়া বাসা থেকে জাবি ছাত্রীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার ১৬ ঘণ্টা আগে আশুলিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আজগর হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ঘটনার পরপরই নিহত শারমীন জাহানের স্বামী ফাহিম আল হাসানকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছিল। পরে গতকাল রোববার দিবাগত রাতে শারমীনের চাচা মনিরুল ইসলামের করা মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। আজ সকালে পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে তাঁকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, নিহত শারমীন জাহান জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী। তাঁর স্বামী ফাহিম আল হাসান ঢাকা কলেজের অর্থনীতি বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী। প্রেমের সম্পর্কের পর শারমীন ও ফাহিম গত বছরের ২৪ জুন বিয়ে করে বিষয়টি পরিবারকে জানান। গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে তাঁরা বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন ইসলামনগর এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস শুরু করেন। বিয়ের কিছুদিন পর থেকে শারমীন ও ফাহিমের মধ্যে পারিবারিক বিভিন্ন বিষয়কে কেন্দ্র করে কলহের সৃষ্টি হয়। বিষয়টি শারমীন পরিবারের সদস্যদের জানিয়েছিলেন। এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ১৫ মার্চ বিকেল পৌনে পাঁচটার দিকে ফাহিম মুঠোফোনে শারমীনের চাচা মনিরুল ইসলামকে শারমীন গুরুতর অসুস্থ জানিয়ে তাঁকে বাসায় আসতে বলেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে মনিরুল শারমীনকে খাটের ওপর রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। এরপর আশপাশের লোকজনের সহায়তায় শারমীনকে সাভারের বেসরকারি এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। সুরতহালের তথ্য জানিয়ে এজাহারে উল্লেখ করা হয়, শারমীনের কপালের ডান পাশে, মাথার উপরে গভীর কাটা রক্তাক্ত জখম দেখতে পান। উপাচার্যের উদ্বেগ, ছাত্রসংগঠনগুলোর বিচার দাবি শারমীন জাহানের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় গভীর শোক ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মোহাম্মদ কামরুল আহসান। ঘটনাটিকে নৃশংস হত্যাকাণ্ড উল্লেখ করে দ্রুত সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষী ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, জাকসুসহ বিভিন্ন ছাত্রসংগঠন। গতকাল রাত পৌনে ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মোহাম্মদ মহিউদ্দিন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে উপাচার্যের শোকবার্তা জানানো হয়। বিবৃতিতে উপাচার্য মোহাম্মদ কামরুল আহসান বলেন, শারমীন জাহানের খুনের ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক ও বেদনাদায়ক। এতে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার গভীরভাবে শোকাহত হয়েছে। ঘটনা দ্রুত তদন্ত করে অপরাধীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন তিনি। হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু), ছাত্র ইউনিয়ন (একাংশ) ও জাতীয় ছাত্রশক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নেতা-কর্মীরা। জাকসুর সহসভাপতি আবদুর রশিদ ও সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে বলা হয়, শারমীনের মাথায় গভীর আঘাতের চিহ্ন এবং রক্তাক্ত অবস্থায় মেঝেতে পড়ে থাকা, সেই সঙ্গে বাসা থেকে ল্যাপটপ ও ফোন নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি প্রাথমিকভাবে একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডের ইঙ্গিত দেয়। একজন মেধাবী শিক্ষার্থীর এমন অস্বাভাবিক ও নৃশংস মৃত্যু কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন হত্যাকাণ্ডগ্রেপ্তারসাভারমরদেহ উদ্ধারঢাকাঢাকা বিভাগজাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
