নরসিংদীর চরাঞ্চলে যুবককে গুলি করে হত্যা
Why this classification
The incident is classified as political violence because the murder of Suman Mia was reported by a political leader as a targeted attack stemming from the conflict between the Awami League and the BNP.
Killed
1
Injured
0
Summary
নরসিংদীর আলোকবালীতে সুমন মিয়া নামে এক যুবককে ১০-১৫ জন সশস্ত্র সন্ত্রাসী গুলি করে হত্যা করেছে। বিএনপি নেতারা এই হত্যাকাণ্ডের জন্য আওয়ামী লীগকে দায়ী করেছেন।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
85% · severity 8
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Awami League
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 06/08/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (3 sources)
নরসিংদীতে ব্যাবসায়ীকে গুলি করে হত্যা
নরসিংদীতে ব্যাবসায়ীকে গুলি করে হত্যা প্রতীকী ছবি নরসিংদী প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ১২:২৬ | আপডেট: ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ১২:৫২ নরসিংদীর রায়পুরায় বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে এক ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। রোববার রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার চরমধুয়া ইউনিয়নের গাজীপুরা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত রফিকুল ইসলাম (৫০) ওই গ্রামের মঙ্গল মিয়ার ছেলে। পেশায় তিনি গরু কেনা-বেচা করতেন। তার স্ত্রী লাভলী বেগম চরমধুয়া ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের নারী সদস্য। চরমধুয়ার ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আহসান শিকদার নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, রোববার রাত সাড়ে ৯টার দিকে রফিকুল ইসলাম চরমধুয়া বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে দুর্বৃত্তদের গুলির শিকার হন। এ সময় কে বা কারা তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে মুমূর্ষু অবস্থায় নরসিংদী সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রফিকুলকে মৃত ঘোষণা করেন। এ বিষয়ে রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মুজিবুর রহমান বলেন, ‘হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি রাজনৈতিক ঘটনার জেরে ঘটেনি। প্রতিবেশীর সঙ্গে রফিকুল ইসলামের পূর্বের পারিবারিক কলহ রয়েছে। তবে তদন্ত সাপেক্ষে কীভাবে, কারা ঘটিয়েছে নিশ্চিত হওয়া যাবে। হত্যাকাণ্ডের কারণ ও জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত শুরু হয়েছে।’ - বিষয় : - নরসিংদী - গুলি করে হত্যা - ব্যবসায়ীকে হত্যা
নরসিংদীর চরাঞ্চলে যুবককে গুলি করে হত্যা
নরসিংদীর দুর্গম চরাঞ্চল আলোকবালীতে সুমন মিয়া (২৩) নামে এক যুবককে গুলি করে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) রাতে আলোকবালী ইউনিয়নের বাখন নগর এলাকায় এই হত্যার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। নিহত সুমন মিয়া বাখন নগর গ্রামের বাতেন মিয়ার ছেলে। তিনি আলোকবালী ইউনিয়ন কৃষকদলের সাবেক সভাপতি কাইয়ুম মিয়ার ভাতিজা। নিহতের স্বজনরা জানান, নিহত সুমন মিয়া ও তার বোন সোনিয়া বাড়ির অদূরে নদীর পাড়ে দাঁড়িয়ে ছিল। ওই সময় ১০ থেকে ১৫ জন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী সুমনকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে যান। পরে বাখননগর বাজারের একটি চা স্টলের সামনে নিয়ে তাকে এলোপাথারী গুলি করে ফেলে যান। পরে গুরুত্বর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে নরসিংদী সদর হাসপাতালে নিলে কতর্ব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ভাইয়ের মৃত্যুতে হাসপাতালে কান্নায় ভেঙে পড়েন নিহতের বোন সোনিয়া। তিনি বলেন, আমার ভাই কয়েকদিন পর বিদেশে চলে যেতেন। তার স্ত্রী গর্ভবতী, সে কোনো দল করে না। তার কোনো শত্রুতা নেই। কিন্তু হাবি, মিটুল, মাইনুদ্দিন, কালা আমার ভাইকে ধরে নিয়ে মেরে ফেলে। আমার ভাইয়ের সন্তানদের কি হবে? আমি আমার ভাইয়ের খুনিদের ফাঁসি চাই। আলোকবালী ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব জয়নাল আবেদিন সরকার বলেন, মূলত আওয়ামী লীগ ও বিএনপির দ্বন্দ্বে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। কিছু বিএনপি নেতাদের ইন্দনে আওয়ামী লীগের লোকজন আমাদের বাখননগরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটায়। এর আগেও বিএনপির তিনজন লোককে হত্যা করা হয়েছে। তারা পার্শ্ববর্তী চরাঞ্চল থেকে ভাড়াটে সন্ত্রাসী এনে এসব অপকর্ম চালান। তিনি আরও বলেন, বাখননগর থেকে লোকজন বিএনপির সব সভায় যায়। এই অপরাধে তারা আজকে এসে এই হত্যাকাণ্ড ঘটায়। নরসিংদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম আর আল মামুন বলেন, স্থানীয় দ্বন্দ্বের জেরে এ হত্যার ঘটনা ঘটেছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমিনুর রহমান সাদী/এএমকে
নরসিংদীর চরাঞ্চলে গুলি করে যুবককে হত্যা
নরসিংদীর চরাঞ্চলে গুলি করে যুবককে হত্যা Advertisement নরসিংদী প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৭ আগস্ট ২০২৬, ০২:২২ এএম সুমন মিয়া। ছবি: সংগৃহীত নরসিংদীর দূর্গম চরাঞ্চল আলোকবালীতে সুমন মিয়া (২৩) নামে এক যুবককে গুলি করে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা। বৃহস্পতিবার রাতে আলোকবালী ইউনিয়নের বাখননগর এলাকায় এই হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটে। এঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। নিহত সুমন মিয়া বাখননগর গ্রামের বাতেন মিয়ার ছেলে। সে আলোকবালী ইউনিয়ন কৃষকদলের সাবেক সভাপতি কাইয়ুম মিয়ার ভাতিজা। নিহতের স্বজনরা জানায়, নিহত সুমন মিয়া ও তার বোন সোনিয়া বাড়ির অদূরে নদীর পাড়ে দাঁড়িয়ে ছিলো। ওই সময় ১০ থেকে ১৫ জন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী সুমনকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে টেনে হিচঁরে নিয়ে যায়। পরে বাখননগর বাজারের একটি চা স্টলের সামনে নিয়ে তাকে এলোপাথারী গুলি করে ফেলে যায়। পরে গুরুত্বর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে নরসিংদী সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কতর্ব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ভাইয়ের মৃত্যুতে হাসপাতালে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন নিহতের বোন সোনিয়া। তিনি বলেন, আমার ভাই কয়েকদিন পর বিদেশে চলে যাবে। তার স্ত্রী গর্ভবতী, সে কোন দল করে না। তার কোন শত্রুতা নেই। কিন্তু হাবি, মিটুল, মাইনুদ্দিন,কালা আমার ভাইকে ধরে নিয়ে মেরে ফেলে। আমার ভাইয়ের সন্তানদের কি হবে? আমি আমার ভাইয়ের খুনিদের ফাঁসি চাই। আলোকবালী ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব জয়নাল আবেদিন সরকার বলেন, মূলত আওয়ামীলীগ ও বিএনপির দন্ধে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। কিছু বিএনপি নেতাদের ইন্দনে আওয়ামীলীগের লোকজন আমাদের বাখননগরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটায়। এর আগেও বিএনপির ৩ জন লোককে হত্যা করা হয়েছে। তারা পাশ্ববর্তী চরাঞ্চল থেকে ভাড়াটে সন্ত্রাসী এনে এই সব অপকর্ম চালায়। তিনি আরও বলেন, বাখননগর থেকে লোকজন বিএনপির সব সভায় যায়। এই অপরাধে তারা আজকে এসে এই হত্যাকাণ্ড ঘটায়। নরসিংদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম আর আল মামুন বলেন, স্থানীয় দ্বন্ধের জেরে এ হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
