ঝিনাইদহে জামায়াত-বিএনপি সংঘর্ষে কৃষক দলের নেতা নিহত, আহত ৭

AI-classifiedconfidence 90%

Why this classification

This is a real, recent physical clash in Jhenaidah between Jamaat and BNP supporters in which a BNP-linked farmers' leader died and at least 8 people from both sides were injured. The article describes a specific incident, not a reaction or a summary of many incidents, and the two sides dispute who started the fight.

Reported by:SamakalSingle source
13/03/26•মাধবপুর গ্রাম, গান্না ইউনিয়ন, ঝিনাইদহ সদর

Killed

1

Injured

8

Summary

ঝিনাইদহ সদর উপজেলার গান্না ইউনিয়নের মাধবপুর গ্রামে ১৩ মার্চ ২০২৬ (শুক্রবার) জামায়াতের ইফতার অনুষ্ঠান ঘিরে জামায়াত ও বিএনপির কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে কৃষক দল নেতা তরু মিয়া (৪৮) গুরুতর আহত হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যান, এবং উভয় পক্ষের অন্তত ৮ জন আহত হন। ঘটনার পর এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে এবং পুলিশ, র‍্যাব ও সেনাবাহিনী টহল দিচ্ছে।

AI analysis

Category

Political Violence

Confidence

90% · severity 8

Perpetrator side

JamaatBNP

Victim side

BNPJamaat

Other actors

তরু মিয়া (৪৮), গান্না ইউনিয়ন কৃষক দলের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সাংগঠনিক সম্পাদক (নিহত)ড. হাবিবুর রহমান, ঝিনাইদহ সদর উপজেলা জামায়াতের আমিরমুন্সী কামাল আজাদ পান্নু, সদর থানা বিএনপির সভাপতিজুলফিকার আলী, গান্না ইউনিয়ন কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদকশেখ বিল্লাল হোসেন, ঝিনাইদহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন)আবু কালাম, নিহতের ভাগ্নে

Affected infrastructure

ইফতার অনুষ্ঠানের স্থান (জামায়াতের নারী শাখার আয়োজন)

Tags

Party Clash

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 8

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Jamaat, BNP

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: BNP, Jamaat

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 13/03/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Samakal · 14/03/26open original ↗

ঝিনাইদহে জামায়াত-বিএনপি সংঘর্ষে কৃষক দলের নেতা নিহত, আহত ৭

ঝিনাইদহে জামায়াত-বিএনপি সংঘর্ষে কৃষক দলের নেতা নিহত, আহত ৭ ঝিনাইদহ প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৪ মার্চ ২০২৬ | ০০:৩৫ ঝিনাইদহে জামায়াতের নারী কর্মীদের দোয়া মাহফিলে হামলার অভিযোগকে কেন্দ্র করে জামায়াত ও বিএনপির নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় আহত কৃষক দলের নেতা তরু মিয়া (৪৮) মারা গেছেন। শুক্রবার রাত ৮টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। এর আগে শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সদর উপজেলার গান্না ইউনিয়নের মাধবপুর গ্রামে জামায়াতের কর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষে তরু মিয়াসহ উভয় পক্ষের অন্তত ৮ জন আহত হন। পরে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তাদের ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হলে তরু মিয়ার অবস্থা শঙ্কটাপন্ন হওয়ায় তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়। নিহত তরু মিয়া মাধবপুর গ্রামের মৃত মনছুর আলীর ছেলে এবং গান্না ইউনিয়ন কৃষক দলের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। জানা যায়, মাধবপুর গ্রামে শুক্রবার জামায়াতের মহিলা শাখার পক্ষ থেকে ইফতারের আয়োজন করা হয়। দুপুরে ইফতারের আয়োজন নিয়ে নারী কর্মীদের সঙ্গে স্থানীয় বিএনপি নেতা-কর্মীদের বাগবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে মহিলা কর্মীদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বিএনপি কর্মীদের সংঘর্ষ বেধে যায়। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৮ জন আহত হয়। তাদের উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আহতদের মধ্যে বিএনপি কর্মী তরু মিয়াকে আশংকাজনক অবস্থায় ঢাকায় রেফার্ড করলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যায়। এদিকে তরু মিয়া নিহতের ঘটনায় এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। শুক্রবার রাতে নিহত তরু মিয়ার ভাগ্নে আবু কালাম জানান, মামার অবস্থা বেশি খারাপ হলে আইসিইউতে নেওয়া হয়। এর কিছুক্ষণ পরে সে মারা যায়। মরদেহ নিয়ে ঢাকা থেকে বাড়ির উদ্দেশে রওনা হয়েছি। এ বিষয়ে ঝিনাইদহ সদর উপজেলা জামায়াতের আমির ড. হাবিবুর রহমান জানান, জামায়াতের নারী কর্মীদের তালিম প্রোগ্রাম ও ইফতার অনুষ্ঠানে কোনো কারণ ছাড়াই হামলা চালায় বিএনপির নেতা-কর্মীরা। সে সময় জামাতের নেতা-কর্মীরা তার প্রতিরোধ করে। এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে আমরা দলীয়ভাবে নেতা-কর্মীদের নির্দেশনা দিয়েছি। এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা আমাদের সকলের দায়িত্ব। গান্না ইউনিয়ন কৃষকদলের সাধারণ সম্পাদক জুলফিকার আলী বলেন, ইফতার ও জামায়াতের বৈঠক নিয়ে গণ্ডগোল হয়। পরে স্থানীয়ভাবে মিটে যায়। সদর থানা বিএনপির সভাপতি মুন্সী কামাল আজাদ পান্নু বলেন, তরু মিয়া গান্না ইউনিয়ন কৃষক দলের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সাংগঠনিক সম্পাদক। আমরা এই হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানাই। আমাদের শান্তিপূর্ণ অবস্থান ছিল কিন্তু বিপরীত পক্ষ আচমকা তাদের ওপর হামলা করেছে। এর তীব্র নিন্দা জানাই। এই হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। এ বিষয়ে ঝিনাইদহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) শেখ বিল্লাল হোসেন বলেন, আহত তরু মিয়া ঢাকা মেডিকেলে মারা গেছেন। পুনরায় যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা যাতে না ঘটে সেই কারণে ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ, র্যাব ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা টহল দিচ্ছেন। সংঘর্ষের ঘটনাসহ সার্বিক ঘটনা ও পরিস্থিতি আমরা পর্যবেক্ষণ করছি। ঘটনায় যথাযথ আইনী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।