কমলগঞ্জে পুলিশকে পিটিয়েও মুচলেকায় ছাড়

AI-classifiedconfidence 88%

Why this classification

This is a single, recent incident in which armed attackers tried to abduct a 10-year-old child in Kamalganj on 8 May 2026, stabbing the child's aunt and beating her uncle. The attackers then assaulted police at the Shamshernagar police outpost and tore a police officer's uniform, which makes it a genuine violent incident rather than commentary or a statistical report.

Reported by:JugantorSingle source
08/05/26•শমশেরনগর পুলিশ ফাঁড়ি (পাইকপাড়া ভুঁইগাঁও এলাকা সংলগ্ন)

Killed

0

Injured

2

Summary

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে (০৮ মে ২০২৬) অস্ত্রের মুখে ১০ বছরের এক শিশুকে অপহরণের চেষ্টা করা হয়, বাধা দিতে গেলে শিশুটির চাচি ছুরিকাহত ও চাচা মারধরের শিকার হন। পরে শমশেরনগর পুলিশ ফাঁড়িতে অভিযুক্তরা পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে এক সদস্যের পোশাক ছিঁড়ে ফেলেন, এবং অভিযোগ উঠেছে পুলিশ তাদের মুচলেকায় ছেড়ে দিয়েছে।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

88% · severity 6

Perpetrator side

Unknown

Victim side

LocalsLaw Enforcement

Other actors

Child's mother Nazira Akhter Rosy (নাজিরা আক্তার রোজি)Nadira Akhter (maternal aunt of the child)Hired goons (ভাড়াটে সন্ত্রাসী)Kabir Ahmed Chowdhury (child's father)Akik Ahmed (child's uncle)Inspector (Investigation), Shamshernagar Police Outpost, Ruhul AminASP of Srimangal-Kamalganj Circle, Md. Wahiduzzaman Raju

Affected infrastructure

Police uniform (torn)

Tags

Domestic Violence

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 2

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals, Law Enforcement

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 08/05/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Jugantor · 10/05/26open original ↗

কমলগঞ্জে পুলিশকে পিটিয়েও মুচলেকায় ছাড়

ফাঁড়ি ইনচার্জের স্বজনপ্রীতি কমলগঞ্জে পুলিশকে পিটিয়েও মুচলেকায় ছাড় Advertisement কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১০ মে ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে যেন সিনেমার চিত্রনাট্যকেও হার মানাল এক অপহরণচেষ্টার ঘটনা। দিনদুপুরে অস্ত্রের মুখে ১০ বছরের শিশুকে তুলে নেওয়ার চেষ্টা, পুলিশের ওপর হামলা এবং শেষমেশ অপরাধীদের সসম্মানে মুক্তি-সব মিলিয়ে শমশেরনগর পুলিশ ফাঁড়ির ভূমিকা এখন টক অব দ্য টাউন। জানা যায়, শুক্রবার জুমার নামাজের সময় যখন সব পুরুষ মসজিদে, ঠিক তখনই শমশেরনগরের পার্শ্ববর্তী পাইকপাড়া ভুঁইগাঁও এলাকায় কবির আহমেদ চৌধুরীর বাড়িতে হানা দেয় একদল সন্ত্রাসী। আদালতের রায়কে তোয়াক্কা না করেই শিশু নেহা চৌধুরীকে অস্ত্রের মুখে তুলে নেন তার মা নাজিরা আক্তার রোজি ও খালা নাদিরা আক্তারসহ ভাড়াটে সন্ত্রাসীরা। এ সময় শিশুটির চাচি বাধা দিলে তাকে ছুরিকাঘাত ও চাচা আকিক আহমেদকে মারধর করা হয়। তবে পালানোর সময় স্থানীয় জনতা শমশেরনগর পুলিশ ফাঁড়ির সামনে অপহরণকারীদের গতিরোধ করে শিশুটিকে উদ্ধার করে ফাঁড়িতে নিয়ে যায়। নাটকীয়তার তখনও বাকি ছিল। পুলিশের উপস্থিতিতেই নাজিরা ও তার সঙ্গীরা রণমূর্তি ধারণ করেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকেও ছড়িয়ে পড়েছে এ ঘটনার ভিডিও। ভিডিও ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, পুলিশ ফাঁড়ির ভেতরে নাজিরা ও তার সঙ্গীরা কর্তব্যরত পুলিশের গায়ে হাত তোলেন এবং টানাহেঁচড়া করে এক পুলিশ সদস্যের পোশাক ছিঁড়ে ফেলেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, চরম বিশৃঙ্খলার মধ্যেও অপরাধীরা ছিল বেপরোয়া। এত বড় ঘটনার পরও অপরাধীদের কোনো আইনি ব্যবস্থার মুখোমুখি না করে শুধু মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়ায় জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে শমশেরনগর ফাঁড়ি পরিদর্শক (তদন্ত) রুহুল আমিনের বিরুদ্ধে। তার ও অপরাধীদের বাড়ি একই জেলায় হওয়ায় এবং অপরাধীদের একজনের সঙ্গে সাবেক এক পুলিশ সদস্যের আত্মীয়তা থাকায় তাদের আইনের আওতায় না এনে তিনি আপসের পথ বেছে নিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। শিশুর বাবা কবির আহমেদ চৌধুরী আক্ষেপ করে বলেন, ২০০৭ সালে নাজিরার সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হই। আমাদের দুটি সন্তানও রয়েছে। বিয়ের পর থেকেই নাজিরা তার বাবার বাড়িতে থাকছে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে একটি পারিবারিক অনুষ্ঠান থেকে আমার মেয়ে নেহাকে নিয়ে আসি। এরপর নেহা আর তার মায়ের কাছে ফিরতে চায়নি। এ ঘটনায় নাজিরা আমার বিরুদ্ধে মৌলভীবাজার আদালত ও কুলাউড়া থানায় পৃথক দুটি অপহরণ মামলা করেন। তবে উভয় ক্ষেত্রেই আদালত নেহার জবানবন্দি গ্রহণ করে তাকে আমার হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন। তিনি আরও বলেন, শুক্রবার সন্ত্রাসীদের হাতে অস্ত্র ছিল, তারা পুলিশের ওপর হামলা করল, অথচ ফাঁড়ি ইনচার্জ তাদের কিছুই করলেন না। তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, আইনের রক্ষকই যদি অপরাধীদের ঢাল হয়ে দাঁড়ায়, তবে আমরা কার কাছে যাব? অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে নাজিরা বলেন, আদালত কী, আর আইন কী। আমি কিচ্ছু মানি না! আমার মেয়েকে আমি নিবোই। পুরো ঘটনাটি নিয়ে শমশেরনগর পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক (তদন্ত) রুহুল আমিন বলেন, মৌখিক অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা শিশুটিকে উদ্ধার করে দিয়েছি। তবে পুলিশের ওপর হামলা এবং পোশাক ছিঁড়ে ফেলার ভিডিও ফুটেজের বিষয়টি তিনি কৌশলে এড়িয়ে যান। এ বিষয়ে শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. ওয়াহিদুজ্জামান রাজু বলেন, শিশুটির মায়ের সঙ্গে কিছু লোকজন ছিল, তাদের সঙ্গে পুলিশের বাগ্বিতণ্ডা হয়েছে, এ পর্যন্তই। তারা পুলিশের গায়ে হাত তোলেনি। তবে বিষয়টি আমি একটু খোঁজখবর নিয়ে দেখছি।