রামেক হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার
Why this classification
This is a single concrete incident in which the patient's sons became aggressive toward hospital interns after their mother died, and a soldier among them was beaten. The article's main focus is the interns' strike being withdrawn, but the physical altercation it describes is a real event within the 14-day window, so it qualifies as violence.
Killed
0
Injured
2
Summary
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে সোমবার রাতে (২০ এপ্রিল ২০২৬) রোগী জুলিয়ারা বেগমের মৃত্যুর পর তাঁর দুই ছেলে সেনাসদস্য সোহেল আলী ও জয় আলী চিকিৎসা অবহেলার অভিযোগ তুলে মারমুখী আচরণ করেন এবং ইন্টার্ন চিকিৎসকদের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়, এ সময় সেনাসদস্যকেও মারধর করা হয়। ঘটনার পর ইন্টার্ন চিকিৎসকরা ২৪ ঘণ্টা কর্মবিরতি পালন করেন এবং বুধবার (২২ এপ্রিল) তা প্রত্যাহার করেন।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
75% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 2
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals, Law Enforcement
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 20/04/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
রামেক হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার
রামেক হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার Advertisement রাজশাহী ব্যুরো প্রকাশ: ২২ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৫৫ পিএম ছবি: সংগৃহীত রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকরা ২৪ ঘণ্টা পর কর্মবিরতি প্রত্যাহার করেছেন। বুধবার (২২ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৯টায় হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ইনচার্জের কক্ষে সংবাদ সম্মেলন করে তারা কর্মবিরতি প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন। রোগীর স্বজনের সঙ্গে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার সকাল ৯টায় কর্মবিরতি শুরু করেন তারা। সংবাদ সম্মেলনে ইন্টার্ন চিকিৎকরা দাবি করেন, যে রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা তার চিকিৎসায় কোনো অবহেলা করা হয়নি। ওই রোগীকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) নেওয়ার প্রয়োজন ছিল। এজন্য আইসিইউতে সিরিয়াল দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু অপেক্ষমাণ আরও রোগী থাকায় বেড পাওয়া যায়নি। যখন ওই রোগী মারা যান, তখন দায়িত্বরত ইন্টার্ন চিকিৎসক আরও দুজন মূমুর্ষু রোগীকে নিয়ে হিমশিম খাচ্ছিলেন। সোমবার রাতে হাসপাতালের ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় জুলিয়ারা বেগম (৫০) নামের ওই রোগী মারা যান। এরপর তার দুই ছেলে সেনাসদস্য সোহেল আলী (২৯) ও বিদ্যালয়ের নৈশপ্রহরী জয় আলী (২৪) অভিযোগ তোলেন, অবহেলার কারণে তাদের মায়ের মৃত্যু হয়েছে। তারা মারমুখী আচরণ করেছেন বলে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের অভিযোগ। এ সময় ওই সেনাসদস্যকেও মারধর করা হয়। পরবর্তীতে দুই ভাইকে পুলিশে তুলে দেওয়া হয়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাদের বিরুদ্ধে একটি মামলাও করে। এ মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে জয়কে আদালতে পাঠায় পুলিশ। আর সেনা আইনে বিচারের জন্য সোহেলকে সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়। সেনা হেফাজত থেকেই মঙ্গলবার মায়ের জানাজায় অংশ নেন সোহেল। আর জয় আলী আদালত থেকে জামিন নিয়ে জানাজায় অংশ নেন। তাদের বাড়ি রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার ধর্মহাটা গ্রামে। সংবাদ সম্মেলনে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ওয়ার্ডে মিড লেভেলের চিকিৎসকের উপস্থিতি নিশ্চিত করা, তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাসহ চারদফা দাবিতে তারা কর্মবিরতিতে গিয়েছিলেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সেসব দাবির ব্যাপারে ইতিবাচক। তাই তারা কর্মবিরতি প্রত্যাহার করছেন।
