চুরির অভিযোগে কিশোরকে হাত বেঁধে মারধর, ভিডিও ভাইরাল

AI-classifiedconfidence 90%

Why this classification

This is a single, concrete incident in Lakshmipur in which a 17-year-old was tied up and beaten with sticks by his brother and other local youths over suspected theft, with the video confirmed by police. It occurred on Saturday, 3 October 2026, which is within the recent window, so it qualifies as a violent attack.

Reported by:JugantorDhaka PostCorroborated · 2 sources
03/10/26•কেওড়াডুগি গ্রাম, চরআবাবিল ইউপি (Haidergonj area)

Killed

0

Injured

1

Summary

লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার কেওড়াডুগি এলাকায় চুরির অভিযোগে ১৭ বছর বয়সী কিশোর শান্ত মজুমদারকে হাত-পা বেঁধে লাঠি দিয়ে মারধর করা হয়, যার ভিডিও ৩ অক্টোবর (শনিবার) সন্ধ্যায় ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনায় কিশোরের ভাই অন্তর মজুমদারসহ কয়েক বখাটে যুবককে অভিযুক্ত করা হয়েছে এবং পুলিশ রাকিব হোসেন ও কাইয়ুমকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে।

AI analysis

Category

Mob Justice / Lynchings

Confidence

90% · severity 5

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

Shanto Majumder (17-year-old victim)Antor Majumder (victim's brother, accused)Local wayward youths (unnamed)Rakib Hossain (detained by police)Kayum (detained by police)Nizam Uddin Bhuiyan (OC, Raipur Thana)

Tags

Vigilante JusticeThief Caught

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 03/10/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Dhaka Post · 18/06/26open original ↗

মোবাইল চুরির অপবাদে ছাত্রাবাসে মেহেদীকে পিটিয়ে হত্যা, অভিযোগ পরিবারের

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে ফরিদ আহমেদ ভূঁইয়া একাডেমির ছাত্রাবাস থেকে মেহেদী হাসানের (১৪) মরদেহ উদ্ধারের ঘটনার দুই দিনেও মামলা হয়নি। আইফোন চুরির অপবাদে নির্যাতন চালিয়ে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে পরিবার অভিযোগ করেছে। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্তসহ আইনের আওতায় এনে বিচারের দাবিতে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দুপুরে রামগঞ্জ সরকারি কলেজ গেট থেকে বিক্ষোভ নিয়ে শহরের চৌরাস্তা এলাকায় মানববন্ধন করেছে শিক্ষার্থীরা। চৌরাস্তায় অবরোধ করে মানববন্ধন করায় লক্ষ্মীপুর-রামগঞ্জ-হাজীগঞ্জ ও রামগঞ্জ-চাটখিল সড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। জানা গেছে, এর আগে বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে নিহতের মরদেহ নিয়ে রামগঞ্জ থানা ঘেরাও করে এলাকাবাসী ও স্বজনরা। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে একই দিন ফরিদ আহমেদ ভূঁইয়া একাডেমি ৭ দিনের জন্য বন্ধ ঘোষণা করে বিবৃতি দেয় প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ খন্দকার আব্দুল মান্নান। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, নিহত মেহেদি রামগঞ্জ উপজেলার সোনাপুর বাজার এলাকার ব্যবসায়ী জিয়া উদ্দিনের ছেলে ও ফরিদ আহমেদ ভূঁইয়া একাডেমির অষ্টম শ্রেণির ‘খ’ শাখার ছাত্র ছিল। সে প্রতিষ্ঠানের আব্দুর রহমান হলে থাকত। মঙ্গলবার (১৬ জুন) বিকেলে ছাত্রাবাস থেকে মেহেদিকে ঝুলন্ত অবস্থা থেকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি করে রাতেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান গেট ও অভ্যর্থনা কক্ষ ভাঙচুর করে উত্তেজিত এলাকাবাসী। পরে পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ময়নাতদন্ত শেষে বুধবার বিকেলে মেহেদির দাফন সম্পন্ন হয়েছে। নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক দুইজন শিক্ষার্থী জানায়, দ্বাদশ শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর আইফোন হারিয়ে যায়। এতে সিনিয়ররা মেহেদীসহ কয়েকজনকে সন্দেহ করে। পরে তাদের মারধর করে। মেহেদির মা শারমিন আক্তার বলেন, একটি আইফোন হারিয়ে যাওয়ার ঘটনায় সন্দেহ করে আমার ছেলেসহ কয়েকজনকে মারধর করা হয়। ওই ঘটনার কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে। তাকে হত্যা করা হয়েছে। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই। ফরিদ আহমদ ভূঁইয়া একাডেমির জেষ্ঠ্য প্রভাষক শরিফুল ইসলাম বলেন, মেহেদীকে মারধরের অভিযোগে দ্বাদশ শ্রেণির কয়েকজন শিক্ষার্থীকে জিজ্ঞাসাবাদের প্রস্তুতি চলছিল। এর মধ্যেই খবর পাই মেহেদী গলায় ফাঁস দিয়েছে। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। রামগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ উদ্দিন চৌধুরী বলেন, শিক্ষার্থীর পরিবারকে মামলা করার জন্য বলা হয়েছে। কিন্তু কেউ থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়নি। তবে ঘটনাটি গুরুতের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। রামগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাজী আতিকুর রহমান বলেন, আমি শিক্ষার্থীর জানাজায় অংশগ্রহণ করেছি। এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। হাসান মাহমুদ/আরকে

Source 2: Jugantor · 04/10/26open original ↗

চুরির অভিযোগে কিশোরকে হাত বেঁধে মারধর, ভিডিও ভাইরাল

চুরির অভিযোগে কিশোরকে হাত বেঁধে মারধর, ভিডিও ভাইরাল Advertisement রায়পুর (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৩২ এএম চুরির অভিযোগে শান্ত মজুমদার নামে এক কিশোরকে বেঁধে মারধর করা হয়। মারধরের সেই ভিডিও শনিবার (৩ অক্টোবর) সন্ধায় ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। মারধরের শিকার ওই কিশোর বয়স ১৭ বছর। আহত কিশোরের বাড়ি লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার চরআবাবিল ইউপির দিঘলদি গ্রামে। এ ঘটনায় শনিবার সন্ধায় চরআবাবিল ইউপির দিঘলদি গ্রামের রাকিব হোসেন ও কাইয়ুম নামের দুই কিশোরকে আটক করে হাদয়রগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়িতে নিয়ে আসে পুলিশ কর্মকর্তারা। রায়পুর থানা-পুলিশ বলছে, গত কয়েকদিন ধরে এলাকায় বিভিন্ন জিনিষপত্র চুরির অভিযোগে কেওড়াডুগি এলাকায় ওই কিশোর শান্ত মজুমদারকে আটক করে হাত-পা বেঁধে লাঠি দিয়ে মারধর করে তারই ভাই অন্তর মজুমদারসহ এলাকায় কয়েক বখাটে যুবক। স্থানীয় কেওড়াডুগি গ্রামের কয়েকজন বাসিন্দার দাবি, প্রায় এক মাস আগে হায়দরগঞ্জ বাজারের পাশে কেওড়াডুগি গ্রামে মানুষের বাড়ি ও দোকানে রাতে চুরি করে ওই কিশোর। এলাকার লোকজন বিষয়টি জানতে পেরে কিশোরকে আটক করে হাত-পা বেঁধে লাঠিসোঁটা দিয়ে পেটান তারই ভাইসহ কয়েকজন বখাটে যুবক। এ ঘটনার ১ মিনিট ৩২ সেকেন্ডের একটি ভিডিও ফুটেজ ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। এতে দেখা যায়, হাত বাঁধা অবস্থায় কিশোরকে বেঁধে মারধর করছেন কয়েকজন। জাকির হোসেন নামে স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, হাত বেঁধে কিশোরকে মারধরের ভিডিওটি দেখেছেন। প্রকাশ্যে এভাবে নির্যাতন, আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া কাম্য নয়। এদিকে খবর পেয়ে হায়দরগঞ্জ ফাঁড়ি-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে জানতে পারে এই চুরির সঙ্গে ওই কিশোরের জড়িত। তবে কোনো ধরনের চোরাই মাল উদ্ধার করা হয়নি। মারধরের ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে মুঠোফোনে অভিযুক্ত কিশোর বলে, ‘আমি কোনো চুরির সঙ্গে জড়িত নই। বিনা অপরাধে আমার ওপর চুরির দায় চাপানো হইতাছে। বিনা কারণে শুধু সন্দেহ কইরা বেঁধে মারধর করা হইছে। হাত বেঁধে মারধরের ঘটনা আজকে শনিবারের। বিনা কারণে তাকে মারধর করে সেই ভিডিও ফেসবুকে ছেড়ে দিয়ে চোর বানানো হয়েছে। সমাজে তাদের হেয় প্রতিপন্ন করা হচ্ছে। অথচ কোনো চুরির সঙ্গে সে জড়িত নয়। রায়পুর থানার ওসি নিজাম উদ্দীন ভুইয়া বলেন, হাত বেঁধে মারধরের ভিডিওটি তিনি দেখেছেন। কয়েকদিন ধরে এলাকায় চুরি হওয়ায় তারই ভাইসহ স্থানীয় কয়েক যুবক আটক করে কিশোর শান্ত মজুমদারকে মারধর করে। এঘটনায় দুই যুবককে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।