ভুলে চ্যালেঞ্জ করেছি, ক্ষমা না করলে গ্রেফতার করিয়েন
Why this classification
The article reports a recent physical clash on 3 October 2026 in Dhamrai between BNP demonstrators and Awami League representatives, meeting the criteria for violence within Bangladesh and within the 14‑day window.
Killed
0
Injured
0
Summary
৩ অক্টোবর ধামরাই, ঢাকা-তে বিএনপি বিক্ষোভ মিছিল এবং স্থানীয় আল-সদস্য তমিজ উদ্দিনের উপস্থিতিতে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের পর চেয়ারম্যান রমিজুর রহমান চৌধুরী রোমা ভিডিওতে ক্ষমা চেয়ে তমিজ উদ্দিনকে গ্রেফতার করার হুমকি দেন।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
85% · severity 3
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Awami League
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 03/10/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
ভুলে চ্যালেঞ্জ করেছি, ক্ষমা না করলে গ্রেফতার করিয়েন
এমপির কাছে ইউপি চেয়ারম্যানের ভিডিও বার্তা ভুলে চ্যালেঞ্জ করেছি, ক্ষমা না করলে গ্রেফতার করিয়েন Advertisement ধামরাই দক্ষিণ (ঢাকা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ আমার মা ভীষণ অসুস্থ। মাকে দেখতে বাড়িতে যাব। স্থানীয় সাংবাদিকদের নানা প্রশ্নের জবাবে আপনাকে চ্যালেঞ্জ করে ভুল করেছি। আমাকে ক্ষমা করে দেবেন। আর যদি ক্ষমা না করেন, তাহলে পুলিশ পাঠিয়ে গ্রেফতার করিয়ে দিয়েন। ফেসবুকে দেয়া এক ভিডিও বার্তায় আবেগঘন কণ্ঠে এভাবেই নিজের বক্তব্যের জন্য ক্ষমা চেয়েছেন ঢাকার ধামরাইয়ের সূতিপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রমিজুর রহমান চৌধুরী রোমা। ক্ষমা চাওয়ার ভিডিওটি ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। উল্লেখ্য, গত ৩ অক্টোরব ধামরাইয়ে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। ওই দিন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে স্থানীয় সংসদ-সদস্য তমিজ উদ্দিনকে উদ্দেশ্য করে সরাসরি মারামারির চ্যালেঞ্জ জানান চেয়ারম্যান রোমা। এ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। বিএনপির বিক্ষোভ মিছিলে হামলার অভিযোগে দায়ের করা মামলাকে কেন্দ্র করে সংসদ-সদস্য তমিজ উদ্দিনের সঙ্গে চেয়ারম্যান রোমার বিরোধ প্রকাশ্যে আসে। এদিকে সংসদ-সদস্যকে চ্যালেঞ্জ জানানোর পর উপজেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা রোমাকে আওয়ামী লীগের দোসর আখ্যা দিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেন। এদিকে, মামলায় এক আসামি গ্রেফতারের পর চেয়ারম্যান রোমাসহ তার অনুসারীরা আত্মগোপনে চলে যান। ফেসবুক ভিডিও বার্তায় চেয়ারম্যান রোমা দাবি করেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তিনি সর্বোচ্চ সংখ্যক মামলার আসামি হয়েও বিএনপির রাজনীতিতে যুক্ত ছিলেন। ধানের শীষে ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। তার ভাই বিসিএস ক্যাডার হলেও বিএনপি করায় আওয়ামী লীগ আমলে তার পদোন্নতি হয়নি। তিনি বলেন, তার বাবা বিএনপির প্রতিষ্ঠাকালীন উপজেলা সহসভাপতি ও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ছিলেন। তার পুরো পরিবার বিএনপির সঙ্গে যুক্ত। তুচ্ছ ঘটনায় তাকে আওয়ামী লীগ ট্যাগ দেওয়া হচ্ছে, এটি দুঃখজনক। এদিকে ইউপি চেয়ারম্যান রমিজুর রহমান চৌধুরী রোমাকে অপসারণের দাবিতে ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়েছে পৌর কৃষক দল। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বিক্ষোভ শেষে ওই আলটিমেটাম দেন নেতারা।
