আরাকান আর্মি নিয়ে গেল তিন নৌকাসহ ১৩ জেলেকে
Why this classification
An armed group, the Arakan Army, forcibly seized 13 fishermen and their three boats near Shahpori Island in Teknaf on Saturday, 28 March 2026. This is a violent armed seizure of civilians within Bangladesh's territory and the report is recent, so it qualifies as a violence incident, though no deaths or injuries were reported.
Killed
0
Injured
0
Summary
টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপের দক্ষিণে ২০২৬ সালের ২৮ মার্চ (শনিবার) মাছ শিকারের সময় মিয়ানমারের বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি তিনটি নৌকাসহ সাবরাং ইউনিয়নের ১৩ জেলেকে ধরে নিয়ে যায়। স্থানীয় পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসন বিষয়টি নিশ্চিত করেছে এবং তাদের উদ্ধারে বিজিবি ও কোস্টগার্ডের সঙ্গে যোগাযোগ চলছে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
85% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Arakan Army
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 28/03/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
শরীরে আঘাতের চিহ্ন নিয়ে ফিরলেন ১৪ জেলে
শরীরে আঘাতের চিহ্ন নিয়ে ফিরলেন ১৪ জেলে টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০১ এপ্রিল ২০২৬ | ০৮:১৬ | প্রিন্ট সংস্করণ মিয়ানমারের সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির হাতে অপহৃত কক্সবাজারের টেকনাফের ১৪ জেলে চার দিন পর মুক্ত হয়ে দেশে ফিরেছেন। গতকাল মঙ্গলবার রাত ১০টার পর তারা নৌকাযোগে টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপের পশ্চিম সৈকতে পৌঁছান। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার টেকনাফের নাফ নদসংলগ্ন নাইক্ষ্যংদিয়া এলাকা থেকে গুলি ছুড়ে জেলেদের নৌকাসহ আটক করে নিয়ে যায় আরাকান আর্মির সদস্যরা। চার দিন পর তারা ফিরে আসেন। তবে অভিযোগ উঠেছে, স্থানীয় দালালের মাধ্যমে প্রায় দুই লাখ টাকা মুক্তিপণ দেওয়ার পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। ফেরত আসা জেলেদের শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। জেলেদের ফিরে আসার বিষয়টি নিশ্চিত করে সাবরাং ইউনিয়ন পরিষদের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য আবদুল মান্নান বলেন, চার দিনের মাথায় রাতের আঁধারে নৌকায় করে আটক জেলেরা ফিরে এসেছেন। তবে তারা মুক্তিপণ দিয়ে ফিরেছেন কিনা, তা এখনও নিশ্চিত নয়। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ফেরত আসা জেলে রহিম উল্লাহ বলেন, ‘আমরা মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসেছি। খুবই খুশি লাগছে। আমাদের ধরে নিয়ে যাওয়ার পর ব্যাপক মারধর করা হয়েছে, খাবারও দেওয়া হয়নি। পরিবার ও স্থানীয়দের মাধ্যমে যোগাযোগের পর আমাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। টাকা দেওয়া হয়েছে কিনা, তা আমি নিশ্চিত নই।’ আরেক জেলে গিয়াস উদ্দিনের মা রশিদা খাতুন বলেন, ‘আমার তিন ছেলেসহ পরিবারের পাঁচজন ফিরে এসেছে। এর চেয়ে বড় আনন্দ আর কিছু হতে পারে না। তারা ফিরে আসায় আমরা দুশ্চিন্তামুক্ত হয়েছি। তবে তারা অসুস্থ হয়ে পড়েছে। সবার কাছে দোয়া চাই।’ ফেরত আসা জেলেরা হলেন রহিম উল্লাহ, মোস্তাফিজুর রহমান, ফরিদ হোসেন, রবিউল হাসান, মো. কালাম, হোসেন আহমদ, মীর কাশেম আলী, গিয়াস উদ্দিন, মো. সালাউদ্দিন, মো. মহিউদ্দিন, মলা কালু মিয়া, আবু তাহের, আবদুল খালেক ও জাবের মিয়া। তারা সবাই টেকনাফের সাবরাং ইউনিয়নের শাহপরীর দ্বীপ এলাকার বাসিন্দা। স্থানীয় জেলেদের তথ্যমতে, গত দুই বছরে অন্তত ৫০০ জেলেকে বিভিন্ন সময়ে আরাকান আর্মি ধরে নিয়ে গেছে। এর মধ্যে প্রায় ৩০০ জনকে ফেরত আনা সম্ভব হয়েছে। এর আগে গত ১৬ ফেব্রুয়ারি ৭৩ জেলে ফিরে আসেন। - বিষয় : - জেলে
আরাকান আর্মি নিয়ে গেল তিন নৌকাসহ ১৩ জেলেকে
আরাকান আর্মি নিয়ে গেল তিন নৌকাসহ ১৩ জেলেকে Advertisement টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৯ মার্চ ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপের দক্ষিণে মাছ শিকারের সময় তিন নৌকাসহ ১৩ জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে মিয়ানমারের বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি। নিয়ে যাওয়া জেলেদের সবাই সাবরাং ইউনিয়নের বাসিন্দা। আটক জেলেরা হলেন-মাঝেরপাড়া ও ডাঙ্গরপাড়ার বাসিন্দা মোস্তাফিজুর রহমান, ফরিদ হোসেন, রবিউল হাসান, মো. কালাম, হোসেন আহমদ, মীর কাশেম আলী, গিয়াস উদ্দিন, মো. সালাউদ্দিন, মো. মহিউদ্দিন, কালু মিয়া, আবু তাহের, আবদুল খালেক ও জাবের মিয়া। শনিবার শাহপরীর দ্বীপ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) সনজিৎ বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, দ্বীপের মাঝের পাড়া ও ডাঙ্গর পাড়ার তিন নৌকাসহ ১৩ জেলেকে নাফ নদীর জলসীমা অতিক্রম করায় আরাকান আর্মি ধরে নিয়ে গেছে। টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইনামুল হাফিজ নাদিম জানান, শাহপরীর দ্বীপের ১৩ জেলেকে আরাকান আর্মির সদস্যরা ধরে নিয়ে গেছে বলে স্থানীয়দের মাধ্যমে জানতে পেরেছি। তাদের উদ্ধারে বিজিবি ও কোস্টগার্ডের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।
