বিএনপি প্রার্থীর প্রধান সমন্বয়কের গাড়িতে হামলার অভিযোগ
Why this classification
This is a single, recent incident in which a vehicle carrying a BNP election campaign coordinator was allegedly attacked with stones on the night of 8 January 2026, and the glass was broken. The attack is disputed: police found no evidence of gunfire, and the accused parties deny involvement, so the confidence is moderate, though the report describes a concrete physical attack.
Killed
0
Injured
0
Summary
বৃহস্পতিবার (০৮ জানুয়ারি ২০২৬) রাত ১১টার দিকে সাতকানিয়ার বাজালিয়া বাস স্টেশন সংলগ্ন ভাঙা ব্রিজের কাছে বিএনপি প্রার্থীর প্রধান সমন্বয়ক এম এ হাশেম রাজুর গাড়িতে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে কাচ ভাঙার অভিযোগ উঠেছে। তবে পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে গোলাগুলির সত্যতা পাওয়া যায়নি এবং এলডিপি ও জামায়াত অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
60% · severity 4
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: LDP, Jamaat, Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 08/01/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
বিএনপি প্রার্থীর প্রধান সমন্বয়কের গাড়িতে হামলার অভিযোগ
চট্টগ্রাম-১৪ বিএনপি প্রার্থীর প্রধান সমন্বয়কের গাড়িতে হামলার অভিযোগ এম এ হাশেম রাজুর গাড়ি লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে সাতকানিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৯ জানুয়ারি ২০২৬ | ১৬:৪৯ | আপডেট: ০৯ জানুয়ারি ২০২৬ | ১৬:৫৬ চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ-সাতকানিয়া আংশিক) আসনে বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জসিম উদ্দীন আহমেদের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান সমন্বয়ক ও চন্দনাইশ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এম এ হাশেম রাজুর গাড়িতে হামলার অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে সাতকানিয়া উপজেলার কেরানীহাট-বান্দরবান মহাসড়কের বাজালিয়া ইউনিয়নের বাজালিয়া বাস স্টেশন সংলগ্ন ভাঙা ব্রিজের কাছে এ ঘটনা ঘটে বলে দাবি করা হয়। তবে এ ঘটনায় কারও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে জানতে এম এ হাশেম রাজুর মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। পরে তার পিএস মো. মহিউদ্দিন ফোনে বলেন, ‘বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় বৃহস্পতিবার রাতে সাতকানিয়া উপজেলার পুরানগড় ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের ব্যানারে দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এম এ হাশেম রাজু। ওই অনুষ্ঠান শেষে তিনিসহ আমরা বেশ কয়েকজন ফিরছিলাম। সাতকানিয়ার বাজালিয়া বাস স্টেশন সংলগ্ন ভাঙা ব্রিজের পূর্ব পাশে আমাদের গাড়ি লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করা হয়। এতে গাড়ির কাচ ভেঙে যায়। একই সময় আমরা তিন রাউন্ড গুলির শব্দ শুনতে পেয়েছি। এছাড়া ঘটনাস্থলের আশেপাশে আমরা অন্তত ৫০ জন লোককে দেখতে পেয়েছি।’ এদিকে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ঘটনাস্থলের পাশের এক বাসিন্দা বলেন, ‘এখানে এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেছে বলে আমার মনে হয় না। আর যদি ঘটেও থাকে আমরা আশপাশের বাসিন্দারা টের পেতাম। আশেপাশের সিসিটিভির ফুটেজ পর্যালোচনা করলে হামলার মূল রহস্য উদঘাটন হতে পারে।’ এ বিষয়ে আলহাজ জসিম উদ্দিন বলেন, ‘এম এ হাশেম রাজুকে বহনকারী গাড়িটি বাজালিয়া ভাঙা ব্রিজ পার হলে ওই গাড়ি লক্ষ্য করে পাথর নিক্ষেপ ও গাড়ির পেছন থেকে গুলি করা হয়। স্থানীয় এলডিপি ও জামায়াতের ৫০-৬০ জন রামদা ও কিরিচ নিয়ে হামলায় অংশ নেয়। এ সময় তারা আমার নাম ধরে আমি গাড়িতে আছি কিনা চিৎকার করতে থাকে। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়ের করব।’ চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) সাধারণ সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া শিমুল বলেন, ‘এ ঘটনাটি নিতান্তই তাদের ব্যক্তিগত ও সাজানো ঘটনা। এ রকম বিষয় নির্বাচনী মাঠের স্বাভাবিক পরিবেশকে ঘোলাটে করার অপকৌশল ও সাধারণ ভোটারদের বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা মাত্র। এ ঘটনায় এলডিপি, জামায়াত ও ১১ দলীয় জোটের কেউ জড়িত নয়।’ তিনি বলেন, ‘তাদের অভিযোগ কতটুকু সত্য ও গ্রহণযোগ্য তা আমরা জেনেছি। তবুও গোয়েন্দা সংস্থা, বিভিন্ন এজেন্সি ও পুলিশ প্রশাসন নিরপেক্ষ তদন্ত করলে থলের বিড়াল বের হয়ে আসবে।’ জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়ে উত্তর সাতকানিয়া সাংগঠনিক থানা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মো. ইলিয়াছ বলেন, ‘এ ঘটনায় জামায়াতের দূরতম সম্পর্ক নাই। অতীতেও জামায়াত এ রকম ঘটনায় জড়িত ছিল না; ভবিষ্যতেও থাকবে না।’ উল্লেখ্য, চট্টগ্রাম-১৪ আসনে জামায়াতে ইসলামী প্রথমে তাদের দলীয় প্রার্থী মনোনয়ন দেয়। পরে জোটগত কারণে জামায়াত তাদের প্রার্থী সরিয়ে নিলে এলডিপির প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক ওমর ফারুক মনোনয়ন পান। তিনি দলটির সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদের ছেলে। সাতকানিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মঞ্জুরুল হক বলেন, প্রাথমিক তদন্তে গোলাগুলির ঘটনার সত্যতা পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে এখনও কোনো অভিযোগ থানায় দায়ের হয়নি। তবুও ঘটনাটির অধিকতর তদন্তের জন্য আমরা কাজ করছি।
