সুফলভোগীদের গাছ কাটলেন ব্যবসায়ী
Why this classification
The article reports a concrete recent act of vandalism (tree cutting) by a businessman, which is a destructive act and thus qualifies as violence. The event occurred within the 14‑day window and took place in Bangladesh.
Killed
0
Injured
0
Summary
সোমবার শামসুল ইসলাম ও তার ছেলে গাছ কেটে ৮টি ইউক্যালিপটাস গাছ চুরি করে গুদামজাত করেন। উপজেলা সহকারী কমিশনার গাছের গুঁড়ি জব্দ করেন।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
95% · severity 2
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 15/06/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
সুফলভোগীদের গাছ কাটলেন ব্যবসায়ী
সুফলভোগীদের গাছ কাটলেন ব্যবসায়ী জয়পুরহাট প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৬ জুন ২০২৬ | ০৮:৩৮ | প্রিন্ট সংস্করণ কালাইয়ে সরকারি রাস্তায় সুফলভোগীদের লাগানো ৮টি ইউক্যালিপটাস গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে চাতাল ব্যবসায়ী শামসুল ইসলামের বিরুদ্ধে। খবর পেয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আব্দুল্লাহ আল মাহবুব ঘটনাস্থলে গিয়ে গাছের গুঁড়িগুলো জব্দ করেন। পরে অভিযুক্ত চাতাল ব্যবসায়ীর ছেলে গোলাম রব্বানীকে অফিসে নিয়ে আসেন। গতকাল সোমবার দুপুর ১টার দিকে পৌর শহরের মূলগ্রাম-হাটশেখা রাস্তায় এ ঘটনা ঘটেছে। বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে যে অবস্থায় গাছগুলো আছে, এমন মুচলেকা নিয়ে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়। ১৪ বছর আগে স্থানীয় বন বিভাগের সহযোগিতায় রূপায়ণ কৃষক সমবায় সমিতির সুফলভোগীরা রাস্তার দুই পাশে ইউক্যালিপটাসসহ বিভিন্ন জাতের গাছ লাগান। গাছগুলো বড় হয়েছে। চাতাল ব্যবসায়ী শামসুল ইসলাম সেখান থেকে ৮টি ইউক্যালিপটাস গাছ কেটে ফেলেন। কাটা গাছগুলো দ্রুত ট্রাকে নিয়েও যান। দুপুরের দিকে বেশ কয়েকটি গুল রাস্তার পাশে পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় লোকজন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানান। পরে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আব্দুল্লাহ আল মাহবুব ঘটনাস্থলে গিয়ে গাছ ও গুঁড়ি জব্দ করেন। রূপায়ণ কৃষক সমবায় সমিতির সভাপতি রেজাউল ইসলাম বলেন, গাছগুলো সমিতির। অথচ কাটলেন চাতাল ব্যবসায়ী শামসুল। নিজের জায়গায় গাছ দাবি করে কেটেছেন। গাছ কাটার সময় বাধাও দিয়েছি; শোনেননি। সুফলভোগীদের মারধর করতে এলে তখন প্রশাসনকে জানিয়েছি। প্রশাসন আসার আগেই বেশির ভাগ গাছের গুল ট্রাকে করে নিয়ে গেছেন। কয়েকটি রাস্তার পাশে পড়ে আছে। বগুড়া রেঞ্জের কালাই বন বিভাগের বন প্রহরী ইয়াসির আরাফাত বলেন, সুফলভোগীদের গাছ তদারকি করার দায়িত্ব আমাদের নয়। বিক্রির সময় শুধু বন বিভাগ দর নির্ধারণ করে দেয়। এর বাইরে কোনো কাজ নেই। গাছ কাটার কথা জানতে পেরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানিয়েছি। অভিযুক্ত শামসুল ইসলামের ছেলে গোলাম রব্বানী বলেন, জায়গা ও গাছ উভয়ই আমাদের, তাই কেটেছি। এখন সুফলভোগীরা অযাচিত গাছগুলো সমিতির বলে দাবি করছেন। জায়গার দলিলপত্র দেখিয়ে এবং কাটা গাছ না সরানোর শর্তে মুচলেকা দিয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিস থেকে চলে এসেছি। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আব্দুল্লাহ আল মাহবুব বলেন, অভিযুক্তকে না পেয়ে তাঁর ছেলেকে অফিসে আনা হয়েছিল। তিনি কাটা গাছ না সরানো এবং আর কোনো নতুন গাছ না কাটার শর্তে মুচলেকা দিয়েছেন। - বিষয় : - গাছ কাটা
