মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে যুবককে পিটিয়ে হত্যা

AI-classifiedconfidence 90%

Why this classification

A man was beaten and strangled to death by local residents at a village arbitration meeting on the night of 22 January 2026, and his body was sent for post-mortem. This is a concrete, recent killing carried out by a crowd, so it counts as violence.

Reported by:SamakalSingle source
23/01/26•রঙিলা বাজার এলাকা, মুলাইদ গ্রাম, তেলিহাটি ইউনিয়ন, শ্রীপুর

Killed

1

Injured

0

Summary

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার তেলিহাটি ইউনিয়নের রঙিলা বাজার এলাকায় (২০২৬-০১-২২) রাতে সালিশ বৈঠকে এক্সক্যাভেটর চালক নুরুজ্জামান খানকে (৩৫) পিটিয়ে ও শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসী এক নারীর গোসলের দৃশ্য মোবাইলে ধারণের অভিযোগে তাঁকে ধাওয়া করে সালিশে নিয়ে যায় এবং পরে তাঁকে তালাবদ্ধ কক্ষে রেখে মাতববররা সরে যান।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

90% · severity 9

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

Nurujjaman Khan (35), excavator operator (victim)Local residentsVillage elders (matabbar) who held the salish

Tags

LynchingVigilante Justice

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 23/01/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Samakal · 24/01/26open original ↗

মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে যুবককে পিটিয়ে হত্যা

গাজীপুরে সালিশে ডেকে চালককে পিটিয়ে ও শ্বাসরোধে হত্যা মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে যুবককে পিটিয়ে হত্যা চট্টগ্রামে যুবককে টুকরো করে ফেলা হলো খালে-ডাস্টবিনে সমকাল ডেস্ক প্রকাশ: ২৪ জানুয়ারি ২০২৬ | ০৯:০৩ | প্রিন্ট সংস্করণ ফরিদপুরে মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে রাজ্জাক মাতুব্বর (৪০) নামের এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। গতকাল শুক্রবার ভাঙ্গা পৌরসভার নওপাড়া গ্রামে ‘আলোর দিশা মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে’ এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি জানাজানি হলে ভর্তি থাকা ব্যক্তিরা কেন্দ্রের ভেতরে ভাঙচুর চালায়। পরে পুলিশ ও সেনাবাহিনী গিয়ে তাদের উদ্ধার করে। নিহত রাজ্জাক মাতুব্বর পৌরসভার পূর্ব হাসামদিয়া গ্রামের ছামাদ মাতুব্বরের ছেলে। ঘটনার পর মাদকসক্তি নিরাময় কেন্দ্রটির মালিক মিজানুর রহমানসহ কর্মরত সবাই পালিয়ে গেছে। সেখানে ভর্তি থাকা ৫০ জনকে উদ্ধারের পর ৩০ জনকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। অন্যদের ফরিদপুর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মাধ্যমে রিহ্যাবে পাঠিয়েছে প্রশাসন। নিহতের স্বজনরা জানান, গত মঙ্গলবার রাতে রাজ্জাককে আলোর দিশা নিরাময় কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়। সকাল ৯টার দিকে পরিবারকে জানানো হয়, তিনি অসুস্থ। খবর পেয়ে তারা ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে মরদেহ দেখতে পান। স্বজনদের অভিযোগ, কেন্দ্রের মালিক মিজানুর ও তার লোকজন রাজ্জাককে পিটিয়ে হত্যা করেছে। রাজ্জাকের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। সেসব স্থান থেকে রক্ত বের হচ্ছিল। ওই কেন্দ্রের অন্য রোগীদের অভিযোগ, বৃহস্পতিবার রাতে কেন্দ্রের লোকজন রাজ্জাককে বেধড়ক পেটায়। সকালে তার মৃত্যু হয়। জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক শিরীন আক্তার জানান, ভাঙ্গা এসিল্যান্ড ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাদরুল আলম সিয়ামের নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করা হয়েছে।  সালিশে চালককে হত্যা গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলায় সালিশ বৈঠকে নুরুজ্জামান খান (৩৫) নামের এক এক্সক্যাভেটর (ভেকু) চালককে পিটিয়ে ও শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। গত বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার তেলিহাটি ইউনিয়নের মুলাইদ গ্রামের রঙিলা বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ। নুরুজ্জামান ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলার সাইল্লাবাউলা গ্রামের মোহাম্মদ জাহের খানের ছেলে। দীর্ঘদিন ধরে রঙিলা বাজার এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করছিলেন তিনি।  স্থানীয় সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার বিকেলে এক নারীর গোসল করার দৃশ্য মোবাইল ফোনে ধারণ করার সময় দেখে ফেলে নুরুজ্জামানকে ধাওয়া করেন এলাকাবাসী। পরে স্থানীয়রা সালিশ বৈঠকে বসেন। এক পর্যায়ে তাকে পেটায় কয়েকজন। রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে একটি কক্ষে তালাবদ্ধ করে মাতবররা সরে যান।  যুবকের খণ্ডিত মরদেহ খালে-ডাস্টবিনে চট্টগ্রাম নগরে মো. আনিস (৩৮) নামে এক যুবকের খণ্ডিত হাত-পা উদ্ধারের পরদিন খাল থেকে মাথা উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল বিকেলে অক্সিজেন মোড়ের লোহারপুল শীতল ঝর্ণা খাল থেকে বিচ্ছিন্ন মাথাসহ শরীরের অন্যান্য খণ্ডিত অংশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নারীসহ চারজনকে আটক করেছে পুলিশ। নিহত যুবকের নাম মো. আনিস। তিনি রাউজান উপজেলার চিকদাইর গ্রামের হায়দার আলীর ছেলে।  পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, গত বৃহস্পতিবার রাতে নগরের বায়েজিদ বোস্তামি থানার পশ্চিম শহীদনগরের রংধনু গলি এলাকা থেকে পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় বিচ্ছিন্ন হাত-পা উদ্ধার করে পুলিশ। হাতের আঙুলের ছাপ যাচাই করে জাতীয় পরিচয়পত্রের সার্ভারে ছবিসহ আনিসের নাম-ঠিকানা পাওয়া যায়। ঠিকানা অনুযায়ী তাঁর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে ওই নারীর তথ্য পায় পুলিশ। ওই নারী ও তাঁর স্বজনদের আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এক পর্যায়ে আনিসকে হত্যার কথা স্বীকার করেন তারা। পরে তাদের নিয়ে অভিযান চালিয়ে তার শরীরের খণ্ডিত অংশ উদ্ধার করা হয়।  রেললাইনে যুবকের মরদেহ কুমিল্লার লালমাই রেলস্টেশন এলাকার রেললাইন থেকে শুক্রবার সকালে চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার এক যুবকের খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতের নাম আবদুল আজিজ (৩৪)। তিনি পটিয়ার খরনা ইউনিয়নের ওয়াহিদুর পাড়ার গ্রামের প্রয়াত আবদুল আলমের ছেলে। রেল পুলিশ জানায়, রেললাইনের ওপর গলাকাটা ও দুই হাত শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন অবস্থায় আজিজের মরদেহ উদ্ধার হয়। আজিজ একসময় ইসলামী ব্যাংকের কর্মকর্তা ছিলেন। চাকরিচ্যুত হওয়ার পর ঢাকার একটি ট্রাভেল এজেন্সিতে কর্মরত ছিলেন তিনি। আজিজের চাচাতো ভাই সফিউল বলেন, চাকরিচ্যুত ব্যাংককর্মীদের চাকরি ফেরত আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন আজিজ। এ কারণেই তাঁকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। (সংশ্লিষ্ট ব্যুরো ও প্রতিনিধির পাঠানো তথ্য) - বিষয় : - হত্যা