প্রধান শিক্ষককে লাঞ্ছিতের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

AI-classifiedconfidence 98%

Why this classification

This incident was classified as political violence in Joypurhat. It involved BNP against Awami League. Reported casualties: 0 killed and 1 injured. Reported by 1 source.

Reported by:JugantorSamakalCorroborated · 2 sources
20/08/26•Punot High School, Kalai

Killed

0

Injured

1

Summary

২০২৬ সালের ১৯ আগস্ট জয়পুরহাটের পুনট উচ্চবিদ্যালয়ে আওয়ামী লীগ নেতার উপস্থিতির জেরে বিএনপি কর্মী ইয়াসিন আলী ও তার সহযোগীরা প্রধান শিক্ষক মো. মতিয়ার রহমান ফকিরকে লাঞ্ছিত করেন। এই ঘটনার প্রতিবাদে ২০ আগস্ট শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে।

AI analysis

Category

Political Violence

Confidence

98% · severity 3

Perpetrator side

BNP

Victim side

Awami League

Other actors

Md. Motiyar Rahman FakirYasin AliAbdul Kuddus Fakir

Tags

Party Clash

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: BNP

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Awami League

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 20/08/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Samakal · 27/06/26open original ↗

প্রধান শিক্ষককে জুতাপেটার অভিযোগে বিএনপি নেতাকে শোকজ, তদন্ত কমিটি

প্রধান শিক্ষককে জুতাপেটার অভিযোগে বিএনপি নেতাকে শোকজ, তদন্ত কমিটি ছবি: সমকাল আক্কেলপুর (জয়পুরহাট) সংবাদদাতা প্রকাশ: ২৬ জুন ২০২৬ | ২১:৩৪ জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার রোয়াইড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে প্রধান শিক্ষক মো. আজাদুর রহমানকে জুতাপেটা ও লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বিএনপির এক নেতার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পাশাপাশি শুক্রবার সকালে সংবাদ সম্মেলন করে বিচার দাবি করেছেন ওই শিক্ষক। অভিযোগের পর অভিযুক্ত বিএনপি নেতাকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দিয়েছে দলটি। একই সঙ্গে ঘটনা তদন্তে পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। অভিযুক্ত ওই বিএনপি নেতা হলেন ইউনিয়ন বিএনপির ৯ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি হারুনুর রশিদ। শুক্রবার রাতে রুকিন্দীপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. আমিনুর রহমান (ছোয়াত) ও সাধারণ সম্পাদক আবু সাহেদ মো. শাহিদুল আকরাম সোহেলের সই করা পৃথক অফিস আদেশে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। শোকজ নোটিশে বলা হয়, গত ২১ জুন রোয়াইড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে প্রধান শিক্ষক মো. আজাদুর রহমানের সঙ্গে ইউনিয়ন বিএনপির ৯ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি হারুনুর রশিদের কথা-কাটাকাটি হয়। পরে ২৬ জুন প্রধান শিক্ষক সংবাদ সম্মেলন করেন। এ ঘটনায় হারুনুর রশিদকে তিন দিনের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। পৃথক অফিস আদেশে বলা হয়, প্রধান শিক্ষকের সংবাদ সম্মেলনের পর বিষয়টি ইউনিয়ন বিএনপির নজরে আসে। ঘটনার প্রকৃত তথ্য উদঘাটনের লক্ষ্যে সাত দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু সাহেদ মো. শাহিদুল আকরাম সোহেল বলেন, দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হতে পারে এমন যেকোনো ঘটনার বিষয়ে সাংগঠনিকভাবে ব্যাখ্যা নেওয়া এবং প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের জন্য শোকজ নোটিশ ও তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এর আগে শুক্রবার সকালে আক্কেলপুর প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে প্রধান শিক্ষক মো. আজাদুর রহমান অভিযোগ করেন, গত ২১ জুন বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে হারুনুর রশিদ বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষে প্রবেশ করে তাকে জুতাপেটা ও লাঞ্ছিত করেন। তিনি দাবি করেন, ওই দিন দুপুরে হারুনুর রশিদ, স্থানীয় বিএনপি নেতা শাহনেওয়াজ ও আতিয়ার রহমান এবং স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা মীর মো. আতিকুজ্জামান মুন বিদ্যালয়ে গিয়ে নির্বাচিত অভিভাবক সদস্যদের তালিকা পরিবর্তনের চাপ দেন। এতে আপত্তি জানালে হারুনুর রশিদ জুতা দিয়ে তাঁকে আঘাত করেন এবং হুমকি দেন। এ ঘটনায় তিনি আহত হন এবং চিকিৎসা নেন। প্রধান শিক্ষক জানান, ঘটনার পরদিন ২২ জুন তিনি আক্কেলপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগের অনুলিপি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছেও পাঠানো হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও অভিযোগ করেন, সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ইমরান হোসেন তাঁকে বান্দরবানে বদলির ভয় দেখিয়েছেন। তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করে ইমরান হোসেন বলেন, প্রধান শিক্ষক তাঁকে মারধরের বিষয়টি জানিয়েছেন এবং তিনি বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছেন। তবে বদলির হুমকি দেওয়ার অভিযোগ সঠিক নয়। অভিযোগ অস্বীকার করে হারুনুর রশিদ বলেন, ম্যানেজিং কমিটি গঠন নিয়ে কয়েকজন অভিভাবকের আপত্তির বিষয়ে আলোচনা করতে তিনি বিদ্যালয়ে গিয়েছিলেন। প্রধান শিক্ষককে জুতাপেটা বা লাঞ্ছিত করার অভিযোগ মিথ্যা, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং তার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার জন্য আনা হয়েছে। স্থানীয় বিএনপি নেতা শাহনেওয়াজ ও আতিয়ার রহমানও মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাদের দাবি, পরিস্থিতি শান্ত করতে তারা বিদ্যালয়ে গিয়েছিলেন। প্রধান শিক্ষক স্থানীয় এক যুবলীগ নেতাকে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি করার চেষ্টা করছিলেন। তারা শুধু এর বিরোধিতা করেছেন। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সিদ্দিকুর রহমান বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে তিনি অবগত আছেন এবং থানায় দেওয়া অভিযোগের অনুলিপি পেয়েছেন। যেহেতু অভিযোগটি পুলিশের তদন্তাধীন, তাই এ মুহূর্তে আলাদাভাবে কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগ নেই। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আশিক-উর-রহমান বলেন, অভিযোগের অনুলিপি তিনি পেয়েছেন। তবে এখনো সেটি বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করেননি। - বিষয় : - জয়পুরহাট - আক্কেলপুর - প্রধান শিক্ষক - লাঞ্ছিত - বিএনপি নেতা

Source 2: Jugantor · 21/08/26open original ↗

প্রধান শিক্ষককে লাঞ্ছিতের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

প্রধান শিক্ষককে লাঞ্ছিতের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ Advertisement কালাই (জয়পুরহাট) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২১ আগস্ট ২০২৬, ০৩:৩৫ পিএম ছবি যুগান্তর জয়পুরহাটের কালাই উপজেলার পুনট উচ্চবিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশে আওয়ামী লীগের এক নেতার উপস্থিতিকে কেন্দ্র করে প্রধান শিক্ষক মো. মতিয়ার রহমান ফকিরকে লাঞ্ছিত করার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছে শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সকাল ১০টায় বিদ্যালয় মাঠে অবস্থান নিয়ে তারা এ বিক্ষোভ করে। এ সময় প্রধান শিক্ষককে লাঞ্ছিত করার ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেফতারের দাবি জানায় শিক্ষার্থীরা। খবর পেয়ে কালাই উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মুনছুর রহমান বিদ্যালয়ে গিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন। পরে শিক্ষার্থীরা তার কাছে ইউএনওর কাছে দেওয়ার জন্য লিখিত অভিযোগ দেয়। এরপর তারা শ্রেণিকক্ষে ফিরে যায়। বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী বাদল হোসেন বলে, ‘অফিসে ঢুকে আমাদের স্যারকে চড় মারা হয়েছে। আমরা এ ঘটনার নিন্দা জানাই।’ বিদ্যালয় সূত্র জানায়, গত মঙ্গলবার সকাল ১০টার পর দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের নিয়ে বিদ্যালয়ে একটি সমাবেশের আয়োজন করা হয়। এতে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোসলেম উদ্দিনের সঙ্গে পুনট ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস ফকির উপস্থিত ছিলেন। সমাবেশের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়। এরই জেরে গত বুধবার সকালে পুনট ইউনিয়নের বিএনপির এক কর্মী ইয়াসিন আলী ২০ থেকে ২৫ জনকে সঙ্গে নিয়ে বিদ্যালয়ে যান। পরে আরও কয়েকজন ব্যক্তি কক্ষে ঢুকে প্রধান শিক্ষককে বাইরে নেওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষ থেকে বেরিয়ে এসে বিক্ষোভ শুরু করলে তারা বিদ্যালয় থেকে চলে যান। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রধান শিক্ষকের কক্ষে থাকা সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে লাঞ্ছিত করার দৃশ্য দেখা গেছে। ফুটেজে দেখা যায়, গতকাল বুধবার সকাল ১০টা ৫৩ মিনিটে প্রধান শিক্ষক কক্ষে বসে দাপ্তরিক কাজ করছিলেন। এ সময় লুঙ্গি পরা এক ব্যক্তি কক্ষে ঢুকে তার সঙ্গে কথা বলার একপর্যায়ে চড় মারেন। প্রধান শিক্ষক চেয়ার থেকে উঠে দাঁড়ালে ওই ব্যক্তি তাকে বাইরে নেওয়ার চেষ্টা করেন। পরে আরও ২০ থেকে ২৫ জন ব্যক্তি কক্ষে ঢুকে তাকে বাইরে নেওয়ার চেষ্টা করেন। বিদ্যালয়ের এক সহকারী শিক্ষক জানান, তাদের স্কুলের প্রধান শিক্ষক আওয়ামী লীগ মনোভাবাপন্ন। সে কারণেই তিনি পরিকল্পিতভাবে ফ্যাসিস্ট, জুলাই মামলার আসামি এবং আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল কুদ্দুসকে অভিভাবক সমাবেশে আসা ও অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ করে দিয়েছেন। তার উদ্দেশ্যই হয়তো ছিল স্থানীয় রাজনীতির মাঠে একটি হট্টগোলের ইস্যু তৈরি করা। প্রধান শিক্ষক মো. মতিয়ার রহমান ফকির বলেন, অভিভাবক সমাবেশে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোসলেম উদ্দিনের সঙ্গে তার নিকটাত্মীয় পুনট ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস ফকির এসেছিলেন। আমরা তাকে দাওয়াত করিনি। কে বা কারা সমাবেশের ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে দেন। গতকাল সকালে কক্ষে বসে কাজ করার সময় ইয়াসিন আলী গালিগালাজ করতে করতে এসে আমাকে লাঞ্ছিত করেন। তবে প্রধান শিক্ষককে চড় মারার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ইয়াসিন আলী। তিনি বলেন, এখন বিএনপি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায়। অথচ বিদ্যালয়ের অভিভাবক সমাবেশে বিএনপির কাউকে জানানোর প্রয়োজন মনে করেননি প্রধান শিক্ষক। ফ্যাসিস্ট ও জুলাই মামলার আসামি আওয়ামী লীগের নেতাকে ঠিকই অভিভাবক সমাবেশে দাওয়াত দেওয়া হয়েছে। এ কারণে প্রধান শিক্ষকের কাছে জবাব চাইতে যাওয়া হয়েছিল। কালাই উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মুনছুর রহমান বলেন, মঙ্গলবার পুনট উচ্চবিদ্যালয়ে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের নিয়ে সমাবেশের আয়োজন করা হয়। সেখানে একটি রাজনৈতিক দলের নেতার উপস্থিতি নিয়ে অসন্তোষ ছিল। কালাই ইউএনও তাকে বিষয়টি তদন্তের দায়িত্ব দিয়েছেন। কালাই থানার ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, পুনট উচ্চবিদ্যালয়ের অভিভাবক সমাবেশে আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল কুদ্দুস ফকির উপস্থিত ছিলেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রধান শিক্ষককে লাঞ্ছিত করা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় থানায় কেউ অভিযোগ করেননি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।