বিদেশ যেতে ব্যাকুল ছেলের কাণ্ড
Why this classification
The event is a violent assault and arson driven by personal extortion, with no involvement of political parties or motives, so it is not classified as political violence.
Killed
0
Injured
2
Summary
চামারুল্লাহ গ্রামে ১৮ জুলাই ২০২৬-এ জহিরুল ইসলাম তার বৃদ্ধ মা‑বাবাকে টাকা জোরপূর্বক দিতে না পারায় মারধর ও পোড়া‑ফোড়া করেন। স্থানীয় লোকজন তাকে আটক করে পুলিশে হস্তান্তর করেন।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
92% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 2
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 18/07/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
বিদেশ যেতে ব্যাকুল ছেলের কাণ্ড
বিদেশ যেতে ব্যাকুল ছেলের কাণ্ড জহিরুল ইসলাম নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৯ জুলাই ২০২৬ | ০০:১৪ | আপডেট: ১৯ জুলাই ২০২৬ | ০০:২২ ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলায় ভিক্ষুক মা-বাবাকে বিদেশে যাওয়ার টাকা দেওয়ার জন্য কিছু দিন চাপ দিয়ে আসছিলেন ছেলে। এত টাকা না দিতে পারায় তাদের মারধর এবং বাড়ির আসবাবপত্র ভাঙচুর করেছেন। এমনকি পরনের কাপড়চোপড় কেটে টুকরো টুকরো করে আগুনে পুড়িয়ে দিয়েছেন। স্থানীয় লোকজন খবর পেয়ে অভিযুক্ত ছেলেকে আটক করে পুলিশে দিয়েছেন। আজ শনিবার সকালে চণ্ডীপাশা ইউনিয়নের চামারুল্লাহ গ্রামে এই ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয়রা জানান, চামারুল্লাহ গ্রামের ভিক্ষুক দম্পতি আব্দুস সালাম ও রুমেলা খাতুন। তাদের ছেলে জহিরুল ইসলাম (২৪) নলকূপ মিস্ত্রির সহকারী হিসাবে কাজ করেন। তিনজনের আয়ে কোনোমতে সংসার চলছে। এরই মধ্যে হুমায়ুন নামে এক দালালের প্রলোভনে পড়ে জহিরুল কাজের জন্য রাশিয়া যেতে ব্যাকুল হয়ে ওঠেন। বিদেশ যাওয়ার টাকার জন্য বৃদ্ধ মা-বাবাকে চাপ দিতে থাকেন। ছেলের চাপে পড়ে দুই লাখ টাকা ঋণ করে জহিরুলের হাতে দেন তারা। পরে ওই টাকায় জহিরুলের পাসপোর্ট ও ঢাকায় নিয়ে মেডিকেল টেস্ট করান দালাল। এরপর আরও সাত লাখ টাকা দিতে হবে বলে চাপ দিতে থাকেন, অন্যথায় দুই লাখ টাকা মার যাবে বলেও জানান দালাল হুমায়ুন। এই বিপুল পরিমাণ টাকা জোগাড় করতে জহিরুল পুরোপুরি উন্মাদ হয়ে ওঠেন। মা-বাবাকে চাপ দিতে থাকলে তারা টাকা দিতে পারবেন না বলে বারবার অক্ষমতা প্রকাশ করেন। শনিবার সকালে জহিরুল ফের টাকার জন্য মা-বাবাকে চাপ দেন জহিরুল। টাকা না পেয়ে বৃদ্ধ মা-বাবাকে মারধর করেন তিনি। এক পর্যায়ে তাদের ধারালো দা দিয়ে কোপাতে শুরু করেন। প্রাণভয়ে বৃদ্ধ দম্পতি কোনোমতে ঘর থেকে বেরিয়ে চামারুল্লাহ বাজারে আশ্রয় নেন। এরপর বাড়ির আসবাবপত্র ভাঙচুর করেন জহিরুল। পরে এলাকাবাসী তাঁকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন। চামারুল্লাহ বাজারে মা রুমেলা খাতুন চোখের পানি মুছতে মুছতে জানান, তিনি নিজে ও তাঁর অসুস্থ স্বামী ভিক্ষা করে জহিরুলকে খাওয়ান। একটি চক্রের ফাঁদে পড়ে রাশিয়া যাওয়ার জন্য ব্যাকুল হয়ে গেছেন তাঁর ছেলে। কিন্তু তাদের পক্ষে বিদেশ যাওয়ার মতো টাকা জোগাড় করা সম্ভব না। তিনি বলেন, ‘আইজ তো টেহার লাইগা আমরারে মাইরা ফালতো চাইছিন। জানডা লইয়া দুইজনে কুনুমতে পালাইয়া আইতে পারলেও ঘরের সব ভাইঙ্গা চুইরা শেষে কইরা দিছে ছেড়াডা। আমরা অহন কই থাকবাম কিবায় চলবাম।’ এই ঘটনার খবর পেয়ে গা ঢাকা দিয়েছেন দালাল হুমায়ুন। বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাঁকে পাওয়া যায়নি। নান্দাইল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোজাহিদুল ইসলাম জানান, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্তকে আটক করেছে। পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পেলেই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
