ইরার কবরের সামনে কেঁদে ক্ষমা চাইছেন বাবা মনিরুল

AI-classifiedconfidence 90%

Why this classification

This is a single, specific incident in Sitakunda, Chattogram, in which a child was allegedly subjected to attempted rape and then killed by having her throat cut, with the death occurring on 2 March 2026 (within the 14-day window). The article also alleges that the victim's father was beaten at the police station, but the police deny this, and it is treated here as an allegation within the same case.

Reported by:SamakalSingle source
01/03/26•Sitakunda hills

Killed

1

Injured

0

Summary

সীতাকুণ্ডের দুর্গম পাহাড়ে ধর্ষণের চেষ্টার পর গলা কেটে শিশু জান্নাতুল নাইমা ইরাকে হত্যা করা হয়, যার মৃত্যু হয় ২ মার্চ ২০২৬ ভোরে। ইরার বাবা মনিরুল ইসলাম থানায় নির্যাতনের অভিযোগ করেছেন, যা সীতাকুণ্ড মডেল থানার ওসি অস্বীকার করেছেন।

AI analysis

Category

Gender-Based Violence

Confidence

90% · severity 8

Perpetrator side

Unknown

Victim side

Locals

Other actors

জান্নাতুল নাইমা ইরা (শিশু, নিহত)মনিরুল ইসলাম (ইরার বাবা)বাবু শেখ (মামলার আসামি)সীতাকুণ্ড মডেল থানার ওসি মহিনুল ইসলাম

Tags

RapeMurder

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 01/03/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Samakal · 06/03/26open original ↗

ইরার কবরের সামনে কেঁদে ক্ষমা চাইছেন বাবা মনিরুল

থানায় নিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ ইরার কবরের সামনে কেঁদে ক্ষমা চাইছেন বাবা মনিরুল জান্নাতুর নাইমা ইরা সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৬ মার্চ ২০২৬ | ০৯:৩২ | প্রিন্ট সংস্করণ চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের দুর্গম পাহাড়ে ধর্ষণের চেষ্টা ও গলা কেটে হত্যার শিকার শিশু জান্নাতুল নাইমা ইরার দাফন গত মঙ্গলবার তাদের গ্রামের বাড়ির পাশে হাম্মাদিয়া মসজিদ কবরস্থানে সম্পন্ন হয়েছে। তবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ইরার বাবা মনিরুল ইসলামকে ওই দিন পুলিশ থানায় নিয়ে যাওয়ায় মেয়েকে শেষ দেখাটাও দেখতে পারেননি তিনি। মেয়ের কবরে দিতে পারেননি মাটিটুকুও। সেই যন্ত্রণা এখন কুঁড়ে কুঁড়ে খাচ্ছে বাবা মনিরুলকে। স্বজনরা জানান, এখন প্রতিদিন সকালে কবরের পাশে গিয়ে মাটি ধরে কাঁদছেন তিনি। শেষ বিদায় না জানাতে পেরে মেয়ের কাছে বারবার ক্ষমা চাইছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার উপজেলার ছোট কুমিরা মাস্টারপাড়ায় ইরাদের গ্রামের বাড়িতে গিয়ে জানা যায়, মনিরুলের পরিবার চলে রিকশা ও ভ্যানগাড়ি চালিয়ে। ইরার অনুপস্থিতি স্বজনসহ প্রতিবেশীদেরও এখন কষ্ট দিচ্ছে। প্রতিবেশীরা সান্ত্বনা দিচ্ছেন ইরার বাবা-মা ও ভাইবোনদের। অঝোরে কাঁদছেন সত্তরোর্ধ্ব দাদি রহিমা বেগম। মনিরুল ইসলাম বলেন, রোববার রাতে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ চিকিৎসা শেষে যখন ইরাকে অপারেশন করতে নিয়ে যাচ্ছে, তখন আমি ওই রুমের সামনে ছিলাম। ওখান থেকে সীতাকুণ্ড থানা ও ডিবি পুলিশের দল আমাকে ধরে হাসপাতালের পাশে একটি কক্ষে নিয়ে যায়। ওখানে জিজ্ঞাসাবাদ করার পর সীতাকুণ্ড থানায় নিয়ে আসে। ওই দিন রাতে ১টা পর্যন্ত থানাতে ছিলাম। কথাবার্তা বলার পর আমার স্ত্রী রোকেয়া বেগম মামলা করল। ওই রাতেই ১টার পর আমি থানা থেকে ফিরে এসে আবার হাসপাতালে চলে যাই। স্থানীয়রা জানান, সোমবার ভোররাতে ইরা যখন মারা যায়, তখন চাচা রমিজ উদ্দিনসহ অনেকেই ওখানে উপস্থিত ছিলেন। সকালে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য বিভিন্ন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করছিল ইরার চাচা। তখন মনিরুল বাড়িতে ছিলেন। মঙ্গলবার দুপুর ২টার দিকে মনিরুল বাড়িতে মেয়ের লাশের জন্য অপেক্ষা করছিলেন। কিন্তু ৩টার দিকে সীতাকুণ্ড থানা পুলিশের আরেকটি দল এসে মনিরুলকে নিয়ে যায়। এর মধ্যেই বাড়িতে এসে পৌঁছায় ইরার লাশ। পরে মনিরুলের অনুপস্থিতিতেই জানাজা ও দাফন হয় ইরার। মনিরুল অভিযোগ করেন, মঙ্গলবার তাঁকে থানাতে নিয়ে ওসির কক্ষে নির্যাতন ও মারধর করা হয়।  এ বিষয়ে সীতাকুণ্ড মডেল থানার ওসি মহিনুল ইসলাম বলেন, আসামি বাবু শেখ মেয়ের বাবা ঘটনায় জড়িত বলায় তাকে থানায় ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছি। যেই মাত্র জড়িত আসামির বক্তব্য উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রমাণ পেয়েছি, তখনই মনিরুল ইসলামকে আমি মেয়ের জানাজায় অংশ নিতে গাড়িতে করে বাড়ি পৌঁছে দিয়েছি। মনিরুলকে থানায় মারধর নির্যতনের বিষয়টি অস্বীকার করেন তিনি। - বিষয় : - হত্যা