কার্যালয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীর হাতাহাতি, মারধর
Why this classification
The article reports a concrete physical altercation and assault inside a government office between a department official and an office assistant on October 13, 2026, resulting in injuries and medical treatment.
Killed
0
Injured
1
Summary
সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে ঘুষের টাকা লেনদেন ও অনিয়মের বিষয়ে জানতে চাওয়ায় উপজেলা মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তা কার্যালয়ে অফিস সহায়কের মারধরে আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কর্মকর্তা থানায় জিডি করেছেন এবং হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
95% · severity 3
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 13/10/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
কার্যালয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীর হাতাহাতি, মারধর
কার্যালয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীর হাতাহাতি, মারধর আফজাল হোসেন, সাইফুল ইসলাম তাহিরপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৪ অক্টোবর ২০২৬ | ০৮:৪১ | প্রিন্ট সংস্করণ তাহিরপুর উপজেলা মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তা আফজাল হোসেন নিজ কার্যালয়ে অফিস সহকারীর মারধরে আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ করা এক ভিডিও বার্তায় ওই কর্মকর্তা নিজেই এমন অভিযোগের কথা জানান। গতকাল মঙ্গলবার সকালে উপজেলা মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয়েই এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তা আফজাল হোসেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়ে তাহিরপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। তবে অফিস সহকারী সাইফুল ইসলাম মারধরের কথা অস্বীকার করে দাবি করেছেন। ঘটনা সম্পর্কে সাইফুল জানান, কর্মকর্তা আফজাল নিজেই তাঁর ওপর চড়াও হতে গিয়ে টেবিলের সঙ্গে ধাক্কা লেগে আঘাত পেয়েছেন। উপজেলা মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তা আফজাল হোসেনের দাবি, সম্প্রতি ঋণপ্রাপ্ত ২১ জন নারীর কাছ থেকে এক হাজার টাকা করে মোট ২১ হাজার টাকা উৎকোচ নেন অফিস সহকারী সাইফুল ইসলাম। সাইফুল তাহিরপুর সদর ইউনিয়নের চিকসা গ্রামের বাসিন্দা। বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চাইলে সাইফুল তাঁর ওপর চড়াও হন এবং শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন। আফজাল হোসেন আরও অভিযোগ করেন, সাইফুল নিয়মিত অফিসে আসেন না, দাপ্তরিক কাজে বাধা সৃষ্টি করেন এবং বহিরাগতদের এনে বেআইনিভাবে ঋণ দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করেন। অন্যদিকে সব অভিযোগ অস্বীকার করে অফিস সহকারী সাইফুল ইসলাম বলেন, উত্তর বীরনগর গ্রামের অধিবাসীদের সঙ্গে কর্মকর্তা আফজাল হোসেনের ঘুষের টাকা লেনদেন নিয়ে বিরোধ চলছিল। তিনি সে বিষয়ে জানতে চাইলে আফজাল হোসেন ক্ষিপ্ত হয়ে তাঁর ওপর চড়াও হতে তেড়ে আসেন। আত্মরক্ষার্থে তাঁকে ফেরাতে গেলে আফজাল নিজেই নিজের টেবিলের ওপর পড়ে গিয়ে আঘাত পান। এর আগে ঘটনার দিন সকালে উপজেলার উত্তর বীরনগর সততা মহিলা উন্নয়ন সমিতির সভাপতি শাহিমা বেগম ও সম্পাদক করবুল নেছা জানান, সোমবার তাদের সমিতি অফিস থেকে ২২ হাজার টাকা পায়। মঙ্গলবার সকালে কর্মকর্তা আফজাল হোসেন তাদের গ্রামে গিয়ে টাকার ভাগ চান। তাদের অভিযোগ, উত্তোলিত টাকা তিন ভাগ করে এক ভাগ সভাপতি, এক ভাগ সম্পাদক এবং এক ভাগ অফিসের জন্য দিতে বলা হয়। তারা এতে রাজি না হওয়ায় কর্মকর্তা ক্ষুব্ধ হয়ে স্থান ত্যাগ করেন। ঘটনার সার্বিক বিষয়ে সুনামগঞ্জ জেলা মহিলাবিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক এ কে এম রেজাউল আলম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, অফিস সহকারী সাইফুল অত্যন্ত বেপরোয়া, তাঁকে তিন-চারবার শোকজ করা সত্ত্বেও আচরণে কোনো পরিবর্তন আসেনি। অন্যদিকে কর্মকর্তা আফজাল হোসেনের বিরুদ্ধেও দুর্নীতি ও অসদাচরণের অভিযোগ রয়েছে। যেখানেই যান সেখানেই তিনি এসব কাণ্ড ঘটান এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদেরও আমলে নেন না। ওই কর্মকর্তা বলেন, তাদের এসব অনিয়মের বিষয় ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার অবহিত করা হয়েছে। সেখানে কী ঘটেছে এ ব্যাপারে বিস্তারিত খবর নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। - বিষয় : - মারধর
