ঢাকা মেডিকেলের ইএনটির বিভাগীয় প্রধানের ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন
Why this classification
This incident was classified as criminal violence in Dhaka. Parties reported: Prof. Md. Asadur Rahman, Unidentified attackers. Reported casualties: 0 killed and 1 injured. Reported by 4 sources.
Killed
0
Injured
1
Summary
রাজধানীর শান্তিনগরে পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের চেম্বার থেকে বের হওয়ার সময় ঢাকা মেডিকেল কলেজের অধ্যাপক মো. আসাদুর রহমানের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে চিকিৎসকদের বিভিন্ন সংগঠন কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে মানববন্ধন করেছে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
88% · severity 4
Parties involved
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 17/08/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (4 sources)
উচ্চবিত্তদের তথ্য সংগ্রহ করে ডলারে চাঁদা চাইত চক্রটি: ডিবি
উচ্চবিত্তদের তথ্য সংগ্রহ করে ডলারে চাঁদা চাইত চক্রটি: ডিবি দুই চিকিৎসকের ওপর হামলা গ্রেপ্তার সানি সাহা ও ফাতিন ইসরাক লাবিব সমকাল প্রতিবেদক প্রকাশ: ২৩ আগস্ট ২০২৬ | ১৬:৩০ | আপডেট: ২৩ আগস্ট ২০২৬ | ১৬:৪২ সমাজের উচ্চবিত্ত ব্যক্তিদের ব্যক্তিগত তথ্য-বাসার ঠিকানা, গাড়ির নম্বর, পেশা, চলাফেরা ও আর্থিক বিষয়-সংগ্রহ করত চক্রটি। পরে তাদের কাছে ডলারে চাঁদা দাবি করত। চাঁদা না দেওয়ায় আসাদুর রহমানের ওপর হামলা করা হয়। এই চাঁদা না দেওয়ায় অধ্যাপক ডা. এ কে এম আমিনুল হক ও অধ্যাপক ডা. মো. আসাদুর রহমানের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। রোববার ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) শফিকুল ইসলাম। তিনি জানান, হামলার মূল পরিকল্পনাকারীসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা-ওয়ারী বিভাগ। সাত সদস্যের এই চক্রের চারজন এখন গ্রেপ্তার। ডা. এ কে এম আমিনুল হক ও ডা. আসাদুর রহমানকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে অর্থ আদায়ের জন্য চক্রটি সানি নামে একজনকে দায়িত্ব দিয়েছিল। হামলায় অংশ নেওয়ার জন্য সদস্য সংগ্রহের দায়িত্ব ফাতিন ইসরাক লাবিবকে দেন সানি। সংবাদ সম্মেলনে শফিকুল ইসলাম বলেন, একটি চক্র সরকারি–বেসরকারি হাসপাতালের অন্তত পাঁচ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসককে টার্গেট করেছিল। তাঁদের মধ্যে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নাক, কান, গলা ও হেড–নেক সার্জারি বিভাগের অধ্যাপক মো. আসাদুর রহমান ও আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতালের ইন্টারনাল মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক এ কে এম আমিনুল হক ছিলেন। চক্রটি চিকিৎসকদের কাছে ডলারে চাঁদা দাবি করত। চাঁদা না দেওয়ায় আসাদুর রহমানের ওপর হামলা করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গত ২৭ জুলাই ধানমন্ডির ৪ নম্বর সড়কে পাঁচজন দুষ্কৃতকারী গাড়ি আটকে আনোয়ার খান মডার্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইএনটি মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক ডা. এ কে এম আমিনুল হককে হুমকি দেয়। এরপর গত ১৭ আগস্ট রাতে শান্তিনগরের পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রোগী দেখা শেষে বাসায় ফেরার পথে হামলার শিকার হন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নাক, কান, গলা ও হেড-নেক সার্জারি বিভাগের অধ্যাপক ডা. মো. আসাদুর রহমান। পুলিশ জানায়, চিকিৎসককে বহনকারী সিএনজির গতিরোধ করে হামলাকারীরা। এর কারণ জানতে চাইলে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে চিকিৎসককে সিএনজি থেকে টেনে-হিঁচড়ে নামিয়ে মারধর শুরু করে। একপর্যায়ে জীবন ওরফে আদিল চিকিৎসকের ডান চোখে গুরুতর আঘাত করে। অন্যরা তার মাথা, দুই চোখের ওপরসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে। এ সময় তাকে ভয়ভীতি ও হুমকিও দেওয়া হয়। এ ঘটনায় ডা. আসাদুর রহমান বাদী হয়ে পল্টন মডেল থানায় জীবন ওরফে আদিলসহ অজ্ঞাতনামা কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলার এজাহারে বলা হয়, ঘটনার কিছুদিন আগে একটি অপরিচিত নম্বর থেকে চিকিৎসকের মোবাইলে ফোন করে ১৫ হাজার মার্কিন ডলার চাঁদা দাবি করা হয়েছিল। হামলার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত করতে গোয়েন্দা নজরদারি ও তদন্ত শুরু করে ডিবি। এর ধারাবাহিকতায় শনিবার রাতে শনির আখড়ার গোয়ালপাড়া এলাকা থেকে সানি সাহাকে এবং খিলক্ষেতের নিকুঞ্জ-২ এলাকায় অভিযান চালিয়ে ফাতিন ইসরাক লাবিবকে গ্রেপ্তার করা হয়। ডিবির ভাষ্য অনুযায়ী, জিজ্ঞাসাবাদে সানি সাহা জানিয়েছেন, ২০২২ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত ওয়ার্ক পারমিট ভিসায় সিঙ্গাপুরের একটি প্রতিষ্ঠানে প্রজেক্ট ম্যানেজার হিসেবে কাজ করার সময় ২০২৩ সালে জান্নাত আলমগীর হোসেনের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। পরে আলমগীর তাকে মানি লন্ডারিংয়ের মাধ্যমে অর্থ উপার্জনের প্রস্তাব দেন। এতে বিভিন্ন সময়ে প্রায় পাঁচ কোটি টাকা বিনিয়োগ করে ক্ষতির মুখে পড়েন সানি। পরে তিনি বিভিন্ন অপরাধে জড়িয়ে পড়েন বলে ডিবি জানিয়েছে। ডিবি আরও জানায়, ২০২৪ সালের আগস্টে দেশে ফিরে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় জান্নাত আলমগীরের সঙ্গে দেখা করেন সানি। এ সময় সমাজের উচ্চবিত্ত ব্যক্তিদের ব্যক্তিগত তথ্য-বাসার ঠিকানা, গাড়ির নম্বর, পেশা, চলাফেরা ও আর্থিক বিষয়-সংগ্রহের দায়িত্ব দেওয়া হয় তাকে। পরে ডা. এ কে এম আমিনুল হক ও ডা. আসাদুর রহমানকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে অর্থ আদায়ের জন্য সানিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। এরপর হামলায় অংশ নেওয়ার জন্য সদস্য সংগ্রহের দায়িত্ব ফাতিন ইসরাক লাবিবকে দেন সানি। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, জিজ্ঞাসাবাদে ফাতিন ইসরাক লাবিব জানান, ঘটনার প্রায় আড়াই মাস আগে ফুড ডেলিভারির মাধ্যমে হামলার মূল পরিকল্পনাকারী সানি সাহার সঙ্গে তার পরিচয় হয়। পরিচয়ের কয়েক দিন পর নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় তাদের সরাসরি দেখা হয়। পরে ডা. আসাদুর রহমানের ওপর হামলার জন্য আবু বকর (১৮), রাতুল (১৯), ইবান (২২), জীবন (২১) ও সাব্বিরকে (১৮) এক লাখ টাকার বিনিময়ে তার সঙ্গে কাজ করতে বলেন ফাতিন। ডিবি জানায়, এ ঘটনায় ইবান ও জীবনকে আগেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। গ্রেপ্তার সানি সাহা ও ফাতিন ইসরাক লাবিবের বিরুদ্ধে ভাটারা থানায় অস্ত্র আইনে পৃথক মামলা করা হয়েছে।
ঢাকা মেডিকেলের ইএনটি বিভাগের প্রধানের ওপর হামলা, গ্রেপ্তার ১
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নাক, কান ও গলা (ইএনটি) বিভাগের প্রধান অধ্যাপক মো. আসাদুর রহমানকে মারধর করে রক্তাক্ত করেছে একদল হামলাকারী। সোমবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর শান্তিনগরের পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের চেম্বার থেকে বের হয়ে সিএনজি অটোরিকশায় ওঠার সময় এ হামলার শিকার হন তিনি। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পল্টন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তফা কামাল খান। তিনি জানান, হামলার ঘটনায় একটি মামলাও হয়েছে। ৫৫ বছর বয়সী অধ্যাপক আসাদুর রহমান বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এ চিকিৎসকের পক্ষ থেকে ঘটনার বিষয়ে কেউ কথা বলতে রাজি হননি। পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কর্মী রাশেদুল ইসলাম জানান, শান্তিনগরে পপুলারের তিন নম্বর ভবনে ব্যক্তিগত চেম্বার শেষে অধ্যাপক আসাদুর সিএনজি অটোরিকশায় করে মোহাম্মদপুরের বাসায় ফিরছিলেন। এ সময় চার-পাঁচজন ব্যক্তি অটোরিকশাটি থামিয়ে দেশি অস্ত্র দিয়ে তার ওপর হামলা চালান। এতে তার মাথা, চোখ ও নাকে আঘাত লাগে। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে কারা এবং কী কারণে অধ্যাপক আসাদুরের ওপর হামলা চালিয়েছে, সে বিষয়ে কোনো ধারণা দিতে পারেননি রাশেদুল। পল্টন থানার ওসি মোস্তফা কামাল খান বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তি পুলিশের কাছে দাবি করেছেন, একজন রোগীকে চিকিৎসা দেওয়াকে কেন্দ্র করে তার বন্ধু ও স্বজনরা অধ্যাপক আসাদুরের ওপর হামলা করেছেন। ওই রোগীকে ‘ভুল চিকিৎসা’ দেওয়া হয়েছে—এমন অভিযোগ থেকেই হামলা করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন গ্রেপ্তার ব্যক্তি। তিনি নিজেকে ওই রোগীর বন্ধু বলেও জানিয়েছেন। ওসি বলেন, ‘এটা রোগীর স্বজনদের বক্তব্য। তবে আমাদের মনে হয়েছে, এ বিষয়ে আরও তদন্তের প্রয়োজন। আমরা আরও কাজ করছি।’
অধ্যাপক ডা. আসাদুর রহমানের ওপর হামলার মামলায় আসামির রিমান্ড
ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের নাক, কান ও গলা বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. মো. আসাদুর রহমানের ওপর হামলার ঘটনায় করা মামলায় গ্রেপ্তার আসামি জীবন ওরফে আদিলের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন ঢাকার একটি আদালত। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুরে শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাসান শাহাদাত এ আদেশ দেন। এর আগে গত ১৯ আগস্ট এই আসামিকে দশ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্টন মডেল থানার উপ-পরিদর্শক মো. আতিকুজ্জামান। পরে আদালত আসামির উপস্থিতিতে শুনানির জন্য আজ দিন ধার্য করেন। এদিন শুনানির সময় তাকে আদালতে হাজির করা হয়। এসময় রাষ্ট্রপক্ষে ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন। তবে আসামি পক্ষে কোনো আইনজীবী ছিলেন না। মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, গত ১৭ আগস্ট শান্তিনগর এলাকার পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রোগী দেখা শেষে মোহাম্মদপুরের নিজ বাসায় যাওয়ার উদ্দেশে সেখান থেকে বের হন অধ্যাপক মো. আসাদুর রহমান। এ সময় পল্টন মডেল থানাধীন শান্তিনগর এলাকায় আসামি জীবন ওরফে আদিলসহ অজ্ঞাতপরিচয় ৫-৬ জন আসামি পূর্বপরিকল্পিতভাবে বেআইনিভাবে জনতাবদ্ধ হয়ে তার সিএনজির গতিরোধ করে। আসামিরা তাকে টেনেহিঁচড়ে সিএনজি থেকে বের করেন। এ সময় আসামি জীবন ওরফে আদিল তার ডান চোখে সজোরে ঘুষি মেরে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করেন। এ ঘটনায় ১৮ আগস্ট রাজধানীর পল্টন থানায় ডা. মো. আসাদুর রহমান বাদী হয়ে মামলা করেন। এনআর/জেডএস
ঢাকা মেডিকেলের ইএনটির বিভাগীয় প্রধানের ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন
ঢাকা মেডিকেল কলেজের অধ্যাপক মো. আসাদুর রহমানের ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন। আজ দুপুরে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারেছবি: প্রথম আলো ঢাকা মেডিকেল কলেজের নাক কান গলা ও হেড-নেক সার্জারি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক মো. আসাদুর রহমানের ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে চিকিৎসকদের দুটি সংগঠন। আজ বুধবার দুপুর ১২টায় রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সোসাইটি অব অটোল্যারিংগোলজিস্ট অ্যান্ড হেড–নেক সার্জনস অব বাংলাদেশ ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ শিক্ষক সমিতি যৌথভাবে এই মানববন্ধনের পালন করে। রাজধানীর শান্তিনগরের পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের চেম্বার থেকে বের হয়ে সিএনজি অটোরিকশায় ওঠার সময় গত সোমবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে হামলার শিকার হন অধ্যাপক মো. আসাদুর রহমান। মানববন্ধনে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসকদের সঙ্গে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (পিজি হাসপাতাল), জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট, শহীদ সোহ্রাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, মুগদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালসহ বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকেরা সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য দেন। হামলাকারীদের দ্রুত সময়ের মধ্যে গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়ে বক্তারা চিকিৎসক সুরক্ষা আইন বাস্তবায়ন করতে সরকারকে আহ্বান জানান। ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) মহাসচিব মো. জহিরুল ইসলাম শাকিল বলেন, হামলার ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গতকাল ড্যাবের সভাপতি পুলিশ কমিশনার ও আইজি মহোদয়ের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। তাঁরা আশ্বস্ত করেছিলেন, অচিরেই অন্যান্য আসামিদেরও গ্রেপ্তার করা হবে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও সচিবও এসেছিলেন এবং তাঁরাও সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারের আশ্বাস দিয়েছিলেন। মো. জহিরুল ইসলাম আরও বলেন, ‘আমাদের চিকিৎসকেরা যদি নিরাপত্তা না পান, আমাদের চিকিৎসকেরা যদি কাজের পরিবেশ না পান, বাংলাদেশের যে বর্তমান স্বাস্থ্যব্যবস্থা আছে, তা ভেঙে পড়বে।’ সোসাইটি অব অটোল্যারিংগোলজিস্ট অ্যান্ড হেড–নেক সার্জনস অব বাংলাদেশের আহ্বায়ক অধ্যাপক মো. মাজহারুল শাহীন বলেন, মৃত্যু প্রতিরোধ করতে পারবেন—এমন গ্যারান্টি দিয়ে চিকিৎসা করতে পারবেন না চিকিৎসকেরা, তাঁদের লব্ধ জ্ঞান দিয়ে রোগীকে সুস্থ করে তোলার জন্য চেষ্টা করবেন। বাংলাদেশের চিকিৎসক সমাজ বাংলাদেশের জন্মলগ্ন থেকে এখন পর্যন্ত এই কাজ করে যাচ্ছে ও ভবিষ্যতেও চালিয়ে যাবে। অধ্যাপক মো. মাজহারুল শাহীন আরও বলেন, চিকিৎসকদের সঙ্গে সাধারণ মানুষের যে ভুল–বোঝাবুঝি তৈরি হচ্ছে, সে জন্য ‘চিকিৎসক সুরক্ষা আইন’ এবং ‘রোগী সুরক্ষা আইন’ তৈরি হোক। কোনো চিকিৎসক দোষী হলে প্রচলিত আইন এবং বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের মাধ্যমে তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক। কিন্তু কোনো কারণে, বিনা কারণে, উসকানিমূলকভাবে বা বিনা প্ররোচনায় চিকিৎসকদের ওপর হামলা মেনে নেওয়া যায় না। মেডিকেল কলেজ শিক্ষক সমিতির যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক মো. জাকারিয়া-আল-আজিজ বলেন, ‘আমাদের ডাক্তারসমাজ ধ্বংস হচ্ছে। এখন কেউ ডাক্তারি পড়তে চায় না। আপনি যখন-তখন তাঁর গায়ে হাত দেবেন, কোনো বিচার হবে না—এই অরাজকতা চলতে দেওয়া যেতে পারে না। এই অরাজকতা আমাদের থামাতে হবে।’ প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন ঢাকাচিকিৎসকঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
