বান্দরবান সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণে নিহত ৩
Why this classification
This is a recent, single incident in which a landmine exploded on the Bangladesh border in Bandarban, killing three people, which counts as a fatal explosion. Locals believe it was planted by the Arakan Army, a Myanmar armed group, and the incident is reported as happening inside Bangladesh.
Killed
3
Injured
0
Summary
২০২৬ সালের ২৪ মে (রোববার) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম সীমান্তে শক্তিশালী স্থলমাইনের বিস্ফোরণে ৩ জন চাকমা শ্রমিক নিহত হন। স্থানীয়দের ধারণা, মিয়ানমারের বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির পোঁতা মাইনে এ ঘটনা ঘটেছে, যার ফলে সীমান্ত এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে।
AI analysis
Category
Terrorism / Extremist Attacks
Confidence
90% · severity 8
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 3
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Arakan Army (suspected)
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 24/05/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
বান্দরবান সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণে নিহত ৩
বান্দরবান সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণে নিহত ৩ Advertisement বান্দরবান দক্ষিণ ও নাইক্ষ্যংছড়ি প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৪ মে ২০২৬, ০৫:৪১ পিএম ফাইল ছবি বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম সীমান্তে শক্তিশালী স্থলমাইন বিস্ফোরণে ৩ চাকমা শ্রমিক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনার পর পুরো সীমান্ত এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। রোববার (২৪ মে) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সীমান্ত পিলার ৪১ ও ৪২-এর মধ্যবর্তী এলাকায়, সীমান্তের কিছুটা বাংলাদেশের অভ্যন্তরে এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিস্ফোরণের পর এলাকায় তিনজন আহত হওয়ার খবর দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। পরে স্থানীয়দের একটি উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। দুপুর আড়াইটার দিকে তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে তিনজনকে মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। নিহতরা হলেন- ঘুমধুম ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ভালুকিয়াপাড়া গ্রামের সুনইয়ং চাকমার ছেলে লেয়ারা (৪১), মৃত নিওমং চাকমার ছেলে অংকেমং (৫০) এবং অইমং চাকমার ছেলে চিংকা অং (৪০)। স্থানীয়দের ধারণা, সীমান্তে মিয়ানমারের বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরকান আর্মির পুঁতে রাখা শক্তিশালী এ স্থলমাইনের বিস্ফোরণেই তাদের মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে আরও জানা গেছে, নিহতরা ওই এলাকায় কলাবাগানে কাজ করতে গেলে এ দুর্ঘটনার শিকার হন। অপর একটি সূত্রে জানা যায়, চোরাই পণ্য পাচার কাজে জড়িত তারা। ওই দিন মাদকদ্রব্য আনতে গিয়ে এ ঘটনার কবলে পড়ে। নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. এনামুল হাসান এবং নাইক্ষ্যংছড়ি থানার ওসি মোজাম্মেল হক বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়ায় লাশ পৌঁছতে দেরি হচ্ছে। উদ্ধার তৎপরতা চলছে। ঘটনাস্থলে বিজিবি, চৌকিদারসহ স্থানীয়রা আছেন। স্থানীয় বাসিন্দারা সীমান্তসংলগ্ন ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় সাধারণ মানুষের চলাচলে সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানিয়েছেন। বিজিবির একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহসহ প্রয়োজনীয় কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।
