থানায় ঢুকে ওসিসহ পুলিশকে মারধর, জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে মামলা
Why this classification
This incident was classified as political violence in Gaibandha. Parties reported: Jamaat, Police. Reported casualties: 0 killed and 8 injured. Reported by 2 sources.
Killed
0
Injured
8
Summary
২৫ মার্চ ২০২৬ তারিখ রাতে গাইবান্ধার পলাশবাড়ী থানায় ঢুকে ওসিসহ আট পুলিশ সদস্যকে মারধর করেছে স্থানীয় যুব জামায়াত নেতা ও তার সঙ্গীরা। একটি দোকান বন্ধ করা নিয়ে তর্কের জেরে এই হামলার ঘটনা ঘটে এবং এ ঘটনায় আটজনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
90% · severity 5
Parties involved
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 8
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 25/03/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (4 sources)
থানায় ঢুকে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় জামায়াত নেতা গ্রেপ্তার
গাইবান্ধা থানায় ঢুকে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় জামায়াত নেতা গ্রেপ্তার মিজানুর রহমান মিজান গাইবান্ধা প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৭ মার্চ ২০২৬ | ১৭:২৪ | আপডেট: ২৭ মার্চ ২০২৬ | ১৭:২৭ গাইবান্ধার পলাশবাড়ী থানায় ঢুকে ওসিসহ ৮ পুলিশ সদস্যকে মরাপিটের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় মিজানুর রহমান মিজান (৩৫) নামে এক জামায়াত নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার দুপুরে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পলাশবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সারোয়ার আলম খান। এর আগে শুক্রবার ভোরে থানা পুলিশ ও ডিবি পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে পলাশবাড়ী উপজেলার গৃধারীপুর গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে। মিজানুর রহমান মিজান পলাশবাড়ী উপজেলা জামায়াতের পেশাজীবী বিভাগের বর্তমান সেক্রেটারি। তিনি উপজেলার গৃধারীপুর গ্রামের গোলাম মোস্তফার ছেলে। মিজানুর রহমান পলাশবাড়ী পৌর জামায়াতের সাবেক আমির ও পলাশবাড়ী উপজেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি ছিলেন। ২৫ মার্চ রাত ১০টার দিকে পলাশবাড়ী উপজেলা জামায়াতের যুব বিভাগের মাহমুদ হাসান পলাশের নেতৃত্বে একদল নেতাকর্মী একটি অভিযোগপত্র নিয়ে পলাশবাড়ী থানায় যান এবং তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ওসিকে চাপ দেন। এ সময় ওসির সঙ্গে কথাবার্তা ও তর্কবিতর্কের এক পর্যায়ে উপস্থিত জামায়াত নেতাকর্মীরা ওসিসহ পুলিশ সদস্যদের মারধর করেন। এতে ৮ পুলিশ সদস্য আহত হয়। এ ঘটনায় পলাশবাড়ী থানায় এজাহার নামীয় ৯ জন ও অজ্ঞাত আরও ১১ থেকে ১২ জনকে আসামি করে থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলার প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার রাতে তৌহিদুল ইসলাম কানন নামে যুব জামায়াতের এক নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পলাশবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সারোয়ার আলম খান বলেন, প্রধান আসামি যুব জামায়াতের বায়তুল মাল সম্পাদক মাহমুদ হাসান পলাশ ও গ্রেপ্তার মিজান একই সঙ্গে ছিলেন। পলাশকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তার করতে পুলিশের একধিক দল কাজ করছে।
পলাশবাড়ীতে থানায় ঢুকে পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে মামলা, আটক ১
গাইবান্ধার পলাশবাড়ী থানায় ঢুকে পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে ৯ যুব জামায়াতে ইসলামীর নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা করেছে পুলিশ। আজ বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) দুপুরে পুলিশ বাদী হয়ে পলাশবাড়ী থানায় এ মামলা করে। এ ঘটনায় তহিদুল ইসলাম কানন নামের এক যুব জামায়াতের কর্মীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পুলিশ জানায়, গতকাল বুধবার পলাশবাড়ী যুব জামায়াতের কয়েকজন নেতা-কর্মী একটি লিখিত অভিযোগ নিয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) কক্ষে প্রবেশ করেন। এ সময় ওসি সরোয়ার আলম খানকে অভিযোগটির গুরুত্ব বিবেচনা করে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য চাপ দেন। এ নিয়ে সরোয়ার আলম খান ও পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে যুব জামায়াত নেতা-কর্মীদের ব্যাপক বাগ্বিতণ্ডার সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে তাঁরা সরোয়ার আলম খানকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন। এ সময় থানার কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যরা এগিয়ে এলে উভয় পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি হয়। এতে সরোয়ার আলম, এক নারী কনস্টেবলসহ আট পুলিশ সদস্য আহত হন। অন্যদিকে যুব জামায়াতে ইসলামীর নেতা-কর্মীদের দাবি, পলাশবাড়ী থানার ওসি স্বৈরাচারের দোসর। থানায় কোনো মানুষ প্রতিকার চাইতে গেলে তিনি হয়রানি করেন। তাঁর বিরুদ্ধে নানা ধরনের অভিযোগ রয়েছে। তিনি একসময় আওয়ামী লীগের হয়ে কাজ করেছেন, বর্তমানে তিনি বিএনপির হয়ে কাজ করছেন। গতকাল একটি সত্য ঘটনা নিয়ে থানায় অভিযোগ নিয়ে গেলে তিনি হঠাৎ যুব জামায়াতের নেতা-কর্মীদের ওপর চড়াও হন এবং দুজনকে লাঞ্ছিত করেন। বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য তিনি বিএনপির কিছু নেতা-কর্মীকে ব্যবহার করছেন এবং যুব জামায়াতে ইসলামীর নেতা-কর্মীদের নামে একটি হয়রানি মামলা করেছেন। ঘটনার পর গাইবান্ধা-৩ (পলাশবাড়ী-সাদুল্লাপুর) আসনের সংসদ সদস্য আবু কাওসার নজরুল ইসলাম লেবু, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (সি সার্কেল) আবুল কাওছারসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।পলাশবাড়ী থানার ওসি সরোয়ার আলম খান বলেন, পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় ৯ জনকে আসামি করে থানায় একটি মামলা হয়েছে। আর একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
থানায় ঢুকে ওসিসহ পুলিশকে মারধর, জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে মামলা
সারাদেশ গাইবান্ধা থানায় ঢুকে ওসিসহ পুলিশকে মারধর, জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে মামলা জেলা প্রতিনিধি গাইবান্ধা ২৬ মার্চ ২০২৬, ১২:৪৭ অ+ অ- গাইবান্ধার পলাশবাড়ী থানায় ঢুকে যুব জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে ওসিসহ একাধিক পুলিশ সদস্যকে মারধরের অভিযোগে উঠেছে। এ ঘটনায় আটজনকে আসামি করে মামলা করেছে পুলিশ। একজনকে আটক করা হয়েছে। বিজ্ঞাপন বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে মামলা ও ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. শরীফ আল রাজীব। এর আগে গতকাল রাত ১০টার দিকে পলাশবাড়ী থানায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় জামায়াত নেতা মাহমুদুল হাসান পলাশসহ ৮ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করে পুলিশ। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল রাত ১০টার কিছু সময় আগে পলাশবাড়ী যুব জামায়াতের বায়তুল মাল সম্পাদক মাহমুদুল হাসান পলাশ কয়েকজন যুবককে সঙ্গে নিয়ে একটি অভিযোগ পত্রসহ পলাশবাড়ী থানায় যান এবং ওসির সঙ্গে কথাবার্তার এক পর্যায়ে তর্কবিতর্কের সৃষ্টি হয়। পুলিশের দাবি, যুব জামাতের নেতা থানা ওসিকে তাৎক্ষণিকভাবে অমীমাংসিত একটি খোলা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করতে বলেন। কিন্তু ওসি বিষয়টি করতে পারেন না এবং তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান। বিজ্ঞাপন তাতে সন্তুষ্ট না হয়ে ওই নেতা ওসিকে চাপ প্রয়োগ করতে থাকেন। এতেও শেষ পর্যন্ত ওসি রাজি না হলে ওই নেতাসহ তার সঙ্গে থাকা যুবকেরা ওসির ওপর চড়াও হন। এক পর্যায়ে ওসিকে আক্রমণসহ মারধর করেন। এসময় উপস্থিত পুলিশ সদস্যরা বাধা দিতে গেলে একাধিক পুলিশকে মারধর করা হয়। পরে আহত পুলিশ সদস্যরা পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেন। হামলায় নারীসহ ৮ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন বলে ওপর একটি সূত্রে জানা গেছে। এ ঘটনায় পুলিশের ওপর হামলায় জড়িত সন্দেহে তৌহিদুল ইসলাম নামে স্থানীয় এক গণমাধ্যমকর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। তৌহিদুল ইসলাম দৈনিক গণকন্ঠের পলাশবাড়ী উপজেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেন। এদিকে, ঘটনার পরেই পলাশবাড়ী থানায় যান গাইবান্ধা-৩ (সাদুল্লাপুর-পলাশবাড়ি) আসনের জামায়াতের এমপি নজরুল ইসলাম লেবু ও স্থানীয় জামায়াতের নেতাকর্মীরা। তারা সিসি ফুটেজ দেখে কারা অপরাধী তা শনাক্তের দাবি জানান। বিজ্ঞাপন পলশবাড়ি থানার আহত এএসআই রুহুল আমিন বলেন, সাড়ে ৯টার দিকে জামায়াত নেতা পলাশ মোবাইল ফোনে কধা বলতে বলতে থানায় প্রবেশ করে। এসময় তাকে বলতে শোনা যায় শিবিরের সবাই আসেন থানা ঘেরাও করতে হবে। এসবের এক পর্যায়ে আমি তাকে আটকাতে গেলে আমার হাতে ইট দিয়ে আঘাত করা হয়। ঘটনার সময় পলাশের সঙ্গে ৭ থেকে ৮ জন যুবক ছিলেন বলেও জানান তিনি। আহত পুলিশ সদস্যদের চিকিৎসা দেওয়া পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার আব্দুল্লাহ সোহাগ বলেন, রাত সোয়া ১০টার দিকে এএসআই রুহুল আমিন ও এসআই রাসেল সহ আহত সাতজন পুলিশ সদস্য চিকিৎসা নেন। তাদের মধ্যে কয়েকজনকে আউটডোরে চিকিৎসা দেওয়া হয় এবং কয়েকজনকে ভর্তি করা হয়েছে। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে গাইবান্ধা জেলা জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ রোকনুজ্জামান রোকন বলেন, আমাদের পরিষ্কার কথা, ওই ঘটনায় যারা জড়িত এবং অপরাধী তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক। তবে, অন্যায়ভাবে কাউকে যেন হয়রানি না করা হয়। গাইবান্ধার সহকারী পুলিশ সুপার (সি সার্কেল) এবিএম রশিদুল বারী বলেন, ঘটনাটি উপজেলা প্রশাসনের সরকারি যায়গার একটি দোকান নিয়ে। ওই দোকানটিকে কেন্দ্র করে এর আগে দুই পক্ষের মধ্যে মারামারি এবং মামলাও হয়েছে। এর মধ্যেই বিবাদী পক্ষ দোকানটি খোলেন। সেই বিষয় নিয়ে যুব জামাতের নেতা এসে ওসিকে প্রেসার দিয়ে দোকানটি বন্ধ করতে বলেন। ওসির পক্ষ থেতে দোকানটি উপজেলা প্রশাসনের এবং তিনি বন্ধ করতে পারেননা জানালেও তারা সেসব কথা না শুনে চড়াও হন। এক পর্যায়ে সংবদ্ধ হয়ে আসা ব্যক্তিরা ওসি সহ অন্যন্যা পুলিশ সদস্যের ওপর হামলা-মারধর করেন। এসময় সিসি ফুটেজ প্রকাশ প্রশ্নে তিনি বলেন, পর্যালোচনা চলছে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আরকে
থানায় ঢুকে ওসিসহ পুলিশ সদস্যদের মারধর, ৮ জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে মামলা
থানায় ঢুকে ওসিসহ পুলিশ সদস্যদের মারধর, ৮ জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে মামলা Advertisement গাইবান্ধা প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৬ মার্চ ২০২৬, ০২:৩৮ পিএম ফাইল ছবি গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে পৌর মালিকানাধীন দোকানের তালা খুলে না দেওয়ায় ওসিসহ-এসআইসহ ৮ পুলিশ সদস্যকে মারধর করেছে যুব জামায়াত নেতারা। এ ঘটনায় ৮ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেছে পুলিশ। বুধবার (২৫ মার্চ) রাত ১০টার দিকে পলাশবাড়ী থানায় এ ঘটনা ঘটে। পরে উপ-পরিদর্শক (এসআই) রুহুল আমিন বাদী হয়ে পলাশবাড়ি থানায় ৮ জামায়াত নেতাসহ অজ্ঞানামা কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। পলাশবাড়ী-গোবিন্দগঞ্জ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার রশিদুল বারী সাংবাদিকদের জানান, যুব জামায়াতের বায়তুল মাল সম্পাদক মাহমুদুল হাসান পলাশের নেতৃত্বে কয়েকজন যুবক বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে পলাশবাড়ী থানায় প্রবেশ করেন। তারা থানার ওসি সারোয়ারে আলমকে বিবাদমান একটি দোকান তালাবদ্ধ করতে বলেন। তিনি রাজি না হলে পলাশ ও তার লোকজন পুলিশের ওপর চড়াও হন। পরে মারধর করেন। এতে আহত হন ওসিসহ ও এসআইসহ ৮ পুলিশ সদস্য। পুলিশ সুপার বলেন, পৌরসভার মালিকানাধীন কালিবাড়ি বাজারে একটি দোকানের তালা লাগানোকে কেন্দ্র করে বিক্ষুদ্ধ যুব জামায়াত নেতারা পলাশবাড়ী থানায় ঢুকে ওসি সরোয়ারে আলম, এসআই রুহুল আমীনসহ কয়েকজন পুলিশ সদস্যকে মারধর করেন। খবর পেয়ে পলাশবাড়ী থেকে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে পরিস্থিতি শান্ত হয়। বিষয়টি শুনে পলাশবাড়ী উপজেলা জামায়াতের আমির আবু বক্কর সিদ্দিক থানায় এসে পৌঁছান। আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, সিসিটিভির ফুটেজ দেখে দলীয় কেউ জড়িত থাকলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আপনারা মামলা করতে পারেন। পলাশবাড়ি থানার ওসি সরোয়ার আলম জানান, অভিযুক্ত ৮ জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে এসআই রুহুল আমিন বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। শীঘ্রই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
