কিশোরগঞ্জে সালিশ শুরুর আগেই দুপক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৪০
Why this classification
All decision_trace checks passed and the incident was a physical clash between followers of political office holders, showing clear political affiliation; therefore it is classified as political violence.
Killed
0
Injured
40
Summary
কিশোরগঞ্জের মিঠামইনে হাওরে মাছ ধরা ও রিং জাল চুরির বিষয়টি নিয়ে বর্তমান ইউপি সদস্য হান্নান মিয়া ও সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুল লতিফের অনুসারীদের মধ্যে সংঘর্ষে কমপক্ষে ৪০ জন আহত হয়। আহতদেরকে আজমিরীগঞ্জ হাসপাতালসহ অন্যান্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
94% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 40
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 02/10/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
কিশোরগঞ্জে সালিশ শুরুর আগেই দুপক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৪০
কিশোরগঞ্জে সালিশ শুরুর আগেই দুপক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৪০ সংগৃহীত ছবি মিঠামইন (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০২ অক্টোবর ২০২৬ | ১৪:৩২ কিশোরগঞ্জের মিঠামইনে হাওরে মাছ ধরা ও রিং জাল চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে বর্তমান ও সাবেক ইউপি সদস্যের অনুসারীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৪০ জন আহত হয়েছেন। শুক্রবার সকাল ১১টার দিকে মিঠামইন উপজেলার বৈরাটি ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ইমামনগর গ্রামে ঘণ্টাব্যাপী এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হাওরে মাছ ধরা ও রিং জাল চুরি নিয়ে ইমামনগর গ্রামের বর্তমান এক ইউপি সদস্য হান্নান মিয়া ও সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুল লতিফের অনুসারীদের মধ্যে কিছুদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এ বিরোধ মীমাংসায় আজ সকালে বৈরাটি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান তাজুল ইসলামসহ গ্রামের ‘গণ্যমান্য’ ব্যক্তিরা সালিশের আয়োজন করেন। কিন্তু সালিশ শুরু হওয়ার আগেই দুই পক্ষের মধ্যে কথাকাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে গ্রামের সামনের মাঠে উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এতে দুই পক্ষের ৪০ জনের মতো আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য আজমিরীগঞ্জ হাসপাতালসহ অন্যান্য হাসপাতালে নিয়ে যান। বৈরাটি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান তাজুল ইসলাম বলেন, দুই পক্ষের বিরোধ মীমাংসার জন্যই আমি গ্রামে গিয়েছিলাম। কিন্তু উপস্থিত সালিশকারীদের সামনেই দুই পক্ষ কথাকাটাকাটি শুরু করে। একপর্যায়ে তারা মাঠে গিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। পরে গ্রামবাসীর চেষ্টায় সংঘর্ষ থামানো হয়। অষ্টগ্রাম সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মো. দিদারুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। এ ঘটনায় কোনো পক্ষই থানায় অভিযোগ দায়ের করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কিশোরগঞ্জে পর্যটকবাহী ট্রলারে ডাকাতির ঘটনায় গ্রেপ্তার ৩
কিশোরগঞ্জের মিঠামইনে হাওরে পর্যটকবাহী ট্রলারে ডাকাতির ঘটনায় ডাকাত দলের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ জুন) দুপুরে কিশোরগঞ্জ পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের হলরুমে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান। এর আগে, সোমবার জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও মিঠামইন থানা-পুলিশের যৌথ অভিযানে ঢাকার সাভার, কামরাঙ্গীরচর এবং মিঠামইন উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, মিঠামইন উপজেলার কাটখাল কাজীপাড়া গ্রামের মৃত ইসমাইল হোসেনের ছেলে মো. জুলহাস উদ্দিন, বজকপুর গ্রামের মো. হারেছ মিয়ার ছেলে এহসানুল হক এবং বড়কান্দা মধুপুর গ্রামের মধু মিয়ার ছেলে রুবেল মিয়া। পুলিশ সুপার জানান, গত ৭ জুন মিঠামইন উপজেলার হাসানপুর ব্রিজের দক্ষিণ পাশে করিমগঞ্জগামী একটি পর্যটকবাহী ট্রলারে ১০ থেকে ১২ সদস্যের একটি ডাকাত দল দেশীয় অস্ত্রের মুখে যাত্রীদের জিম্মি করে ডাকাতি চালায়। এ ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার তদন্তে তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা, পাঁচটি মোবাইল ফোন, একটি রামদা, একটি লোহার রড এবং ২০টি বল্লম উদ্ধার করেছে পুলিশ। পুলিশ সুপার আরও জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় চুরি, মাদকসহ একাধিক মামলা রয়েছে। তাদের আদালতে সোপর্দের প্রক্রিয়া চলছে। এএমকে
