টেকনাফ সীমান্তে চোরাকারবারি-বিজিবির গোলাগুলি, ৯ লাখ ৮০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার
Why this classification
Armed smugglers opened fire on a BGB border patrol in Teknaf on 18 February 2026, and BGB returned fire, which makes this a concrete armed clash. No deaths or injuries were reported, and 980,000 Yaba pills were seized.
Killed
0
Injured
0
Summary
১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ভোরে কক্সবাজারের টেকনাফের হ্নীলা ও হোয়াইক্যং এলাকায় সীমান্ত পেরিয়ে আসা চোরাকারবারিদের সঙ্গে বিজিবির গোলাগুলি হয়। চোরাকারবারিরা গুলি ছুড়লে বিজিবি আত্মরক্ষায় ফাঁকা গুলি ছোড়ে, পরে মোট ৯ লাখ ৮০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
90% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Law Enforcement
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 18/02/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
টেকনাফ সীমান্তে চোরাকারবারি-বিজিবির গোলাগুলি, ৯ লাখ ৮০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার
টেকনাফ সীমান্তে চোরাকারবারি-বিজিবির গোলাগুলি, ৯ লাখ ৮০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার ছবি: সংগৃহীত টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ১৯:৪৭ | আপডেট: ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ১৯:৫৬ কক্সবাজারের সীমান্তবর্তী টেকনাফের হ্নীলা ও হোয়াইক্যং এলাকায় পৃথক দুটি স্থানে চোরাকারবারিদের সঙ্গে বিজিবির গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে ৯ লাখ ৮০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার বিকেলে প্রেস বিফ্রিংয়ে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিজিবির ৬৪ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম। এসময় উপস্থিত ছিলেন বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হানিফুর রহমান ভূঁইয়া। তিনি বলেন, ভোরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হ্নীলা বিওপি সংলগ্ন এলাকায় টহল জোরদার করা হলে সীমান্ত পেরিয়ে আসা সন্দেহভাজন কয়েকজন চোরাকারবারি সদস্যদের চ্যালেঞ্জ করলে তারা গুলি ছোড়ে। আত্মরক্ষার্থে বিজিবিও ফাঁকা গুলি ছুড়লে পাচারকারীরা ইয়াবার চালান ফেলে পালিয়ে যায়। পরে নাফ নদী ও বেড়িবাঁধ সংলগ্ন এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে ৭ লাখ ১০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এর আগের হোয়াইক্যং এলাকার মনিরঘোনা থেকে আরও ২ লাখ ৭০ হাজার ইয়াবা জব্দ করা হয়। উদ্ধার মাদক টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং জড়িতদের শনাক্তে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, এটি চলতি বছরে আটক মাদককের মধ্য সব থেকে বড় চালান। সীমান্তে মাদক-চোরাচালান বন্ধে বিজিবি রাত-দিন দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। - বিষয় : - কক্সবাজার - টেকনাফ - চোরাকারবারি - বিজিবি - গোলাগুলি - ইয়াবা উদ্ধার
