বিএনপির দুপক্ষের সংঘর্ষ
Why this classification
This is a real, recent clash in which rival BNP factions in Kendua, Netrokona fought with local weapons on 7 October 2026, leaving at least 35 people injured. The article also reports a separate BNP clash in Kasba, Brahmanbaria that injured 4 people, but it is not included in this record because it describes a different incident.
Killed
0
Injured
35
Summary
নেত্রকোনার কেন্দুয়ার পাইকুড়া ইউনিয়নের নওপাড়া গ্রামে ৭ অক্টোবর ২০২৬ (বুধবার) আধিপত্য ও পূর্ববিরোধের জেরে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষ হয়। এতে অন্তত ৩৫ জন আহত হন, যাদের মধ্যে ১০ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য নেত্রকোনা ও ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
90% · severity 6
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 35
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 07/10/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
নেত্রকোণায় দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষে নারী নিহত, আহত ২০
নেত্রকোণার কেন্দুয়ায় জমি-সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে সোমা আক্তার (৩০) নামে এক নারী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। গুরুতর আহত সাতজনকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বুধবার (২২ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার রোয়াইলবাড়ি ইউনিয়নের আমতলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত সোমা আক্তার ওই গ্রামের সাদ্দাম হোসেনের স্ত্রী। তার দেড় বছরের একটি শিশু সন্তান রয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে একই গ্রামের নুর ইসলাম ও প্রতিবেশী শাহীন মিয়ার সঙ্গে বাবুল মিয়ার জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। এর জেরে বুধবার সকালে শাহীন ও বাবুল তাদের লোকজন নিয়ে বিরোধপূর্ণ জমিতে এস্কেভেটর মেশিন দিয়ে মাটি কাটতে গেলে নুর ইসলামের লোকজন বাধা দেয়। একপর্যায়ে উভয়পক্ষ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে ৯ জনকে কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে তাদের মধ্যে সাতজনের অবস্থার অবনতি হলে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। অন্যান্য আহতরা স্থানীয় বিভিন্ন ক্লিনিকে চিকিৎসা নিচ্ছেন। গুরুতর আহত অবস্থায় নুর ইসলাম পক্ষের সোমা আক্তারকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান। কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী মাকসুদ বলেন, পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে এবং জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে। চয়ন দেবনাথ মুন্না/এএমকে
বিএনপির দুপক্ষের সংঘর্ষ
বিএনপির দুপক্ষের সংঘর্ষ Advertisement কেন্দুয়া (নেত্রকোনা) ও কসবা (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ কেন্দুয়ায় আধিপত্য বিস্তার ও পূর্ববিরোধের জেরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ৩৫ জন আহত হয়েছেন। বুধবার উপজেলার পাইকুড়া ইউনিয়নের নওপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে ১০ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য নেত্রকোনা ও ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। জানা যায়, সম্প্রতি ওয়ার্ড বিএনপির সম্মেলনকে কেন্দ্র করে সভাপতি ইফরান মিয়ার সঙ্গে সুনু মিয়া ও শাকিল পক্ষের বিরোধের সৃষ্টি হয়। এর মধ্যে মৎস্যচাষি আব্দুর রহমানের মাছ পরিবহণকে কেন্দ্র করে সুনু ও শাকিল পক্ষের সঙ্গে বিরোধ দেখা দেয়। এ ঘটনায় ইফরান মিয়া আব্দুর রহমানের পক্ষ নেওয়ায় বিরোধ আরও তীব্র হয়। সুনু মিয়া পক্ষের লোকজনের অভিযোগ, বুধবার সকালে সুনু মিয়া বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে ইফরান মিয়ার লোকজন তার ওপর হামলা চালায়। পরে এ খবর ছড়িয়ে পড়লে উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। অভিযোগের বিষয়ে ইফরান মিয়া বলেন, এ বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। এদিকে, কসবায় বিএনপির ১০০ দিনের কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে দলটির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার দুপুরে উপজেলার বিনাউটি ইউপি চেয়ারম্যানের কার্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে। এতে চারজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। আহতরা হলেন-উপজেলার নেমতাবাদ গ্রামের কবির মুন্সি ও দিপু মিয়া, তালতলা গ্রামের আশরাফুল ইসলাম এবং বল্লভপুর গ্রামের শাহাবুদ্দিন। আহত দিপু মিয়া জানান, তিনি বিনাউটি ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি। ১০০ দিনের কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা করতে উপজেলা থেকে বিএনপি নেতা কামাল সেখানে আসেন। আলোচনা শেষে তারা চা খেতে বসেছিলেন। এ সময় বিএনপিকর্মী বাবু ও উজ্জ্বল নামে দুজন সেখানে এসে ভিডিও ধারণ করতে চাইলে তারা বাধা দেন। এ নিয়ে প্রথমে কথা কাটাকাটি ও পরে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে বলে দাবি করেন তিনি। এ বিষয়ে বিএনপির সংশ্লিষ্ট নেতাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
