ডাকবাংলোয় দুই শিশুসহ মায়ের মরদেহ, সিসিটিভি ফুটেজে যা দেখা গেল

AI-classifiedconfidence 85%

Why this classification

This article reports the discovery of three bodies: two children and their mother, who police believe was responsible for killing the two daughters before dying herself. Because the deaths of the children may be a homicide, and the investigation into the cause is still ongoing, the case is classified as a violent crime rather than a simple suicide.

Reported by:Dhaka PostSingle source
03/06/26•জেলা পরিষদ ডাকবাংলো, বরগুনা (তৃতীয় তলা, খাকদোন-৩ ও খাকদোন-৪ কক্ষ)

Killed

3

Injured

0

Summary

বরগুনা জেলা পরিষদ ডাকবাংলোর তৃতীয় তলার দুটি কক্ষ থেকে ৩ জুন (বুধবার) পরিচ্ছন্নতা কর্মী ইতি রাণী (৩৪) ও তার দুই মেয়ে আরাধা বিশ্বাস (১২) এবং অনুরাধা বিশ্বাসের (৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, দুই মেয়েকে হত্যার পর মা আত্মহত্যা করেছেন, তবে ভিন্ন কারণ আছে কিনা তা তদন্ত করা হচ্ছে।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

85% · severity 8

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

ইতি রাণী (৩৪), পরিচ্ছন্নতা কর্মী (মৃত)আরাধা বিশ্বাস (১২), মৃতঅনুরাধা বিশ্বাস (৩), মৃতকেয়ারটেকার লিটনজেলা পরিষদের ড্রাইভার কামরুল ইসলামবরগুনা জেলা পরিষদ প্রশাসক মো. নুজরুল ইসলাম মোল্লাবরগুনা জেলার পুলিশ সুপার মো. কুদরত-ই-খুদা

Affected infrastructure

ডাকবাংলোর কক্ষ খাকদোন-৪ডাকবাংলোর কক্ষ খাকদোন-৩খাকদোন-৪ কক্ষের দরজা (পুলিশ ভেঙেছে)

Tags

Murder

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 3

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 03/06/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Dhaka Post · 04/06/26open original ↗

ডাকবাংলোয় দুই শিশুসহ মায়ের মরদেহ, সিসিটিভি ফুটেজে যা দেখা গেল

বরগুনায় জেলা পরিষদ ডাকবাংলোর পাশাপাশি দুটি আলাদা কক্ষ থেকে মা ও দুই মেয়ের মরদেহ উদ্ধারের পর এলাকা জুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। হত্যা নাকি আত্মহত্যা এ নিয়ে বিভিন্ন মহলে চলছে আলোচনা। তবে, পুলিশের প্রাথমিক ধারণা দুই মেয়েকে হত্যার পর মা নিজেই আত্মহত্যা করেছেন। আলোচিত এ ঘটনার সিসিটিভি ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজ এসেছে ঢাকা পোস্টের হাতে। ঘটনার দিনের ওই সিসি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, বুধবার (৩ জুন) সকাল ১০টা ৫২ মিনিটের সময় একটি রিকশায় ইতি রাণী তার দুই শিশু কন্যাকে নিয়ে ডাকবাংলায় প্রবেশ করেন। পরে তাকে ছোট মেয়েটিকে কোলে করে হাতে ঝাড়ু নিয়ে তৃতীয় তলায় প্রবেশ করতে দেখা যায়। এরপর পিছনে পিছনে আসা বড় মেয়েকে নিয়ে ডাকবাংলোর খাকদোন-৪ নামের একটি রুমে প্রবেশ করেন। পরে ওই রুম থেকে বের হয়ে একই তলার খাকদোন-৩ নম্বর নামে আরেকটি রুমে প্রবেশ করেন তারা। এরপর বড় মেয়েকে ওই রুমে রেখে ছোট মেয়েকে কোলে করে বের হয়ে এসে সামনের অপর দুটি রুমে প্রবেশের পর ছোট মেয়েকে নিয়ে খাকদোন-৪ নম্বর রুমে প্রবেশ করেন ইতি রানী। এর কিছু সময় পর বড় মেয়েটি খাকদোন-৩ থেকে বের হয়ে অন্যান্য রুমে ঘোরাঘুরি করে আবারও ওই রুমে প্রবেশ করে। এরপর ১০ টা ৫৮ মিনিটের দিকে ইতি রানী ছোট মেয়েকে রুমে রেখে বাইরে এসে দরজা আটকে বড় মেয়ের রুমে প্রবেশ করেন। পরে প্রায় ৩০ মিনিট পর ১১টা ২৮ মিনিটের দিকে বড় মেয়ের প্রবেশ করা রুম খোলা রেখেই ইতি রানী বের হয়ে খাকদোন-৪ রুমে ঢুকে ছোট মেয়েকে নিয়ে ভিতর থেকে দরজা বন্ধ করে দেন। পরবর্তীতে জেলা পরিষদ ডাকবাংলোর দেখাশুনার দায়িত্বে থাকা কেয়ারটেকার লিটন ৩টা ৬ মিনিটে তৃতীয় তলায় গিয়ে বড় মেয়ের প্রবেশ করা ওই রুমে ঢুকতে দেখা যায়। সেখান থেকে বের হয়ে বিভিন্ন রুম পর্যবেক্ষণসহ মা ও ছোট মেয়ের প্রবেশ করা রুমের দরজা ভিতর থেকে আটকানো দেখেন এবং তাকে দরজায় নক করতে দেখা যায়। এরপর কিছু সময় শেষে নিচে নেমে গিয়ে তার সঙ্গে জেলা পরিষদের ড্রাইভার কামরুল ইসলামকে নিয়ে আবারও তৃতীয় তলায় আসেন লিটন। পরবর্তীতে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে খাকদোন ৪ নম্বর রুমের দরজা ভেঙে ইতি রানী ও তার ছোট মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। আর পাশের রুম খাকদোন ৩ নম্বর থেকে উদ্ধার করা হয় বড় মেয়ের মরদেহ। এর আগে বুধবার (৩ জুন) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে জেলা পরিষদ ডাকবাংলোর তৃতীয় তলার দুটি আলাদা কক্ষ থেকে ডাকবাংলোর পরিচ্ছন্নতা কর্মী ইতি রাণী (৩৪) ও তার দুই মেয়ে আরাধা বিশ্বাস (১২) এবং অনুরাধা বিশ্বাসের (৩) মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনার পর বরগুনা জেলা পরিষদ প্রশাসক মো. নুজরুল ইসলাম মোল্লা বলেন, সাধারণত ৯টার দিকে ইতি রাণী কাজে আসেন। কিন্তু আজ তার দুই মেয়েকে নিয়ে ১১টার দিকে কাজে এসেছেন। আমাদের এখানে সর্বত্র সিসিটিভি ক্যামেরা রয়েছে। পুলিশ এবং আমরা ইতোমধ্যে সিসিটিভির ফুটেজ সংগ্রহ করেছি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে মেয়েদের হত্যার পর মা আত্মহত্যা করেছেন। এ বিষয়ে বরগুনা জেলার পুলিশ সুপার মো. কুদরত-ই-খুদা বলেন, বড় মেয়ের মরদেহ পাওয়া কক্ষটি খোলা ছিল। ভেতর থেকে বন্ধ অপর কক্ষ থেকে মা ও ছোট মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বড় মেয়ের কক্ষে পাঁচটি ঘুমের ওষুধ ও পানি পাওয়া গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে- পূর্বপরিকল্পিতভাবে মা আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। তবে, ভিন্ন কোনো কারণ আছে কিনা তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। মো. আব্দুল আলীম/এসএইচএ