রাজবাড়ী ও ফরিদপুরে দুই গৃহবধূ ধর্ষণে গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ

AI-classifiedconfidence 85%

Why this classification

The article is mainly a statement from the Bangladesh Mahila Parishad, but it describes new, concrete incidents: a woman was forced into a microbus at a Pangsha bus stand and gang-raped, and a housewife in Bhanga was raped in a field and robbed. Because these acts are reported for the first time in the article and happened within the last two weeks, they count as a valid violent incident.

Reported by:SamakalJugantorCorroborated · 2 sources
30/03/26•মৈশালা বাসস্ট্যান্ড, পাংশা

Killed

0

Injured

0

Summary

(৩০ মার্চ ২০২৬) রাজবাড়ীর পাংশার মৈশালা বাসস্ট্যান্ড থেকে এক কুষ্টিয়াবাসী নারীকে মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে তিনজন পালাক্রমে ধর্ষণ করে। পৃথক ঘটনায় ফরিদপুরের ভাঙ্গায় এক গৃহবধূকে ফসলের মাঠে নিয়ে চারজন ধর্ষণ করে এবং সোনার দুল ও টাকা ছিনিয়ে নেয়।

AI analysis

Category

Gender-Based Violence

Confidence

85% · severity 7

Perpetrator side

Unknown

Victim side

Locals

Other actors

হাসিবুর রহমান ওরফে অন্তরমো. বরকত মুন্সীরাশেদুজ্জামান রাশেদনাহিদসাদ্দামনাজমুলনূর আলম

Tags

Rape

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 30/03/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Samakal · 04/04/26open original ↗

রাজবাড়ী ও ফরিদপুরে দুই গৃহবধূ ধর্ষণে গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ রাজবাড়ী ও ফরিদপুরে দুই গৃহবধূ ধর্ষণে গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ সমকাল প্রতিবেদক প্রকাশ: ০৪ এপ্রিল ২০২৬ | ০৮:২০ | প্রিন্ট সংস্করণ রাজবাড়ীর পাংশা ও ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় পৃথক ঘটনায় সংঘবদ্ধ চক্রের হাতে দুই গৃহবধূ ধর্ষণের শিকার হওয়ায় গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ নেতৃবৃন্দ। গতকাল শুক্রবার সংগঠনটির সভাপতি ডা. ফওজিয়া মোসলেম ও সাধারণ সম্পাদক মালেকা বানু স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। এতে বলা হয়েছে, গত সোমবার রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার মৈশালা বাসস্ট্যান্ড থেকে এক নারীকে মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণ করে সংবদ্ধ দুর্বৃত্তরা। নির্যাতনের শিকার নারীর বাড়ি কুষ্টিয়া। এদিন কাজ শেষে কুষ্টিয়ায় বাড়ি ফেরার জন্য ওই নারী পাংশার মৈশালা বাসস্ট্যান্ডে বাসের জন্য অপেক্ষা করছিলেন। এ সময় সাদা রঙের একটি মাইক্রোবাসে অভিযুক্ত হাসিবুর রহমান ওরফে অন্তর, মো. বরকত মুন্সী ও রাশেদুজ্জামান রাশেদ তাঁকে জোরপূর্বক গাড়িতে তুলে নিয়ে পাংশা উপজেলার কুলটিয়া এলাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় ঘোরাঘুরি করতে থাকে। এ সময় অভিযুক্ত তিনজন পালাক্রমে মাইক্রোবাস চালাতে থাকে এবং পেছনের সিটে ওই নারীকে ধর্ষণ করে। অপরদিকে ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা উপজেলায় সংঘবদ্ধ একটি চক্রের ধর্ষণের শিকার হন অপর এক গৃহবধূ। অভিযুক্ত নাহিদ, সাদ্দাম, নাজমুল ও নূর আলম ওই গৃহবধূকে ফসলের মাঠে নিয়ে ধর্ষণ করে। এ সময় গৃহবধূর সঙ্গে থাকা এক জোড়া সোনার দুল ও সাড়ে তিন হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। তারা বলেন, গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, দেশের বিভিন্ন স্থানে নারী ও কন্যার প্রতি ধর্ষণ, দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। কর্মস্থলসহ বিভিন্ন জায়গায় যাতায়াতের পথে, জোরপূর্বক গাড়িতে তুলে নিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ঘটছে। এ ধরনের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে নারীর নিরাপত্তা হুমকির সম্মুখীন হয়ে দাঁড়িয়েছে। - বিষয় : - বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ

Source 2: Jugantor · 01/04/26open original ↗

তরুণীকে মাইক্রোবাসে তুলে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ

তরুণীকে মাইক্রোবাসে তুলে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ Advertisement রাজবাড়ী প্রতিনিধি প্রকাশ: ০১ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৫৩ পিএম রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার মৈশালা বাসস্ট্যান্ডে অবস্থানকালে এক তরুণীকে (৩২) দুর্বৃত্তরা জোরপূর্বক মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে পালাক্রমে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার দিবাগত রাতে পাংশা মডেল থানায় তিনজনকে আসামি করে ওই তরুণী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা করেছেন। পুলিশ মামলার দ্বিতীয় আসামি রাশেদুজ্জামান ওরফে রাশেদকে (৪০) মঙ্গলবার দিবাগত মধ্যরাতে পাংশা শহর থেকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃত রাশেদুজ্জামান পাংশা উপজেলার কলিমহর ইউনিয়নের নারায়ণপুর কলেজপাড়া গ্রামের আব্দুল মজিদের ছেলে। তিনি পাংশা শহরের দত্ত মার্কেটের একজন কসমেটিকস ব্যবসায়ী। ধর্ষণের শিকার ওই তরুণীর বাড়ি কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানা এলাকায়। তিনি জানান, সোমবার (৩০ মার্চ) ব্যক্তিগত কাজে তিনি পাংশায় আসেন। কাজ শেষে বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে তিনি কুষ্টিয়া যাওয়ার উদ্দেশ্যে পাংশার মৈশালা বাসস্ট্যান্ডে বাসের জন্য অপেক্ষা করছিলেন। এ সময় সাদা রঙের একটি মাইক্রোবাস থামিয়ে তিনজন তাকে জোরপূর্বক গাড়িতে তুলে নেন। এরপর পাংশা উপজেলার কুলটিয়া এলাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় মাইক্রোবাসে করে ঘোরাঘুরি করতে থাকেন। এ সময় অভিযুক্ত তিনজন পর্যায়ক্রমে মাইক্রোবাস গাড়ি চালাতে থাকেন এবং মাইক্রোবাসের পেছনের সিটে তরুণীকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। রাত ৭টার দিকে অভিযুক্ত তরুণীকে কুষ্টিয়া সদর থানা এলাকার একটি ফাঁকা জায়গায় নামিয়ে চলে যান তারা। পরে ওই তরুণী মঙ্গলবার দিবাগত রাতে পাংশা মডেল থানায় তিনজনকে আসামি করে মামলা করেন। মামলায় অভিযুক্ত আসামিরা হলেন- পাংশা উপজেলার কুলটিয়া এলাকার হাবিবুর রহমান রাজার ছেলে হাসিবুর রহমান অন্তর (৩২), উপজেলার কলিমহর ইউনিয়নের ধানুরিয়া গ্রামের আব্দুল মজিদের ছেলে রাশেদুজ্জামান ওরফে রাশেদ (৪০) ও পারনারায়ণপুর গ্রামের তায়জাল মুন্সীর ছেলে মো. বরকত মুন্সী (৩৪)। তবে হাসিবুর রহমান অন্তরের সঙ্গে কয়েক বছর আগে থেকে তরুণীর প্রেমের সম্পর্ক ছিল। বর্তমানে কয়েক মাস ধরে তাদের সম্পর্ক ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়। এছাড়াও ওই তরুণী হাসিবুর রহমান অন্তরের বিরুদ্ধে কুষ্টিয়ার একটি আদালতে টাকা সংক্রান্ত বিষয়ে মামলা দায়ের করেছেন। বর্তমানে ওই মামলা চলমান রয়েছে। এ বিষয়ে পাংশা মডেল থানার ওসি শেখ মঈনুল ইসলাম বলেন, তরুণীর অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে মঙ্গলবার দিবাগত মধ্যরাতে পাংশা শহরের দত্ত মার্কেট থেকে মামলার দ্বিতীয় আসামি রাশেদুজ্জামান ওরফে রাশেদকে গ্রেফতার করে। অপর আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশ মাঠে কাজ করছে। তরুণীর সঙ্গে প্রধান আসামির প্রেমের সম্পর্কের বিষয়ে তিনি বলেন, কয়েক মাস ধরে তাদের সেই সম্পর্ক আর নেই। এছাড়া তরুণী পাওনা টাকা সংক্রান্ত বিষয়ে কুষ্টিয়ার একটি আদালতে হাসিবুর রহমান অন্তরকে আসামি করে মামলা করেছেন। ওই মামলা চলমান আছে। ওই তরুণীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আনুষঙ্গিক আইনগত অন্যান্য কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। গ্রেফতার রাশেদুজ্জামান ওরফে রাশেদকে বুধবার দুপুরে রাজবাড়ীর আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে বলে ওসি জানান।