হরিদাস চন্দ্র তরণীর স্ত্রীকে বের করে দিয়ে প্রমোদকুঞ্জে তালা
Why this classification
The article describes creditors locking a house and evicting the family without any political party involvement; therefore it does not meet the criteria for political violence.
Killed
0
Injured
0
Summary
ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ায় হরিদাস চন্দ্র তরণীর প্রমোদকুঞ্জে পাওনাদাররা তার স্ত্রীকে বের করে দিয়ে বাড়িতে তালা লাগিয়ে দিলেন। ঘটনায় কোনো আহত বা নিহতের তথ্য পাওয়া যায়নি।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
92% · severity 2
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 22/07/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
হরিদাস চন্দ্র তরণীর স্ত্রীকে বের করে দিয়ে প্রমোদকুঞ্জে তালা
হরিদাস চন্দ্র তরণীর স্ত্রীকে বের করে দিয়ে প্রমোদকুঞ্জে তালা ফুলবাড়িয়ায় গত বুধবার হরিদাস চন্দ্র তরণীর প্রমোদকুঞ্জে তালা দিয়েছেন পাওনাদাররা সমকাল ফুলবাড়িয়া (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৪ জুলাই ২০২৬ | ০৯:৪৬ | প্রিন্ট সংস্করণ প্রতারণা মামলায় কারাগারে রয়েছেন গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে ৮১ ফুট উচ্চতার ‘রামমূর্তি’ নির্মাণের ঘোষণা দিয়ে আলোচনায় আসা হরিদাস চন্দ্র তরণী। এই অবস্থায় ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ায় ‘মাশাল্লাহ মঞ্জিল’ নামে তাঁর প্রমোদকুঞ্জে তালা দেওয়া হয়েছে। গত বুধবার তাঁর স্ত্রী স্মৃতি আকতারকে বের করে দিয়ে তালা ঝুলিয়ে দেন পাওনাদাররা। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ফুলবাড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাশেদুল হাসান। জানা গেছে, গাইবান্ধার পলাশবাড়ীর দরিদ্র পরিবারে জন্ম হরিদাস চন্দ্র তরণী দাসের। পড়াশোনা ছেড়ে ভারতে প্রায় ৯ বছর থাকার পর দেশে ফিরে ঢাকার উত্তরা এলাকায় এসি মেকানিক হিসেবে কাজ শুরু করেন। পরে পুরোনো এসি বিক্রি ও মেরামতসহ বিভিন্ন ব্যবসায় যুক্ত ছিলেন। এক পর্যায়ে হরিদাস চন্দ্র তরণী দাস নিজেকে তাওহীদ ইসলাম পরিচয় দিয়ে ফুলবাড়িয়া উপজেলার সবজি বিক্রেতা রফিকুল ইসলামের মেয়ে স্মৃতি আকতারকে বিয়ে করেন। বিয়ের পর ২০১৯ সালে বালিয়ান ইউনিয়নের বালাশ্বর ছাইতানতলায় চারতলা বিলাসবহুল একটি বাড়ি নির্মাণ করেন। বেশ কিছু দিন তাঁর স্ত্রী স্মৃতি আকতার ও তাঁর পরিবার ‘মাশাল্লাহ মঞ্জিলে’ বসবাস করছিলেন। গত বুধবার বিকেলে তাদের বের করে দিয়ে তালা ঝুঁলিয়ে দিয়েছেন পাওনাদাররা। এক সময় বিলাসবহুল বাড়িটি দেখার জন্য আসতেন কৌতূহলী মানুষ। কিন্তু এখন আসেন পাওনাদাররা। গতকাল বৃহস্পতিবার ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা গেল বাড়ির সামনে ভ্যানগাড়ি নিয়ে দাঁড়িয়ে অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছেন গোলাপ মোস্তফা নামে এক ব্যক্তি। তিনি জানান, ছয় বছর আগে তাঁর ছেলে ইসরাফিলকে সরকারি চাকরি দেওয়ার কথা বলে সাত লাখ টাকার চুক্তিতে এক লাখ টাকা নেন তাওহীদ (হরিদাস)। ছয় বছরে দুদফায় ৪০ হাজার টাকা দিলেও বাকি টাকা এখনও পাননি। তাঁর ভাষ্য, এক বছর আগে স্থানীয় দুলাল দোকানদার নামে একজন ২০ হাজার টাকা দেন। দুলালের মতো আরও কমপক্ষে ৫০ জনের একটি বাহিনী আছে তাওহীদের। যাদের সহায়তায় সব অপকর্ম করতে সাহস পেয়েছেন। তাদের আইনের আওতায় আনা দরকার বলে মনে করেন তিনি। বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার পর স্মৃতি আকতার ও তাঁর পরিবার কোথায় চলে গেছেন এলাকার কেউ বলতে পারছেন না। এ কারণে তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। বালিয়ান ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য বাবর আলী বলেন, স্মৃতি আকতার ও তাঁর পরিবার জানেনই না হরিদাস গ্রেপ্তার হওয়ার আগেই বাড়িটি ময়মনসিংহের বড় বড় পাওনাদারদের লিখে দিয়েছেন। স্থানীয় পাওনাদাররা তালা লাগানোর পর স্ত্রী-সন্তানরা আত্মগোপন করেছেন। ফুলবাড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাশেদুল হাসান জানান, পাওনাদাররা গত বুধবার সকালে ময়মনসিংহে মানববন্ধন শেষে বিকালে বাড়িতে তালা ঝুঁলিয়ে দেন। উল্লেখ্য, অর্থ পাচার প্রতিরোধ আইনের একটি মামলায় হরিদাস চন্দ্র তরণী দাসকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। গত ১২ জুলাই রাতে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। - বিষয় : - তালা
যুবকের বিচ্ছিন্ন মাথা ও মাটিচাপা দেহ উদ্ধার
যুবকের বিচ্ছিন্ন মাথা ও মাটিচাপা দেহ উদ্ধার Advertisement ময়মনসিংহ ব্যুরো প্রকাশ: ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৭:০৪ পিএম সোহেল মিয়া ময়মনসিংহে সোহেল মিয়া (২৬) নামে এক নিখোঁজ যুবকের বিচ্ছিন্ন মাথা এবং মাটিচাপা দেওয়া দেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (২২ জুলাই) রাত পৌনে ৯টার দিকে সদর উপজেলার পরানগঞ্জ ইউনিয়নে অম্বিকাগঞ্জ কলেজের পাশ থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। নিহত সোহেল মিয়া ওই এলাকার নূরুল ইসলাম নূরুদ্দিনের ছেলে। দুই ভাই ও এক বোনের মধ্যে সোহেল ছিলেন তৃতীয়। এলাকায় তিনি গাছ কাটার শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন। নিহতের পারিবার জানায়, গত ১৬ জুলাই রাত ৮টার দিকে নিজ বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর সোহেল মিয়া নিখোঁজ হন। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করে সন্ধান না পেয়ে বুধবার সকালে নূরুল ইসলাম নূরুদ্দিন থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, বুধবার বিকালে অম্বিকাগঞ্জ কলেজের একাডেমিক ভবন নির্মাণের স্থান নির্বাচনের কাজ চলছিল। সেখানে কলেজের শিক্ষক ও কর্মচারীরা উৎকট দুর্গন্ধ খুঁজতে গিয়ে একটি দেহবিহীন মাথা দেখতে পান। পরে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বিচ্ছিন্ন মাথাটি উদ্ধার করে। এ সময় পাশেই মাটি খোঁড়াখুঁড়ি করে রাত পৌনে ৯টার দিকে কয়েক ফুট গভীরে মাথাবিহীন দেহটি পাওয়া যায়। পরে পরিবারের সদস্যরা শরীরে কাপড় দেখে নিশ্চিত হয় লাশটি সোহেলের। নিহত সোহেলের শ্বশুর আলাল উদ্দিন জানান, সোহেল ও তার ভগিনীপতি সেলিম একসঙ্গে গাছ কাটার কাজ করলেও পারিশ্রমিক নিয়ে বিরোধ ছিল। সোহেলকে ঠিকমতো টাকা না দিয়ে মারধরও করতেন সেলিম। এজন্য ঢাকায় গিয়ে নির্মাণ শ্রমিকের কাজ শুরু করেছিল সোহেল। বাড়িতে আসার খবর পেয়ে ১৬ জুলাই রাত আটটার পর সেলিম মিয়া সোহেলকে কাজ দেওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যান। এরপর থেকেই সোহেলের আর খোঁজ নেই। মঙ্গলবার এলাকা থেকে সেলিম পালিয়ে যান। কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ শিবিরুল ইসলাম জানান, বিচ্ছিন্ন মাথা ও অবশিষ্ট দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পিবিআই আঙুলের ছাপ মিলিয়ে পরিচয় নিশ্চিত করেছে। এছাড়া শরীরের কাপড় দেখে লাশটি সোহেলের বলে নিশ্চিত করেছেন তার পরিবারের সদস্যরা। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
