কলা চুরির অভিযোগে তিন কিশোরকে বেঁধে নির্যাতন

AI-classifiedconfidence 85%

Why this classification

This is a single, concrete incident on Thursday, 7 May 2026, in which local youths physically tied three teenagers to a tree as punishment for allegedly stealing bananas. It is a physical attack on individuals, not a simple arrest, and it happened recently, so it qualifies as violence.

Reported by:SamakalJugantorCorroborated · 2 sources
07/05/26•দুবলচারা, মুলাডুলি ইউনিয়ন, ঈশ্বরদী

Killed

0

Injured

0

Summary

পাবনার ঈশ্বরদীর মুলাডুলি ইউনিয়নের দুবলচারা এলাকায় বৃহস্পতিবার দুপুরে কলা চুরির অভিযোগে স্থানীয় কয়েকজন যুবক তিন কিশোরকে গাছে বেঁধে নির্যাতন করে। পুলিশ খবর পেয়ে তাদের উদ্ধার করে পরিবারের জিম্মায় দেয়, তবে ঘটনায় জড়িতরা পালিয়ে যায়।

AI analysis

Category

Mob Justice / Lynchings

Confidence

85% · severity 5

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

স্থানীয় কয়েকজন যুবকতিন কিশোর (স্থানীয় বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী)ঈশ্বরদী থানা পুলিশঈশ্বরদী থানার এসআই বিজন কুমার সরকারঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুর রহমান

Tags

Thief CaughtVigilante Justice

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 07/05/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Samakal · 07/05/26open original ↗

কলা চুরির অভিযোগে তিন কিশোরকে বেঁধে নির্যাতন

কলা চুরির অভিযোগে তিন কিশোরকে বেঁধে নির্যাতন ঈশ্বরদীর দুবলচারায় বৃহস্পতিবার দুপুরে বেঁধে রাখা হয় তিন কিশোরকে। ছবি: সংগৃহীত ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৭ মে ২০২৬ | ১৭:৪৪ পাবনার ঈশ্বরদীতে বাগান থেকে কলা চুরির অভিযোগে তিন কিশোরকে গাছে বেঁধে নির্যাতন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার মুলাডুলি ইউনিয়নের দুবলচারা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। সংবাদ পেয়ে পুলিশ তাদের উদ্ধার করে। তবে কিশোরদের নির্যাতনে কারা জড়িত এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া যায়নি। নির্যাতনের শিকার কিশোরেরা উপজেলার সলিমপুর ইউনিয়নের চরমিরকামারী গ্রামের বাসিন্দা। তারা স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। এলাকাবাসীর বরাতে পুলিশ জানায়, তিনজন দাশুড়িয়া এলাকায় প্রাইভেট পড়া শেষে অটোরিকশায় করে মুলাডুলির দুবলাচারা এলাকায় ঘুরতে যায়। এ সময় বাজি ধরে স্থানীয় একটি কলাবাগান থেকে বেশ কিছু কলা চুরি করে। বিষয়টি টের পেয়ে স্থানীয় কয়েকজন যুবক তিনজনকে আটক করে গাছে বেঁধে রাখেন। তাদের বেঁধে রাখার কয়েকটি ছবি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এলাকাবাসীর মাধ্যমে জানতে পেরে ঈশ্বরদী থানা পুলিশের সদস্যরা তিন শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন। উদ্ধারে যাওয়া ঈশ্বরদী থানার এসআই বিজন কুমার সরকার বলেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে দুবলাচরা গ্রাম থেকে তিন কিশোরকে উদ্ধার করেন। কিন্তু পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিরা পালিয়ে যায়। সেখানে উপস্থিত কেউই কারা জড়িত তাদের নাম বলেনি। তিনজনকে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় কারা জড়িত তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তবে এখনো কেউ লিখিত অভিযোগ করেননি, করলে ঘটনাটির তদন্ত করা সহজ হবে।

Source 2: Jugantor · 07/05/26open original ↗

মাগুরায় বন্ধুর হাতে বন্ধু খুন

মাগুরায় বন্ধুর হাতে বন্ধু খুন Advertisement মহম্মদপুর (মাগুরা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৭ মে ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ মাগুরায় রবিউল ইসলাম নামের এক যুবককে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার বন্ধু শাহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে। পুলিশ নিহতের গলাকাটা লাশ ফরিদপুরের বোয়ালমারী থেকে উদ্ধার করেছে। রবিউল মহম্মদপুরের সিন্দাইন গ্রামের গোলাম সারোয়ারের ছেলে। এ ঘটনায় পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচজনকে আটক করেছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। বোয়ালমারী থানার ওসি আনোয়ার হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আটকদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে। জানা যায়, মঙ্গলবার দুপুরে রবিউলকে তার বন্ধু একই গ্রামের হাফেজ মোল্যার ছেলে শাহিদুল ডেকে নিয়ে যায়। এর কয়েক ঘণ্টা পর রাত ৮টার দিকে ফরিদপুরের বোয়ালমারী থেকে ভিকটিমের লাশ উদ্ধার করা হয়। অভিযোগ, মঙ্গলবার রাতে একটি মাইক্রোবাস বোয়ালমারীর হাটখোলা গ্রামের বটতলা এলাকার এক নির্জন স্থানে থামে। তখন দুর্বৃত্তরা গাড়ি থেকে একটি বস্তা রাস্তার পাশে ফেলে। বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে এলে দুর্বৃত্তরা পালানোর চেষ্টা করে। তখন তারা ধাওয়া দিয়ে গাড়িতে থাকা দুজনকে আটক করে। পরে বস্তাবন্দি অবস্থায় রবিউলের লাশ উদ্ধার করা হয়। আটকরা হলো বোয়ালমারীর আন্দারকোঠা গ্রামের শাহাজাদা এবং একই উপজেলার পংকজ সাহার ছেলে তপু সাহা; বরিউলের বন্ধু শাহিদুল, শাহিদুলের মেয়ের জামাই শহিদুরের চাচা হানিফ এবং শহিদুরের অন্য এক স্বজন।