‘স্ত্রীকে মেরে ফেলেছি, তার বাবাকে খবর দাও’

AI-classifiedconfidence 95%

Why this classification

This is a valid violent incident: a 16-year-old wife was found dead in a rented house in Sreepur, Gazipur on the night of 11 April 2026, and police suspect she was strangled by her husband, who is now absconding. A murder with a concrete victim, perpetrator and date falls within the scope of the tracker.

Reported by:JugantorSingle source
11/04/26•বেড়াইদেরচালা গ্রাম, শ্রীপুর পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ড

Killed

1

Injured

0

Summary

গাজীপুরের শ্রীপুরে ১১ এপ্রিল ২০২৬ (শনিবার) রাতে স্বামী অপু আহমেদ তাঁর স্ত্রী ১৬ বছর বয়সী ঝর্ণা আক্তারকে শ্বাসরোধে হত্যা করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। পরে তিনি প্রতিবেশী এক নারীকে ফোন করে স্ত্রীকে মেরে ফেলার কথা জানান, এবং পুলিশ ভাড়া বাসার তালা ভেঙে লাশ উদ্ধার করলেও স্বামী পলাতক রয়েছেন।

AI analysis

Category

Gender-Based Violence

Confidence

95% · severity 8

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

অপু আহমেদ (স্বামী, বাসচালক, পলাতক)ঝর্ণা আক্তার (নিহত গৃহবধূ, ১৬)মো. হামিদুল ইসলাম (নিহতের বাবা)মাসুদ রানা (বাড়ির মালিক)তানিয়া (প্রতিবেশী নারী)শ্রীপুর থানার ওসি মোহাম্মদ নাছির আহমদ

Affected infrastructure

ভাড়া বাসার দোতলা ঘর (তালা ভাঙা)

Tags

Domestic ViolenceMurder

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 11/04/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Jugantor · 12/04/26open original ↗

‘স্ত্রীকে মেরে ফেলেছি, তার বাবাকে খবর দাও’

‘স্ত্রীকে মেরে ফেলেছি, তার বাবাকে খবর দাও’ Advertisement শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১২ এপ্রিল ২০২৬, ১১:০১ পিএম গাজীপুরের শ্রীপুরে স্ত্রীকে হত্যার পর প্রতিবেশী এক নারীকে ফোন দিয়ে নিহতের বাবাকে লাশ নিয়ে যেতে বলেন স্বামী। ঝর্ণা নামের ওই গৃহবধূকে হত্যার পর ঘরে লাশ রেখে প্রতিবেশী এক নারীকে ফোন করে তিনি বলেন, ঝর্ণাকে মেরে ফেলেছি। তার বাবাকে একটু খবর দাও, লাশ নিয়ে যেতে। শনিবার (১১ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১০টার দিকে শ্রীপুর পৌরসভার ৭ নাম্বার ওয়ার্ডের বেড়াইদেরচালা গ্রামের মাসুদ রানার বাড়ির দোতলা ঘরের তালা ভেঙে লাশ উদ্ধার করে শ্রীপুর থানা পুলিশ। ঝর্ণা আক্তার (১৬) শ্রীপুর পৌরসভার বেড়াইদেরচালা গ্রামের মো. হামিদুল ইসলামের মেয়ে। নিহতের স্বামী অপু আহমেদ পেশায় বাসচালক। ঝর্ণার বাবা হামিদুল ইসলাম বলেন, দুই বছর আগে পরিবারের অজান্তে অপু নামের এক ছেলেকে বিয়ে করেন ঝর্ণা। বিয়ের পর থেকেই সে আমাদের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ রাখেনি। আমরাও তার সঙ্গে যোগাযোগ রাখিনি। পৌরসভার আনসার রোড এলাকায় আমি ব্যবসা করি। তিনি আরও বলেন, রাত ১০টার দিকে পাশের এক দোকানি জানান, আপনার মেয়ে ঝর্ণা মারা গেছে। খবর শুনে দৌড়ে ভাড়া বাসায় আসি। এসে দেখি ঘর থেকে দুর্গন্ধ বের হচ্ছে। পুলিশকে খবর দিলে তারা এসে তালা ভেঙে লাশ উদ্ধার করে। বাড়ির মালিক মাসুদ রানা বলেন, শনিবার রাতে প্রতিবেশী তানিয়া নামের একজনের মোবাইলে ফোন করে ঝর্ণার স্বামী অপু। ফোনে সে জানায়, স্ত্রীকে মেরে ফেলেছি। তার বাবা-আত্মীয়স্বজনদের খবর দাও লাশ নিয়ে যেতে। এমন ফোন পেয়ে তানিয়া বাসায় এসে বিষয়টি জানায়। বেশির ভাগ সময় তাদের ঘরের দরজা বন্ধ থাকত। যে কারণে তাদের বিষয়ে জানা সম্ভব ছিল না। দরজা খোলার পর দেখা যায়, ঘরটিতে প্রচুর মাদক সেবন হতো। শ্রীপুর থানার ওসি মোহাম্মদ নাছির আহমদ বলেন, রাত সাড়ে ১০টার দিকে লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ঘরের ভেতর মাদক সেবনের আলামত পাওয়া গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, শ্বাসরোধে ঝর্ণাকে হত্যা করা হয়েছে। স্বামী পলাতক। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন।