যুগান্তরের বরিশাল ব্যুরো প্রধানের ওপর হামলা
Why this classification
This incident was classified as political violence in Barishal. It involved Awami League against the victim side. Reported casualties: 0 killed and 1 injured. Reported by 1 source.
Killed
0
Injured
1
Summary
বরিশালের সদর রোডে সাংবাদিক আকতার ফারুক শাহিনের ওপর ছাত্রলীগ কর্মী রেজওয়ান সৈকতের হামলা হয়েছে। হামলার পেছনে আওয়ামী লীগ নেতাদের দুর্নীতি বিষয়ক সংবাদ প্রকাশের প্রতিশোধ থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
95% · severity 4
Perpetrator side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Awami League
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 15/08/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
যুগান্তরের বরিশাল ব্যুরো প্রধানের ওপর হামলা
যুগান্তরের বরিশাল ব্যুরো প্রধানের ওপর হামলা ছাত্রলীগ কর্মীকে ধরে পুলিশে দিল জনতা Advertisement বরিশাল ব্যুরো প্রকাশ: ১৭ আগস্ট ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ ছবি: সংগৃহীত দৈনিক যুগান্তরের বরিশাল ব্যুরো প্রধান আকতার ফারুক শাহিনের ওপর হামলা হয়েছে। শনিবার রাত ৯টার দিকে বরিশাল নগরীর সদর রোডে এ ঘটনা ঘটে। পরে স্থানীয়রা হামলাকারী ছাত্রলীগ কর্মী রেজওয়ান সৈকতকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেন। সৈকত বরিশাল সদর উপজেলার চরবাড়িয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সায়েম শরীফের ছেলে। সাম্প্রতিক সময়ে দৈনিক যুগান্তরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কয়েকজন সাবেক এমপি-মন্ত্রী ও মেয়রের অনিয়ম দুর্নীতি বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ হয়েছে। এর জেরে এই হামলা হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। হামলার শিকার আকতার ফারুক শাহিন বলেন, ‘শনিবার রাতে আমি সদর রোডের জেলখানাসংলগ্ন একটি দোকানে ওষুধ কিনতে যাই। দোকানির সঙ্গে কথা বলার এক পর্যায়ে হঠাৎ সৈকত এসে আমার ওপর হামলা চালায়। ঘটনার আকস্মিকতায় হতবিহ্বল হয়ে পড়ি। কিছু বুঝে ওঠার আগেই সে আমাকে কিলঘুসি মারতে থাকে। একপর্যায়ে দোকান এবং আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে আমাকে রক্ষা ও সৈকতকে আটক করে। পরে তাকে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। আমি এ ব্যাপারে থানায় অভিযোগ দিয়েছি। হামলার ধরন দেখে বিষয়টি পূর্ব পরিকল্পিত মনে হয়েছে। খবর পেয়ে বরিশাল প্রেস ক্লাবের সভাপতি আমিনুল ইসলাম খসরুসহ বরিশালে কর্মরত বিভিন্ন গণমাধ্যমের সংবাদকর্মীরা থানায় ছুটে যান।’ বিষয়টি সম্পর্কে জানতে যোগাযোগ করা হলে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আল মামুন ইসলাম বলেন, ‘হামলাকারী সৈকতকে আগে থেকেই খুঁজছিল পুলিশ। তার বিরুদ্ধে কোতোয়ালি থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। ৫ আগস্টের পর কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বেশ কয়েকটি কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছে সে। তাকে ওইসব মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।’ সাংবাদিক আকতার ফারুক শাহিনের ওপর হামলার তীব্র নিন্দা ও হামলাকারীর শাস্তি দাবি করে বিবৃতি দিয়েছে বরিশালের বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠন। বিবৃতি দেওয়া সংগঠনগুলোর মধ্যে রয়েছে-বরিশাল প্রেস ক্লাব, বরিশাল টেলিভিশন ও মাল্টিমিডিয়া অ্যাসোসিয়েশন বিটিএমএ, সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি, জাতীয়তাবাদী সাংবাদিক ফোরাম ও বরিশাল সংবাদপত্র সম্পাদক পরিষদ।
