টেকনাফে গুলিবিদ্ধ জেলে, মিয়ানমার সীমান্তে বাসিন্দাদের নিরাপদে থাকার আহ্বান

AI-classifiedconfidence 80%

Why this classification

A fisherman in Teknaf was shot in the left hand on the Naf river on the evening of 8 January 2026, and the bullet is believed to have come from Myanmar. This is a concrete, recent shooting that caused an injury, though the shooter has not been confirmed.

Reported by:SamakalSingle source
08/01/26•হোয়াইক্যং সীমান্ত, নাফ নদী (বিলাসীর দ্বীপ এলাকা)

Killed

0

Injured

1

Summary

কক্সবাজারের টেকনাফে বৃহস্পতিবার (০৮ জানুয়ারি ২০২৬) সন্ধ্যায় নাফ নদীতে মাছ ধরার সময় গুলিতে মো. আলমগীর (৩১) নামে এক জেলে বাঁ হাতে আহত হন। গুলিটি মিয়ানমারের দিক থেকে এসেছে বলে ধারণা করা হলেও কার গুলিতে তিনি আহত হয়েছেন তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

80% · severity 7

Perpetrator side

Unknown

Victim side

Locals

Other actors

মো. আলমগীর (৩১), জেলেমো. ইউনুছ, আলমগীরের ভাইমো. ইমামুল হাফিজ নাদিম, টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম, ৬৪ বিজিবি ব্যাটালিয়ন অধিনায়কখোকন কান্তি রুদ্র, হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই)

Tags

Attack

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 08/01/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Samakal · 09/01/26open original ↗

টেকনাফে গুলিবিদ্ধ জেলে, মিয়ানমার সীমান্তে বাসিন্দাদের নিরাপদে থাকার আহ্বান

টেকনাফে গুলিবিদ্ধ জেলে, মিয়ানমার সীমান্তে বাসিন্দাদের নিরাপদে থাকার আহ্বান রাখাইনে উত্তেজনা গোলাগুলির ঘটনায় টেকনাফের হোয়াইক্যং সীমান্তে আতঙ্কিত এলাকাবাসী টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৯ জানুয়ারি ২০২৬ | ১৩:১৮ | আপডেট: ০৯ জানুয়ারি ২০২৬ | ১৫:০১ কক্সবাজারের টেকনাফে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তের ওপারে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার সকালে হোয়াইক্যংয়ে উত্তরপাড়া সীমান্তে এ ঘটনা ঘটে। আগের দিন বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ওই এলাকায় নাফ নদীতে মাছ ও কাঁকড়া ধরার সময় গুলিতে মো. আলমগীর (৩১) নামে এক জেলে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। গুলিটি মিয়ানমার থেকে এসেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আলমগীর টেকনাফের হোয়াইক্যং বিজিবি ক্যাম্প সংলগ্ন বালুখালী গ্রামের সৈয়দ আহমদের ছেলে। তাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইমামুল হাফিজ নাদিম বলেন, ‘হোয়াইক্যং সীমান্তে গোলাগুলি ঘটনায় সীমান্তে বসবাসকারী মানুষদের নিরাপদে থাকতে বলা হয়েছে। গুলিবিদ্ধ জেলে পরিবারের খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।’ জেলে গুলিবিদ্ধ হওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছেন উখিয়ায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক (৬৪ বিজিবি) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘সকালে মিয়ানমার সীমান্তের ওপারে গোলাগুলির শব্দ পাওয়া যাচ্ছে। ওই সীমান্তে বসবাসকারীদের নিরাপদে থাকতে বলা হয়েছে। এছাড়া গতকাল (বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায়) এক জেলে নাফ নদীতে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। আমরা সীমান্তে সর্তক অবস্থানে রয়েছি।’ গুলিবিদ্ধ জেলের পরিবার জানায়, বৃহস্পতিবার বিকেলে এক সহযোগীকে নিয়ে নৌকায় করে নাফ নদীতে মাছ ও কাঁকড়া ধরতে যান আলমগীর। তারা নাফ নদীর মধ্যভাগে জেগে ওঠা ‘বিলাসীর দ্বীপ’ নামের জলসীমানায় পৌঁছালে হঠাৎ মিয়ানমারের দিক থেকে গুলি ছোড়া হয়। এ সময় একটি গুলি এসে আলমগীরের বাঁ হাতে লাগে। আলমগীরের ভাই মো. ইউনুছ বলেন, ‘গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর সঙ্গে সঙ্গে তাকে উদ্ধার করে আনা হয়। প্রথমে উখিয়ার কুতুপালংয়ের একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে রাতে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’ আতঙ্কে সীমান্তের ৮ হাজার বাসিন্দা: সীমান্তের বাসিন্দারা জানান, ‘মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে নতুন করে উত্তেজনা বেড়েছে। শুক্রবার সকালেও গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। নাফ নদীতে জেগে ওঠা দুটি দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দেশটির রোহিঙ্গা সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান স্যালভেশন আর্মি (আরসা) ও রোহিঙ্গা নবী হোসেন বাহিনীর মধ্যে প্রায়ই সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। পাশাপাশি আরাকান আর্মির সঙ্গে সশস্ত্র সংঘর্ষে জড়িয়েছে আরএসও। ওপার সীমান্তের তোতার দিয়া, হাসিমের দিয়া, বিলাসী দ্বীপ ও হসের দিয়া এলাকায় দখল ও পুনরুদ্ধার ঘিরে এ ঘটনা ঘটছে। দীর্ঘ এক বছর শান্ত থাকার পর নতুন করে বিস্ফোরণে আতঙ্কে রয়েছেন সীমান্তের অন্তত আট হাজার মানুষ। ঝুঁকিতে পড়েছেন নাফ নদীতে মাছ ধরা হাজারও জেলে। হোয়াইক্যং সীমান্তে বিজিবি বিওপির কাছাকাছি উত্তরপাড়ার বাসিন্দা মোহাম্মদ শহিদ বলেন, ‘আজকেও সকাল থেকে বেশ কয়েকটি গোলার বড় ধরনের বিকট শব্দ পাওয়া গেছে। এছাড়া গতকাল গুলিতে এক জেলে আহত হয়। সব মিলিয়ে এখানকার লোকজন খুব ভয়ভীতির মধ্য আছেন।’ জানতে চাইলে টেকনাফের হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) খোকন কান্তি রুদ্র বলেন, ‘আজকে সকালেও মিয়ানমার সীমান্তে গোলার শব্দ পাওয়া কথা জানিয়েছে স্থানীয় লোকজন। এছাড়া গতকাল হোয়াইক্যং সীমান্তে নাফ নদীতে মাছ ও কাঁকড়া শিকারে গিয়ে বাংলাদেশি এক জেলে গুলিবিদ্ধ হন। তবে কার গুলিতে ওই জেলে আহত হয়েছেন, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এছাড়া সীমান্তে ওপারে প্রায় সময় গোলার শব্দ শুনতে পায় সীমান্তের বাসিন্দারা।’ বিজিবি সর্তক অবস্থানে: এ বিষয়ে টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য সিরাজুল মোস্তফা লালু বলেন, ‘সকাল থেকে আমার এলাকায় সীমান্তের ওপারে গোলার বিকট শব্দ পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া একজন জেলে গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ফলে সীমান্তের লোকজনের মাঝে আতঙ্ক কাজ করছে। তবে সীমান্তে আমাদের বিজিবি সর্তক অবস্থানে আছেন।’