ছেলেসহ তিনজনকে কুপিয়ে ছাদ থেকে লাফ সাবেক পুলিশ সদস্যের
Why this classification
This is a valid, recent, single incident in Lakshmipur in which a man hacked his son, a neighbour, and another resident with a machete (da), then jumped from a building roof and died in hospital. The event involves one death and three injuries, so it qualifies as violence.
Killed
1
Injured
3
Summary
লক্ষ্মীপুর পৌর শহরের বাঞ্চানগরে সোমবার (১৩ এপ্রিল ২০২৬) সকালে অবসরপ্রাপ্ত ট্রাফিক কনস্টেবল নাছির আহমদ (৫৫) ঘুমন্ত ছেলে ইমরানকে দা দিয়ে কুপিয়ে আহত করেন, পরে প্রতিবেশী স্বপন ও আরেক নাছিরকেও কুপিয়ে জখম করেন। এরপর তিনি তিনতলা ভবনের ছাদ থেকে লাফ দিলে গুরুতর আহত হন এবং সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান; পুলিশ জানিয়েছে অভিযুক্ত মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
93% · severity 8
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 3
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 13/04/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
ছেলেসহ ৩ জনকে কুপিয়ে ছাদ থেকে লাফ দিয়ে কনস্টেবলের মৃত্যু
ছেলেসহ ৩ জনকে কুপিয়ে ছাদ থেকে লাফ দিয়ে কনস্টেবলের মৃত্যু নাছির আহমদ লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৩ এপ্রিল ২০২৬ | ২০:৫২ লক্ষ্মীপুর পৌর শহরের বাঞ্ছানগর এলাকায় নিজের ছোট ছেলেসহ তিনজনকে কুপিয়ে আহত করার পর ছাদ থেকে লাফ দিয়ে মৃত্যু হলো অবসরপ্রাপ্ত ট্রাফিক পুলিশ কনস্টেবল নাছির আহমদের। আজ সোমবার সকালে পেশকার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত নাছির আহমদ চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার পূর্ব এখলাসপুর গ্রামের বাসিন্দা। পরিবারসহ প্রায় সাত বছর তিনি এই এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করছিলেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে ঘুমন্ত অবস্থায় নিজের ছোট ছেলে নিবিড়কে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর আহত করেন নাছির। রক্তাক্ত অবস্থায় নিবিড় বাসা থেকে বেরিয়ে এলে প্রতিবেশী মিজানুর রহমান স্বপন তার সাহায্যে এগিয়ে এলে নাছির তাঁকেও কুপিয়ে জখম করেন। এ সময় আরও একজন এগিয়ে এলে তাঁকেও আঘাত করেন। এক পর্যায়ে নাছির অস্বাভাবিক আচরণ করতে করতে বাসা থেকে বের হয়ে তিনতলা ভবনের ছাদ থেকে লাফ দেন। আহতদের স্বজনদের ভাষ্য, আগের রাতেও সবকিছু স্বাভাবিক ছিল। অসুস্থ হয়ে পড়লে ছেলে নিবিড় বাবাকে ওষুধ এনে দেয়। কে জানত, সকালে এমন ভয়ংকর ঘটনা ঘটবে! নিহতের ভাই মোশারফ হোসেন বলেন, ‘আমার ভাই আগে কখনও মানসিক রোগে ভুগতেন না। হঠাৎ কী কারণে এমন ঘটনা ঘটল, বুঝতে পারছি না। তিনি লক্ষ্মীপুরে ট্রাফিক বিভাগে চাকরি করতেন এবং অবসর নিয়েছিলেন।’ স্বজনরা জানান, নাছিরের বড় ছেলে নাঈম প্রতিবন্ধী। ঘটনার সময় তাঁর স্ত্রী বড় ছেলেকে নিয়ে বাড়ির বাইরে ছিলেন। গুরুতর আহত ছোট ছেলে নিবিড়কে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া হয়েছে। লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) অরূপ পাল বলেন, ‘আহত অবস্থায় চারজনকে হাসপাতালে আনা হয়। তাদের মধ্যে নাছির আহমদ চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। গুরুতর আহত দুজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’ এ বিষয়ে লক্ষ্মীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত চলছে। - বিষয় : - লক্ষ্মীপুর - মৃত্যু
ছেলেসহ তিনজনকে কুপিয়ে ছাদ থেকে লাফ সাবেক পুলিশ সদস্যের
ছেলেসহ তিনজনকে কুপিয়ে ছাদ থেকে লাফ সাবেক পুলিশ সদস্যের Advertisement লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৪৫ পিএম হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন আহতরা লক্ষ্মীপুরে ঘুমন্ত ছেলেসহ ৩ জনকে কুপিয়ে ছাদ থেকে লাফ দিয়ে ট্রাফিক পুলিশের অবসরপ্রাপ্ত কনস্টেবল নাছির আহমদের (৫৫) মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকালে লক্ষ্মীপুর পৌর শহরের বাঞ্চানগর এলাকার পেশকার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত কনস্টেবল নাছির চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার পূর্ব এখলাসপুর গ্রামের আরশাদ আলীর ছেলে। সপরিবারে তিনি প্রায় ৭ বছর ধরে ঘটনাস্থলে ভাড়া বাসায় থাকেন। আহতদের স্বজন ও স্থানীয়রা জানান, নাছির ট্রাফিক পুলিশ কনস্টেবল ছিলেন। গেল বছর আগস্টে তিনি চাকরি থেকে অবসরে যান। তার বড় ছেলে প্রতিবন্ধী। বড় ছেলেকে নিয়ে নাছিরের স্ত্রী বেড়াতে যান। গত রাতে ছোট ছেলে ইমরান ও তার বাবা বাসায় ছিলেন। এর মধ্যে নাছির অসুস্থ হয়ে পড়েন। রাতে ছেলে তাকে ওষুধ এনে খাইয়েছে। সকালে ঘুমন্ত অবস্থায় ইমরানকে দা দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপায় নাছির। একপর্যায়ে ইমরান রক্তাক্ত অবস্থায় বাসা থেকে বের হয়ে এলে প্রতিবেশী স্বপন তাকে লুঙ্গি পরিয়ে দিতে যায়। এ সময় নাছির দা দিয়ে স্বপনকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে আহত করে। ঘটনাটি দেখতে পেয়ে নাছির নামে একজন তাদের বাঁচাতে যান। কনস্টেবল নাছির তাকেও কুপিয়ে আহত করে। আহত স্বপন বাঞ্চানগর এলাকার পেশকার বাড়ির মৃত গোলাম রহমানের ছেলে ও অপর আহত নাছির এ বাড়িতেই ভাড়া থাকেন, তার বাবার নাম আব্দুল মান্নান। এদিকে সাবেক কনস্টেবল নাছির ৩ তলা ভবন থেকে লাফিয়ে আহত হন। পরে তাকেসহ আহতদের উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। প্রায় ৩ ঘণ্টা চিকিৎসাধীন থাকার পর কনস্টেবল নাছির মারা যান। আহত স্বপন ও ইমরানকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় প্রেরণ করা হয়েছে। অপর আহত নাছিরকে সদর হাসপাতালে ভর্তি রাখা হয়েছে। সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) অরুপ পাল বলেন, আহত অবস্থায় ৪ জনকে হাসপাতাল আনা হয়। এর মধ্যে কনস্টেবল নাছির চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। আহত অন্যদের মধ্যে ২ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। লক্ষ্মীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, অভিযুক্ত ব্যক্তি মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
