মেহেরপুরে গুলিবিদ্ধ বিএনপি নেতা
Why this classification
Unidentified attackers shot BNP leader Mukul Hossain five times in the chest and back at around 5 am on 20 April 2026, and he was seriously injured. Police recovered four shell casings from the scene, so this is a real, recent armed attack.
Killed
0
Injured
1
Summary
মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার সাহারবাটি গ্রামে সোমবার (২০ এপ্রিল ২০২৬) ভোরে দুর্বৃত্তরা সাহারবাটি ইউনিয়ন বিএনপির ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক মুকুল হোসেনকে বুক ও পিঠে গুলি করে গুরুতর আহত করেছে। তাকে প্রথমে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং পরে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে, আর পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে চারটি গুলির খোসা উদ্ধার করেছে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
90% · severity 8
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 20/04/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
মেহেরপুরে গুলিবিদ্ধ বিএনপি নেতা
মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার সাহারবাটি গ্রামে বিএনপি নেতা মুকুল হোসেনকে গুলি করেছে দুর্বৃত্তরা। সোমবার (২০ এপ্রিল) ভোর ৫টার দিকে কাথুলি সড়কের সাহারবাটি ও ভাটপাড়া এলাকার মাঝামাঝি কাশেম মোড়ে এ ঘটনা ঘটে। গুলিবিদ্ধ মুকুল হোসেন সাহারবাটি ইউনিয়ন বিএনপির ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক এবং সাহারবাটি গ্রামের নেক মহাম্মদের ছেলে। প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্য অনুযায়ী, তার বুকে ও পিঠে পাঁচটি গুলি করা হয়েছে। স্থানীয় বিএনপি নেতা ফরমান ও আবু বক্কর জানান, মুকুল হোসেন একজন ড্রাইভার। তিনি প্রতিদিন ভোরে শরীরচর্চার জন্য গ্রামের রাস্তায় হাঁটতে বের হন। আজও তিনি নিয়মিতভাবে হাঁটতে বের হলে ওই সময় দুর্বৃত্তরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। তারা আরও জানান, কিছুদিন আগে গ্রামে একটি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনার পর থেকে বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার মীমাংসার চেষ্টা করা হলেও সমাধান হয়নি। তাদের ধারণা, পূর্বের ওই ঘটনার জের ধরেই এ হামলা হতে পারে। ব্যক্তিগত বিরোধের কারণেও এ ঘটনা ঘটতে পারে বলে স্থানীয়রা মনে করছেন। এর আগে দুই দফায় মুকুল হোসেনকে লক্ষ্য করে বোমা হামলার ঘটনা ঘটেছিল। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় মুকুল হোসেনকে প্রথমে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে, গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. ওমর ফারুক তাকে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। বর্তমানে সেখানে তার চিকিৎসা চলছে। ঘটনার পর গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উত্তম কুমার দাসের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে গুলির চারটি খোসা উদ্ধার করেছে। ওসি বলেন, ঘটনার তদন্ত চলছে এবং জড়িতদের শনাক্তের চেষ্টা করা হচ্ছে। আরকে
