ঈশ্বরদীতে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির নির্বাচন নিয়ে সংঘর্ষ
Why this classification
This is classified as political violence because it occurred during an election process and involved a known political party activist (BNP) who was severely injured in a physical attack using weapons.
Killed
0
Injured
3
Summary
পাবনার ঈশ্বরদীতে চরকুড়ুলিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির নির্বাচন কেন্দ্রিক সংঘর্ষে বিএনপি কর্মী শাহিনুর ইসলামসহ তিনজন আহত হয়েছেন। পরাজিত প্রার্থীর সমর্থকরা বিজয়ী প্রার্থীর সমর্থকদের ওপর ছুরি ও হাতুড়ি দিয়ে হামলা চালায়।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
95% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 3
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: BNP, Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 03/09/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
ঈশ্বরদীতে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির নির্বাচন নিয়ে সংঘর্ষ
ঈশ্বরদীতে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির নির্বাচন নিয়ে সংঘর্ষ প্রতীকী ছবি ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ১৫:৫৩ পাবনার ঈশ্বরদীতে একটি বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির নির্বাচন নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে শাহিনুর ইসলাম (৪০) নামে এক বিএনপি কর্মী ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়নের চরকুড়ুলিয়া উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ ও এর আশপাশের এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। আহত শাহিনুর ইসলাম চরগড়গড়ি গ্রামের নায়েব আলীর ছেলে ও স্থানীয় বিএনপির একজন সক্রিয় কর্মী। স্থানীয় বাসিন্দা, প্রত্যক্ষদর্শী ও এলাকাবাসী জানান, বৃহস্পতিবার চরকুড়ুলিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি নির্বাচনে প্রার্থী ছিলেন চারজন। মোট ১৪ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। প্রার্থীরা হলেন কামাল হোসেন, আরিফুল ইসলাম, মো. শিপুল ও মো. মজনু। ভোট গণনা শেষে মজনু ১০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে শিপুল ৩ ভোট, কামাল এক ভোট এবং আরিফ কোনো ভোট পাননি। মো. মজনু বিজয়ী হওয়ার পর তার সমর্থকরা আনন্দ উল্লাস প্রকাশ করেন। তবে ফলাফল ঘোষণার পরপরই পরাজিত প্রার্থী শিপুল’র কয়েকজন সমর্থক এ ফলাফল প্রত্যাখ্যান করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেন এবং অফিস কক্ষের চেয়ার ভাঙচুর করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, একদিকে আনন্দ উল্লাস, অন্যদিকে প্রতিবাদ নিয়ে উত্তেজনার একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা এবং পরবর্তীতে হাতাহাতি হয়। স্থানীয়দের হস্তক্ষেপে তাৎক্ষণিকভাবে পরিস্থিতি শান্তও হয়। বিজয়ী প্রার্থী মজনুর লোকজন বিদ্যালয় ত্যাগ করার সময় তারা স্কুলের গেট পার হতে না হতেই শিপুল এর সমর্থকরা তাদের ওপর আক্রমণ করে। হামলায় শাহিনুর ইসলামের পায়ে চাকু দিয়ে আঘাত করা হয়, খোকনকে কিল-ঘুষি মারা হয় এবং বিজয়ী মজনুকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে জখম করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এদিকে বিদ্যালয়ের সামনে এ সংঘর্ষের খবর পেয়ে স্থানীয়রা দ্রুত এগিয়ে এসে আহতদের উদ্ধার করেন। গুরুতর আহত শাহিনুর ইসলামকে তাৎক্ষণিকভাবে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনার পর থেকে আজ শুক্রবারেও এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। এ বিষয়ে ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশাদুর রহমান আসাদ জানান, স্কুল কমিটির নির্বাচন পরবর্তী সময়ে বিজয়ী প্রার্থী এবং পরাজিত প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের খবর শুনে কিছুক্ষণের মধ্যে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। বর্তমানে ওই এলাকার পরিবেশ পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর এ বিষয়ে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
