মসজিদের হিসাব নিয়ে সংঘর্ষ, নিহত ১
Why this classification
This is a specific, recent incident on 28 February 2026 in which two local groups fought with lathis and chases over mosque cash accounts. One man, Fazal Miya, died and at least three others were injured, so it is a valid violent incident in Bangladesh.
Killed
1
Injured
3
Summary
সুনামগঞ্জের ছাতকে ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি দুপুরে মসজিদের ক্যাশবক্সের হিসাব নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়, যাতে ফজল মিয়া (৪০) নামে একজন নিহত এবং অন্তত আরও তিনজন আহত হন। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
95% · severity 8
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 3
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 28/02/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
মসজিদের টাকা আর জলমহালে রক্তাক্ত ছাতক ও হবিগঞ্জ
পৃথক সংঘর্ষে নিহত ১ আহত ৬০ মসজিদের টাকা আর জলমহালে রক্তাক্ত ছাতক ও হবিগঞ্জ হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জে জলমহাল নিয়ে সংঘাতের একটি মুহূর্ত সমকাল হবিগঞ্জ ও ছাতক (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০১ মার্চ ২০২৬ | ০৮:১৯ | প্রিন্ট সংস্করণ মসজিদ তহবিলের টাকা ও জলমহালের দখল নিয়ে পৃথক সংঘর্ষে রক্ত ঝরেছে সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলা ও হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জে। এতে একজন নিহত ও ৬০ জন আহত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। ছাতক উপজেলায় ভারতীয় সীমান্তবর্তী এলাকার একটি মসজিদের তহবিলের টাকা নিয়ে দুই পক্ষের বিরোধ চলছিল। এর জের ধরে গতকাল শনিবার সংঘর্ষের ঘটনায় একজনের মৃত্যু ও ১০ জন আহত হয়েছে। নিহত ফজল মিয়া মসজিদের পঞ্চায়েত কমিটির সদস্য বলে জানা গেছে। নিহত ফজল মিয়া উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের পুরাতন নোয়াকোর্ট গ্রামের বাসিন্দা মৃত সুনু মিয়ার ছেলে। এ সময় আহত হয়েছেন অন্তত আরও ১০ জন। সংঘর্ষে গুরুতর আহত অবস্থায় মনির মিয়া, ইসমাইল আলী, আনোয়ার মিয়া, আলতাব হোসেন, আফতাব হোসেন, আব্দুল আলিম ও খালিক মিয়াকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তির খবর পাওয়া গেছে। ঘটনার পর সীমান্ত এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। সূত্র জানায়, নোয়াকোর্ট গ্রামের মাসুক মিয়ার কাছে দীর্ঘদিন ধরে মসজিদ তহবিলের প্রায় আট লাখ টাকা জমা ছিল। সম্প্রতি গ্রামের লোকজন ও পঞ্চায়েত কমিটির সদস্যরা মসজিদের বৈঠকে মাসুক মিয়ার কাছে টাকার হিসাব চাইলে কথাকাটাকাটি হয়। এর জের ধরেই শনিবার উল্টো মাসুক মিয়া গিয়ে চান মিয়া ও আয়না মিয়ার বাড়িতে তাঁর বিরুদ্ধে জমা টাকার বিষয়ে কৈফিয়ত চাইলে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পঞ্চায়েতের লোকজন সেখানে যান। এ সময় এক পক্ষের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে পঞ্চায়েত সদস্য ফজল মিয়া মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। তিনিসহ আটজনকে সিলেট নেওয়া হলে চিকিৎসক ফজল মিয়াকে মৃত ঘোষণা করেন। স্থানীয় ৩ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য ময়না মিয়া বলেন, মসজিদের তহবিলের টাকা নিয়ে পঞ্চায়েত কমিটির সঙ্গে মাসুক মিয়ার ঝামেলা চলছিল। এ নিয়েই সব সমস্যা। সংঘর্ষে নিরীহ ফজল মিয়ার মৃত্যু হয়েছে। ওসি মোহাম্মদ মিজানুর রহমান জানান এলাকার পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক। এখনও কোনো পক্ষ লিখিত অভিযোগ করেনি। এদিকে জলমহাল ইজারা নিয়ে স্থানীয় সাবেক চেয়ারম্যান ও মেম্বারের অনুসারীদের সহিংসতায় হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জে পুলিশসহ ৫০ জন আহত হয়েছেন। পুলিশ জানায়, উজান পাড়া গ্রামের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ঈসমাইল হোসেন সরসের সঙ্গে একই এলাকার ইউপি সদস্য মুজিবুর রহমানের লোকজনের জলমহাল ইজারা নিয়ে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে কয়েকদিন ধরে তাদের লোকজনের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। শুক্রবার রাতে সরস মিয়ার পক্ষের নিলয়ের সঙ্গে মুজিবুর রহমানের অনুসারী বজলু মিয়ার বাগ্বিতণ্ডা হয়। এর জের ধরে দুপক্ষের লোকজন রাতে টর্চ লাইট জ্বালিয়ে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে আজমিরীগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। সংঘর্ষে পুলিশ সদস্যসহ অর্ধশতাধিক লোক আহত হন। আহতদের মধ্যে দিলকুশ মিয়া, মহিবুর মিয়া, বারাম মিয়া, জয়নাল আবেদীন, সেকুল মিয়া, রুমন মিয়া, উজ্জ্বল মিয়া, পাবেল মিয়া, হুসাইন মিয়া, কাবিল হোসেন, নিজাম উদ্দিন ও মহিবুল রহমানকে আজমিরীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও হবিগঞ্জ জেলা সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। - বিষয় : - নিহত
মসজিদের হিসাব নিয়ে সংঘর্ষ, নিহত ১
মসজিদের হিসাব নিয়ে সংঘর্ষ, নিহত ১ Advertisement ছাতক (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৮:৫৯ পিএম সুনামগঞ্জের ছাতকে মসজিদের হিসাব–নিকাশকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে মো. ফজল মিয়া (৪০) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের পুরান নোয়াকোট গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ফজল মিয়া ওই গ্রামের মৃত ছনু মিয়ার ছেলে। গ্রামের মো. কাঁচা মিয়া ও মো. ফজল মিয়া পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গ্রামের মসজিদের ক্যাশবক্সে জমা থাকা অর্থ ও আর্থিক হিসাব মো. কাঁচা মিয়ার কাছে ছিল। দীর্ঘদিন ধরে ওই হিসাব নিয়ে দুইপক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল। শনিবার দুপুরে ফজল মিয়া পক্ষ হিসাব চাইলে প্রথমে কথা কাটাকাটি এবং পরে হাতাহাতির সূত্র ধরে সংঘর্ষ বাধে। একপর্যায়ে উভয়পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পালটা ধাওয়া ও লাঠিসোঁটা ব্যবহারের ঘটনা ঘটে। এতে ফজল মিয়াসহ অন্তত চারজন গুরুতর আহত হন। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা ফজল মিয়াকে উদ্ধার করে কোম্পানিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান। বাকি আহতদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এলাকায় বর্তমানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। নিহতের পরিবারের দাবি, পরিকল্পিতভাবে অতর্কিত হামলা করে ফজল মিয়াকে হত্যা করা হয়েছে। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন। ছাতক থানার ওসি মোহাম্মদ মিজানুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, মসজিদের ক্যাশ ও হিসাব চাওয়াকে কেন্দ্র করে দুইপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে একজন নিহতের খবর আমরা পেয়েছি। পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে আছে।
