বরিশালে হিন্দু-ইসলামিক বিয়ে নিয়ে লোকের মারধর

AI-classifiedconfidence 93%

Why this classification

The incident involves a mob beating over an inter‑religious marriage with no political party involvement, so it is not classified as political violence.

Reported by:JugantorAjker PatrikaCorroborated · 2 sources
29/09/26•কাউনিয়া বিসিক রোড

Killed

0

Injured

0

Summary

বরিশাল নগরীর কাউনিয়া বিসিক রোডে এক মুসলিম নারী সুরমা তার স্বামীকে তালাক না দিয়ে হিন্দু যুবক বিজয়ের সঙ্গে বিয়ে করার পর স্থানীয় লোকেরা তাকে ও যুবককে আটক করে মারধর করে। পরে পুলিশ এসে দুজনকে থানায় নিয়ে যায়।

AI analysis

Category

Communal / Religious Violence

Confidence

93% · severity 5

Perpetrator side

Locals

Victim side

Unknown

Other actors

সুরমাবিজয়

Tags

Religious ClashMinority Attack

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 29/09/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Ajker Patrika · 01/10/26open original ↗

বিএনপি নেতাকে তুলে নিয়ে থানায় আটকে রাখার অভিযোগ সাবেক ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে

বরিশাল বার লাইব্রেরি থেকে এক বিএনপি নেতাকে তুলে নিয়ে বিমানবন্দর থানায় দিনভর আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে মহানগর ছাত্রদলের এক সাবেক নেতার বিরুদ্ধে। জানা গেছে, বালুর ব্যবসা নিয়ে বিরোধে আগের করা সাধারণ ডায়েরির (জিডি) জের ধরে এই ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী বিএনপি নেতা ফিরোজ শরীফ জানান, গত ২৯ সেপ্টেম্বর নথুল্লাবাদে তাঁকে ধরে নিয়ে গিয়ে জোরপূর্বক তিনটি স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেন মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সহসভাপতি আশিক হাওলাদার। ওই ঘটনায় তিনি বিমানবন্দর থানায় জিডি করেন। আজ বৃহস্পতিবার সকালে মামলা করার উদ্দেশ্যে তিনি বরিশাল আদালতের বার লাইব্রেরিতে যান। সেখান থেকে আশিক ও তাঁর লোকজন তাঁকে একটি গাড়িতে তুলে বিমানবন্দর থানায় নিয়ে যান। থানায় বসেও আশিক তাঁকে জিডি তুলে নেওয়ার জন্য চাপ দেন।ফিরোজ শরীফের দাবি, তিনি বাদী, অথচ আসামি তাঁকে ধরে নিয়ে থানায় গিয়ে জিডি তুলতে বলছেন। তিনি থানায়ও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। নগরীর ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আলম সিকদার বলেন, ‘সকালে ফিরোজ ফোন দিয়ে জানান, আশিক তাঁকে তুলে নিয়ে যাচ্ছে। পরে শুনি তিনি থানায় আছেন। আসামি কীভাবে বাদীকে ধরে থানায় নেয়।’তবে অভিযোগ অস্বীকার করে ছাত্রদল নেতা আশিক হাওলাদার বলেন, বালু ব্যবসার আর্থিক বিরোধ মীমাংসার জন্য ফিরোজসহ কয়েকজন স্বেচ্ছায় থানায় গেছেন। ওসি সাহেব বিষয়টি সমাধান করে দেবেন, তবে ব্যস্ততার কারণে বসতে পারেননি। সন্ধ্যায় বসার কথা রয়েছে।এদিকে আজ সন্ধ্যায় ফিরোজের স্ত্রী ও মহিলা দলের ২২ নম্বর ওয়ার্ড সাধারণ সম্পাদক মাকসুদা আক্তার জানান, সকাল থেকে তিনিসহ তাঁর স্বামী থানায়ই আছেন। পুলিশ তাঁদের ছাড়ছে না। আশিকের বিরুদ্ধে জিডি করার কারণেই তাঁকে ধরে আনা হয়েছে।বিষয়টি নিয়ে বরিশাল মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব জিয়াউদ্দিন সিকদার বলেন, ‘আইন কেউ হাতে তুলে নিতে পারে না। ফিরোজ বিএনপির একজন সদস্য। শুনেছি তাঁকে আদালত চত্বর থেকে ধরে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। অভিযোগ ছাড়া থানায় এত সময় আটকে রাখতেও পারে না।’জানতে চাইলে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘এটি বিএনপির অভ্যন্তরীণ বিষয়। পুলিশ কাউকে ধরে আনেনি, তাঁরা নিজেরাই এসেছেন। তিনি আমাদের হেফাজতে নিরাপদেই আছেন, ব্যস্ততা শেষে দুই পক্ষের সঙ্গে কথা বলা হবে।’

Source 2: Jugantor · 03/10/26open original ↗

স্বামী থাকতে হিন্দু সেজে দ্বিতীয় বিয়ে

স্বামী থাকতে হিন্দু সেজে দ্বিতীয় বিয়ে বরিশালে ক্ষুব্ধ জনতার মারধর Advertisement বরিশাল ব্যুরো প্রকাশ: ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ বরিশাল নগরীর কাউনিয়া বিসিক রোড এলাকায় স্বামীকে রেখে এক মুসলিম নারী হিন্দু যুবককে বিয়ে করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। বুধবার রাতে ওই নারী ও যুবক এলাকায় ফিরলে স্থানীয়রা তাদের মারধর করেন। পরে পুলিশ গিয়ে তাদের থানায় নিয়ে যায়। জানা গেছে, রিকশাচালক সোহাগ কাজীর স্ত্রী সুরমা ১৬ সেপ্টেম্বর সকালে তিন বছরের ছেলেকে নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন। তার ১৪ বছরের মেয়ে বাড়িতেই ছিল। পরে তিনি একই এলাকার ভাড়াটিয়া বাসায় থাকা বিজয় নামে এক যুবকের সঙ্গে ঢাকায় চলে যান। সেখানে একটি মন্দিরে বিজয়কে বিয়ে করেছেন বলে স্থানীয়রা জানান। স্থানীয়দের অভিযোগ, সুরমা তার স্বামীকে তালাক না দিয়েই বিজয়কে বিয়ে করেছেন। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর এলাকায় ক্ষোভ দেখা দেয়। বুধবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে সুরমা ও বিজয় এলাকায় ফিরলে স্থানীয় কয়েকজন তাদের আটক করে মারধর করেন। পরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে তাদের একটি দোকানের ভেতরে নিয়ে রাখা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দুজনকে থানায় নিয়ে যায়। সুরমা বলেন, ‘আমি নিজের ইচ্ছায় বিজয়ের সঙ্গে ঢাকায় গিয়েছি এবং তাকে বিয়ে করেছি। আমাকে কেউ জোর করে নিয়ে যায়নি। আমার আগের স্বামী আমাকে দিয়ে খারাপ কাজ করাতো, তাই আমি চলে গেছি।’ স্থানীয়রা জানান, বিজয় ওই এলাকায় মুচির কাজ করতেন। তার মায়ের নাম সবিতা রানী। সুরমার বাবার নাম দুলাল খান। সোহাগের মায়ের নাম শোভা। তবে সুরমা ও বিজয়ের বিয়ে এবং সুরমার আগের বৈবাহিক সম্পর্কের আইনগত অবস্থান সম্পর্কে সঠিকভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। সুরমার আগের বিয়ের কোনো কাবিননামা নেই।