স্বামী থাকতে হিন্দু সেজে দ্বিতীয় বিয়ে
Why this classification
The incident involves a mob beating over an inter‑religious marriage with no political party involvement, so it is not classified as political violence.
Killed
0
Injured
2
Summary
বরিশাল নগরীর কাউনিয়া বিসিক রোডে এক মুসলিম নারী সুরমা তার স্বামীকে তালাক না দিয়ে হিন্দু যুবক বিজয়ের সঙ্গে বিয়ে করার পর স্থানীয় লোকেরা তাকে ও যুবককে আটক করে মারধর করে। পরে পুলিশ এসে দুজনকে থানায় নিয়ে যায়।
AI analysis
Category
Mob Justice / Lynchings
Confidence
93% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 2
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 30/09/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (5 sources)
বরিশালে সিটি টোলের নামে যানবাহন থেকে চাঁদা আদায়
বরিশালে সিটি টোলের নামে যানবাহন থেকে চাঁদা আদায় বরিশাল ব্যুরো প্রকাশ: ২৩ এপ্রিল ২০২৬ | ০৮:১৩ | প্রিন্ট সংস্করণ বরিশাল মহানগরীর রূপাতলী বাস টার্মিনাল-সংলগ্ন সড়ক থেকে সিটি টোলের নামে যানবাহন থেকে চাঁদা তোলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার রাতে চাঁদা তোলার সময় পুলিশ দুজনকে আটক করার পর রহস্যজনক কারণে ছেড়ে দিয়েছে। বরিশাল মহানগরীর দক্ষিণ-পশ্চিমাংশে রূপাতলী বাস টার্মিনাল থেকে বিভাগের অপর ৪ জেলা রুটের বাস চলাচল করে। ঢাকা, খুলনাসহ দেশের যে কোনো জেলা থেকে পর্যটনকেন্দ্র কুয়াকাটায় যাতায়াত করতে রূপাতলী বাস টার্মিনাল এলাকা অতিক্রম করতে হয়। এ ছাড়া বরগুনা, ঝালকাঠি ও পিরোজপুর জেলা থেকে ঢাকা রুটের বাসও রূপাতলী বাস টির্মিনাল এলাকা দিয়ে যাতায়াত করে। পরিবহন-সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, রূপাতলী বাস টার্মিনাল-সংলগ্ন সড়ক থেকে কুয়াকাটাসহ দূরপাল্লার অন্যান্য রুটের যাত্রীবাহী বাস থেকে সিটি টোলের নামে ৫০ থেকে ১০০ টাকা নেওয়া হয়। টার্মিনালের গোলচত্বর অতিক্রম করার সময় কয়েক যুবক চালকদের কাছ থেকে টাকা নেয়। বৈশাখের শুরুতে নতুন ইজারাদার টার্মিনালের দায়িত্ব নেওয়ার পর এ চাঁদা আদায় শুরু হয়। যাত্রীবাহী বাস সার্ভিস নিউ অন্তর ক্লাসিক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফিরোজ চৌধুরী গতকাল বুধবার কোতোয়ালি মডেল থানায় চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দেন। অভিযোগে বলা হয়, সম্প্রতি রূপাতলী গোলচত্বরের ভাসানী সড়কের সামনে সিটি করপোরেশনের ইজারার নামে ২০ থেকে ২৫ জন লোক গাড়ি থেকে অবৈধভাবে চাঁদা তুলছে। চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে চালক ও সুপারভাইজারকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়। রূপাতলী বাস মালিক সমিতির দপ্তর সম্পাদক ইউসুফ হোসেন গাজী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী সড়কে কোনো চাঁদাবাজি চলবে না। কিন্তু রূপাতলী বাস টার্মিনাল এলাকায় বাস থামিয়ে চাঁদা নেওয়া হয়। চাঁদাবাজিতে জড়িত থাকার অভিযোগে মঙ্গলবার রাতে পুলিশ দুজনকে আটক করে। এ সময় অন্যেরা পালিয়ে যায়। জানা গেছে, হাসান ও সোহাগ নামে দুজনকে পুলিশ আটক করেছিল। থানায় নেওয়ার পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। আটকদের থানা থেকে ছাড়িয়ে নিতে সিটি করপোরেশনের বাজার পরিদর্শক রেজাউল করীম থানায় একটি প্রত্যয়নপত্র দেন। এতে বলা হয়, হাসান ও সোহাগ ইজারাদারের লোক। তাদের অপরাধ হলে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখা হোক। রেজাউল প্রত্যয়নপত্র দেওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, আটক দুজনের বিষয়ে পুলিশ একটি প্রত্যয়নপত্র চেয়েছে, তাই দিয়েছি। কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি আল মামুনুল ইসলাম জানান, মঙ্গলবার রাতে তারা অনেককে গ্রেপ্তার করেছেন। রূপাতলীর দুজনকে কী কারণে আটক কিংবা ছেড়ে দেওয়া হয়েছে; কাগজপত্র না দেখে বলতে পারবেন না। অভিযোগ প্রসঙ্গে রূপাতলী বাস টার্মিনালের ইজারাদার আরিফুর রহমান মুন্না বলেন, ইজারা পেয়ে ১ বৈশাখ থেকে তারা রূপাতলী বাস টার্মিনালে টোল আদায় করছেন। তবে সড়কের ওপর টোল নেওয়ার সঙ্গে তাঁর কোনো কর্মচারী জড়িত নয়। এ বিষয়ে সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রেজাউল বারী বলেন, চলতি বৈশাখে রূপাতলী বাস টার্মিনাল এক বছরের জন্য ইজারা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু বাস টার্মিনালের বাইরে সড়ক থেকে চাঁদা তোলার কোনো অনুমতি দেওয়া হয়নি। সিটি টোলের নামে চাঁদা আদায়ে আমরা কাউকে সড়ক ইজারা দিইনি। - বিষয় : - চাঁদা আদায়
বিএনপি নেতাকে তুলে নিয়ে থানায় আটকে রাখার অভিযোগ সাবেক ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে
বরিশাল বার লাইব্রেরি থেকে এক বিএনপি নেতাকে তুলে নিয়ে বিমানবন্দর থানায় দিনভর আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে মহানগর ছাত্রদলের এক সাবেক নেতার বিরুদ্ধে। জানা গেছে, বালুর ব্যবসা নিয়ে বিরোধে আগের করা সাধারণ ডায়েরির (জিডি) জের ধরে এই ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী বিএনপি নেতা ফিরোজ শরীফ জানান, গত ২৯ সেপ্টেম্বর নথুল্লাবাদে তাঁকে ধরে নিয়ে গিয়ে জোরপূর্বক তিনটি স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেন মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সহসভাপতি আশিক হাওলাদার। ওই ঘটনায় তিনি বিমানবন্দর থানায় জিডি করেন। আজ বৃহস্পতিবার সকালে মামলা করার উদ্দেশ্যে তিনি বরিশাল আদালতের বার লাইব্রেরিতে যান। সেখান থেকে আশিক ও তাঁর লোকজন তাঁকে একটি গাড়িতে তুলে বিমানবন্দর থানায় নিয়ে যান। থানায় বসেও আশিক তাঁকে জিডি তুলে নেওয়ার জন্য চাপ দেন।ফিরোজ শরীফের দাবি, তিনি বাদী, অথচ আসামি তাঁকে ধরে নিয়ে থানায় গিয়ে জিডি তুলতে বলছেন। তিনি থানায়ও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। নগরীর ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আলম সিকদার বলেন, ‘সকালে ফিরোজ ফোন দিয়ে জানান, আশিক তাঁকে তুলে নিয়ে যাচ্ছে। পরে শুনি তিনি থানায় আছেন। আসামি কীভাবে বাদীকে ধরে থানায় নেয়।’তবে অভিযোগ অস্বীকার করে ছাত্রদল নেতা আশিক হাওলাদার বলেন, বালু ব্যবসার আর্থিক বিরোধ মীমাংসার জন্য ফিরোজসহ কয়েকজন স্বেচ্ছায় থানায় গেছেন। ওসি সাহেব বিষয়টি সমাধান করে দেবেন, তবে ব্যস্ততার কারণে বসতে পারেননি। সন্ধ্যায় বসার কথা রয়েছে।এদিকে আজ সন্ধ্যায় ফিরোজের স্ত্রী ও মহিলা দলের ২২ নম্বর ওয়ার্ড সাধারণ সম্পাদক মাকসুদা আক্তার জানান, সকাল থেকে তিনিসহ তাঁর স্বামী থানায়ই আছেন। পুলিশ তাঁদের ছাড়ছে না। আশিকের বিরুদ্ধে জিডি করার কারণেই তাঁকে ধরে আনা হয়েছে।বিষয়টি নিয়ে বরিশাল মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব জিয়াউদ্দিন সিকদার বলেন, ‘আইন কেউ হাতে তুলে নিতে পারে না। ফিরোজ বিএনপির একজন সদস্য। শুনেছি তাঁকে আদালত চত্বর থেকে ধরে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। অভিযোগ ছাড়া থানায় এত সময় আটকে রাখতেও পারে না।’জানতে চাইলে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘এটি বিএনপির অভ্যন্তরীণ বিষয়। পুলিশ কাউকে ধরে আনেনি, তাঁরা নিজেরাই এসেছেন। তিনি আমাদের হেফাজতে নিরাপদেই আছেন, ব্যস্ততা শেষে দুই পক্ষের সঙ্গে কথা বলা হবে।’
বরিশালে মাদকের আসর থেকে পুলিশ সদস্যসহ আটক ৪
বরিশাল সদর উপজেলার রায়পাশা-কড়াপুর ইউনিয়নের পাঁচগাঁও গ্রামে একটি টিনশেড বাড়িতে মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে এক পুলিশ সদস্যসহ চারজনকে আটক করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) ভোরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে স্থানীয় মিরাজুল ইসলামের বাড়িতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। পরে আটক চারজনের মধ্যে পুলিশ সদস্যকে বিমানবন্দর থানার পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। অপর তিনজনকে ডোপ টেস্ট শেষে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আটক ব্যক্তিরা হলেন- বরিশাল এয়ারপোর্ট থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) দেলোয়ার হোসেন, বাড়ির মালিক মিরাজুল ইসলাম, নাহিদ হাসান (২৬) ও ফাতেমা আক্তার নুরতাজ (৩০)। ডিএনসি ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার ভোরে ডিএনসির পরিদর্শক মো. জাহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি দল পাঁচগাঁও গ্রামের মিরাজুল ইসলামের টিনশেড বাড়িতে অভিযান চালায়। এ সময় বাড়িটি ঘিরে ফেলে ভেতরে থাকা ব্যক্তিদের আত্মসমর্পণের আহ্বান জানানো হয়। এ সময় ভেতরে থাকা কয়েকজন পালানোর চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে এএসআই দেলোয়ার হোসেন টিনের অংশ ভেঙে বাইরে লাফ দেন। পরে কাদামাটিতে পড়ে গেলে ডিএনসি সদস্যরা তাকে আটক করতে গেলে ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। পরে মিরাজুলসহ চারজনকে আটক করা হয়। ডিএনসি জানিয়েছে, অভিযানের সময় বাড়িতে মাদক সেবনের সরঞ্জাম পাওয়া যায়। তবে সেখানে কোনো বড় মাদকের চালান বা উল্লেখযোগ্য পরিমাণ মাদকদ্রব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, মিরাজুল ইসলামের কোনো দলীয় পদ না থাকলেও তিনি নিজেকে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা হিসেবে পরিচয় দিয়ে এলাকায় প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করতেন। তার বিরুদ্ধে মাদক কারবার ও স্থানীয় লোকজনকে হয়রানির অভিযোগও রয়েছে বলে তারা দাবি করেন। এ ছাড়া এএসআই দেলোয়ার হোসেনের সঙ্গে মিরাজুলের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে বলেও জানিয়েছেন স্থানীয়রা। বরিশাল জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মিরাজুল ইসলামের বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। সেখানে একজন পুলিশ সদস্য ও একজন নারীসহ চারজনকে মাদক সেবনের সরঞ্জামসহ আটক করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ঘটনাস্থলে বিমানবন্দর থানার পরিদর্শক শাহাবুদ্দিন উপস্থিত হলে আটক পুলিশ সদস্যকে তার কাছে হস্তান্তর করা হয়। তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে থানা পুলিশ। জাহিদুল ইসলাম বলেন, অপর তিনজনকে ডোপ টেস্ট শেষে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। আরিফ হোসেন/এসএইচএ
স্বামী থাকতে হিন্দু সেজে দ্বিতীয় বিয়ে
স্বামী থাকতে হিন্দু সেজে দ্বিতীয় বিয়ে বরিশালে ক্ষুব্ধ জনতার মারধর Advertisement বরিশাল ব্যুরো প্রকাশ: ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ বরিশাল নগরীর কাউনিয়া বিসিক রোড এলাকায় স্বামীকে রেখে এক মুসলিম নারী হিন্দু যুবককে বিয়ে করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। বুধবার রাতে ওই নারী ও যুবক এলাকায় ফিরলে স্থানীয়রা তাদের মারধর করেন। পরে পুলিশ গিয়ে তাদের থানায় নিয়ে যায়। জানা গেছে, রিকশাচালক সোহাগ কাজীর স্ত্রী সুরমা ১৬ সেপ্টেম্বর সকালে তিন বছরের ছেলেকে নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন। তার ১৪ বছরের মেয়ে বাড়িতেই ছিল। পরে তিনি একই এলাকার ভাড়াটিয়া বাসায় থাকা বিজয় নামে এক যুবকের সঙ্গে ঢাকায় চলে যান। সেখানে একটি মন্দিরে বিজয়কে বিয়ে করেছেন বলে স্থানীয়রা জানান। স্থানীয়দের অভিযোগ, সুরমা তার স্বামীকে তালাক না দিয়েই বিজয়কে বিয়ে করেছেন। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর এলাকায় ক্ষোভ দেখা দেয়। বুধবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে সুরমা ও বিজয় এলাকায় ফিরলে স্থানীয় কয়েকজন তাদের আটক করে মারধর করেন। পরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে তাদের একটি দোকানের ভেতরে নিয়ে রাখা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দুজনকে থানায় নিয়ে যায়। সুরমা বলেন, ‘আমি নিজের ইচ্ছায় বিজয়ের সঙ্গে ঢাকায় গিয়েছি এবং তাকে বিয়ে করেছি। আমাকে কেউ জোর করে নিয়ে যায়নি। আমার আগের স্বামী আমাকে দিয়ে খারাপ কাজ করাতো, তাই আমি চলে গেছি।’ স্থানীয়রা জানান, বিজয় ওই এলাকায় মুচির কাজ করতেন। তার মায়ের নাম সবিতা রানী। সুরমার বাবার নাম দুলাল খান। সোহাগের মায়ের নাম শোভা। তবে সুরমা ও বিজয়ের বিয়ে এবং সুরমার আগের বৈবাহিক সম্পর্কের আইনগত অবস্থান সম্পর্কে সঠিকভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। সুরমার আগের বিয়ের কোনো কাবিননামা নেই।
বরিশালে মা ইলিশ রক্ষার অভিযানে কোস্টগার্ডের ওপর জেলেদের হামলা, ১০টি ফাঁকা গুলি
বরিশালের হিজলায় মেঘনা নদীতে মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানে গতকাল শুক্রবার বিকেলে কোস্টগার্ডের সদস্য, মৎস্য কর্মকর্তা ও নৌ পুলিশের সদস্যদের ওপর জেলেরা হামলা চালানছবি: ভিডিও থেকে সংগৃহীত বরিশালের হিজলা উপজেলার মেঘনা নদীতে মা ইলিশ রক্ষার অভিযানে কোস্টগার্ডের সদস্যদের ওপর জেলেরা হামলা করেছেন বলে অভিযোগ। পরে মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তাদের বহনকারী স্পিডবোটেও ইটপাটকেল নিক্ষেপ করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কোস্টগার্ডের সদস্যরা ১০টি ফাঁকা গুলি ছোড়েন। এ ঘটনায় দুই জেলেকে আটক করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার বিকেলে হিজলার মেঘনা নদীর অন্তর্বাম এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আটক দুই জেলে হলেন সালাহউদ্দিন চৌকিদার ও শাহ আলম। রাতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাঁদের ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও হিজলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইলিয়াস সিকদার এ দণ্ড দেন। এ ছাড়া ঘটনাস্থল থেকে প্রায় দুই লাখ মিটার কারেন্ট জাল ও পাঁচ কেজি ইলিশ জব্দ করা হয়েছে। পরে জাল পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। হিজলা উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, গতকাল দুপুরের পর কয়েকটি ইঞ্জিনচালিত নৌকায় করে জেলেদের মাছ ধরতে দেখা যায়। তাঁদের বিরত রাখতে গেলে কয়েকটি নৌকায় লোকজন জড়ো করে কোস্টগার্ডের সদস্যদের ওপর হামলা চালায়। বিকেলে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমানের নেতৃত্বে নৌ পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে যান। তিনি বলেন, তখন তাঁদের বহনকারী স্পিডবোট লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়েন জেলেরা। এতে স্পিডবোটটির সামনের কাচ ও হর্ন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরে কোস্টগার্ডের সদস্যরা ১০টি ফাঁকা গুলি ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। ধাওয়া করে ইঞ্জিনচালিত নৌকাসহ দুই জেলেকে আটক করা হয়। তাঁদের বহনকারী স্পিডবোট লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়েন জেলেরা। এতে স্পিডবোটটির সামনের কাচ ও হর্ন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরে কোস্টগার্ডের সদস্যরা ১০টি ফাঁকা গুলি ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। ধাওয়া করে ইঞ্জিনচালিত নৌকাসহ দুই জেলেকে আটক করা হয়। মাহফুজুর রহমান, হিজলা উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা মা ইলিশ রক্ষায় গত বুধবার মধ্যরাত থেকে ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শুরু হয়েছে। এ নিষেধাজ্ঞা চলবে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত। এ সময়ে নদী, সাগরে ইলিশসহ সব ধরনের মাছ আহরণ, পরিবহন, বাজারজাত ও মজুত নিষিদ্ধ করেছে সরকার। এ বিষয়ে হিজলার ইউএনও ও কোস্টগার্ডের দক্ষিণ জোনের আঞ্চলিক কার্যালয়ের গণমাধ্যম বিভাগে কয়েকবার কল করা হলেও তাঁদের সাড়া পাওয়া যায়নি। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন বরিশাল বিভাগবরিশালইলিশ মাছনিষেধাজ্ঞা
