পায়ুপথে বাতাস দিয়ে শিশু হত্যায় মামলা, এলাকাবাসীর বিক্ষোভ

AI-classifiedconfidence 95%

Why this classification

This is a single, concrete incident in which four named youths physically seized a school child and forced air into his body, causing fatal internal injuries and death in Narsingdi. It occurred within the last 14 days and is a murder, so it qualifies as violence.

Reported by:SamakalSingle source
06/05/26•গজারিয়া বাজার, গজারিয়া গ্রাম

Killed

1

Injured

0

Summary

নরসিংদীর পলাশ উপজেলার গজারিয়া গ্রামের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিনকে ২০২৬ সালের ৬ মে (বুধবার) সকালে গজারিয়া বাজারের একটি অটোরিকশা গ্যারেজে চারজন যুবক টেনেহিঁচড়ে নিয়ে গিয়ে পায়ুপথ ও মুখে হাওয়া মেশিন দিয়ে বাতাস ঢুকিয়ে দেয়। ঢাকায় চিকিৎসার পর ওই দিন সন্ধ্যায় তার মৃত্যু হয়, এবং মামলার পর অভিযুক্তরা পলাতক রয়েছে।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

95% · severity 9

Perpetrator side

Unknown

Victim side

Locals

Other actors

রামিন (নিহত শিশু)সবুজফয়সালবাবুশিশিরমাজিদুল করিম (নিহতের বাবা)খাদিজা বেগম (নিহতের মা)আমজাদ হোসেন (নিহতের দাদা)আবুল কাশেম (সাবেক ইউপি সদস্য)শাহেদ আল মামুন (পলাশ থানার ওসি)রেজাউল হক (সার্জারি বিশেষজ্ঞ)

Tags

Murder

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 06/05/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Samakal · 08/05/26open original ↗

পায়ুপথে বাতাস দিয়ে শিশু হত্যায় মামলা, এলাকাবাসীর বিক্ষোভ

পায়ুপথে বাতাস দিয়ে শিশু হত্যায় মামলা, এলাকাবাসীর বিক্ষোভ পলাশে শিশু রামিনের হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমকাল পলাশ (নরসিংদী) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৮ মে ২০২৬ | ০৮:০৬ | প্রিন্ট সংস্করণ পলাশে পায়ুপথে বাতাস দিয়ে রামিন নামে এক স্কুল শিক্ষার্থীকে হত্যার ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে মামলাটি করেন নিহত শিশুর বাবা। মামলায় চারজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। একই দিন বিকেলে বিচার চেয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন এলাকাবাসী। নিহত রামিন পলাশ উপজেলার গজারিয়া গ্রামের মাজিদুল করিমের ছেলে। গজারিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল শিশুটি। তার দাদা আমজাদ হোসেন কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, রামিন প্রতিদিন সকালে গজারিয়া বাজারে তার ঢেউটিনের দোকানে আসে চা-রুটি খেতে। গত বুধবার সকালেও এসেছিল চা-রুটি খেতে, কিন্তু কে জানতো এই চা-রুটি খেতে আসাই কাল হয়ে দাঁড়াবে। চা খাওয়া অবস্থায় পাশের বিসমিল্লাহ অটো পার্টস অ্যান্ড মেশিনারিজ নামে অটোরিকশা গ্যারেজ থেকে সবুজ, ফয়সাল, বাবু ও শিশির নামে ৪ যুবক শিশুটিকে টেনে হিঁচড়ে নিয়ে যায়। গ্যারেজে থাকা হাওয়া মেশিন দিয়ে তার পায়ুপথ ও মুখে বাতাস ঢুকিয়ে দেয়। পরে শিশুটির পেট ফুলে গেলে তার চিৎকারে আশপাশের মানুষ ছুটে এসে প্রথমে নরসিংদী জেলা হাসপাতালে নিয়ে যায়। অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়। দীর্ঘ ১০ ঘণ্টা মৃত্যুর সঙ্গে লড়ে বুধবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে শিশুটি। এমন নির্মম ঘটনায় শোকে কাতর হয়ে পড়েছেন শিশুটির বাবা মাজিদুল করিম ও মা খাদিজা বেগম। সাবেক ইউপি সদস্য আবুল কাশেম জানান, রামিন শারীরিকভাবে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তি হলেও নিয়মিত নামাজ আাদায় করত এবং স্কুলে যেত। বাজারে গেলে সবাই তার সঙ্গে হাসিঠাট্টা করত। এমন একটা ছেলেকে নির্মমভাবে হত্যা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। হত্যাকাণ্ডে জড়িত সবার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি জানান তিনি। নিহত রামিনের স্বজনরা জানান, বুধবার রাত ৯টার দিকে লাশ বাড়িতে নিয়ে এলে পুলিশ খবর পেয়ে রাতেই ময়নাতদন্তের জন্য থানায় নিয়ে যায়। বৃহস্পতিবার সকালে তার লাশ ময়নাতদন্তের জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। ময়নাতদন্ত শেষে বিকেলে লাশ বাড়িতে নিয়ে এলে ফুসে ওঠেন স্থানীয়রা। তারা ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তার করে শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেন। বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে গজারিয়া মদিনাতুল উলুম দাখিল মাদ্রাসা মাঠে জানাজা শেষে রামিনের লাশ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। পলাশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সার্জারি বিশেষজ্ঞ রেজাউল হক বলেন, পায়ুপথে বাতাস প্রবেশ করার কারণে অন্ত্রের কোনো অংশ ছিদ্র হয়ে যায়। ফলে শিশুটির পেটের ভেতরে রক্তক্ষরণ হয়। পলাশ থানার ওসি শাহেদ আল মামুন বলেন, অভিযুক্ত চার যুবক পলাতক। তাদের গ্রেপ্তারে পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট কাজ করছে।  - বিষয় : - দাবি